‘সংলাপের প্রশ্নই ওঠে না, নির্বাচন সংবিধান অনুসারে’

ভোলা প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১৯ আগস্ট ২০১৮, ১৮:১৭

নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সঙ্গে কোনও সংলাপ হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বলেছেন, তারা (বিএনপি) এখন সংলাপ চায়। কিসের সংলাপ? কার সাথে সংলাপ। খুনিদের সঙ্গে সংলাপের প্রশ্নই ওঠে না। নির্বাচন হবে সংবিধান অনুসারে।

রবিবার দুপুরে ভোলা সরকারি কলেজে ৪৩তম জাতীয় শোক দিবসের এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গনভবনে সংলাপের জন্য খালেদা জিয়াকে দাওয়াত দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি (খালেদা) তা প্রত্যাখান করেন। খালেদা জিয়ার ছেলে কোকো মারা যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারা দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলো।’

‘২০১৪ সালে বিএনপি নির্বাচন না করে ভুল করেছিলো। আবার যদি নির্বাচন না করে, তাহলে রাজনৈতিক আত্মহত্যা হবে বিএনপি। এই দলটির অস্তিত্ব ভবিষ্যতে কেউ খুঁজে পাবে না। তবে আমরা মনে করি বিএনপি নির্বাচনে আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পাকিস্তানিরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারেনি। খুনি মোস্তাক ও খুনি জিয়া বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। কিন্তু যতো দিন আকাশ বাতাস থাকবে ততো দিন এই বাঙ্গালীর মনি কোঠায় বঙ্গবন্ধু থাকবে। যারা বঙ্গবন্ধুকে খুন করেছে তাদেরকে জিয়াউর রহমান বিভিন্ন স্থানে চাকরি দিয়েছে। তার স্ত্রী খালেদা জিয়া খুনিদের সংসস সদস্য করেছেন।’

‘জিয়াউর রহমান ইনডেমিনিটি অর্ডিনেন্স জারি করেছেন, যাতে খুনিদের বিচার না হয়। কিন্তু সেটা আমরা বাতিল করে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার শুরু করেছিলাম।  কিন্তু ২০০১ সনে বিএনপি ক্ষমতায় এসে সেই বিচার বন্ধ করে দেয়। তার মানে জিয়া এবং ষড়যন্ত্রকারিরা চাইতোনা বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হউক। তা না হলে জিয়ার স্ত্রী খালেদা খুনিদের সংসদের মেম্বার করে তাদের গাড়িতে পতাকা তুলে দেয়।’

আওয়ামী লীগের এ প্রবীন নেতা বলেন, ‘২০০১ সালের নির্বাচনের পড়ে ভোলায় অমানুষিক নির্যাতন হয়েছে। মানুষের গরু পর্যন্ত পুড়িয়ে দিয়েছে। ভোলায় এমন কোনো আওয়ামী লীগ নেতকর্মী ছিলো না যাদের অত্যাচার করেনি বিএনপি। তারা যদি আবার ক্ষমতা পায় বাংলাদেশে লাখ লাখ লোক হত্যা করবে।’

‘ভোলা-বরিশাল ব্রিজ হবে’

মন্ত্রী বলেন, ‘ভোলা-বরিশাল ব্রীজ হবে। নদী ভাঙ্গন রোধে আরো পাঁচশ কোটি টাকা বরাদ্ধ একনেকে পাশের জন্য যাবে। ভোলায় সার কারখানা হবে। ভোলার গ্যাস থেকে সার কারখানা ও অনেক বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। ভোলা হবে বাংলাদেশের সিঙ্গাপুর।’

এর আগে মন্ত্রী ভোলা সরকারি কলেজের বিজ্ঞান, বাণিজ্য, প্রশাসনিকসহ ৪টি নতুন ভবন উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী কলেজের একটি অডিটোরিয়াম ও মহিলা হোষ্টেল নির্মাণের ঘোষনা দেন।

ভোলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর পারভিন আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোলা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন, সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মো. ইউনুস, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা, যুগ্ম সম্পাদক জহিরুল ইসলাম নকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব প্রমূখ।

পরে মন্ত্রী ভোলা সদর উপজেলা পরিষদের আয়োজনে মাধ্যমিক ও দাখিল পর্যায়ের দরিদ্র ও মেধাবী ২৬৭ শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করেন।

ঢাকাটাইমস/১৯আগস্ট/প্রতিনিধি/ডিএম

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
Close