পশু বর্জ্য অপসারণে চার লাখ পলিব্যাগ দিচ্ছে ডিএনসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২০ আগস্ট ২০১৮, ১৫:০৮

ঈদুল আজহায় পশু বর্জ্য যেখানে-সেখানে যেন পড়ে না থাকে তার জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) চার লাখ পলিব্যাগ বিতরণ করবে। প্রত্যেক কুরবানিদাতার বাড়িতে স্থানীয় কাউন্সিলরদের মাধ্যমে এই পলিব্যাগ বিনামূল্যে পৌঁছে দেওয়া হবে।

সোমবার ডিএনসিসির নগর ভবনে ‘কুরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাহী কর্মকরতা মিসবাহুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ডিএনসিসি আওতাভুক্ত এলাকায় আনুমানিক ২ লাখ ৩০ হাজার পশুর কুরবানি হতে পারে। এসব পশুর বর্জ্য অপসারণে আমাদের ৯ হাজার ৫শ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী কাজ করবে।

‘আমাদের লক্ষ্য থাকবে ২৪ ঘন্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করা। এজন্য বিনামূলে সবাইকে পলিব্যাগ সরবরাহ করা হচ্ছে। এবছর সচেতনতার জন্য বিনামূল্যে দেওয়া হলেও আগামী ঈদ থেকে ২০ টাকা খরচ করে এটা কিনতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এই অভ্যাসটা এখন থেকে গড়ে তোলার জন্য ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ হাজারের মতো পলিব্যাগ বিভিন্ন হাটে বিলি করা হয়েছে। এখন যারা হাটে গরু কিনছে তারা পশুর সাথে ২০ টাকা দিয়ে এটা কিনতে হবে।’

এই পলিব্যাগগুলোতে পশুবর্জ্য ভ‌রে ডিএন‌সি‌সির নি‌র্দিষ্ট ময়লা ফেলার স্থা‌নে নিয়ে ফেলার পরামর্শ তিনি বলেন, ‘বর্জ্যসহ ফে‌লে দেয়া অপচনশীল এই প‌লি‌থিনগুলো পরিবেশের জন্য যেন ক্ষতির কারণ না হয়, সে জন্য ডিএন‌সি‌সির সকল প‌রিচ্ছন্নরা ময়লা ছা‌ড়ি‌য়ে প‌লিব্যাগগু‌লো আলাদা ভাবে সংগ্রহ কর‌বে।

কুরাবনিতে যেসকল সুবিধা দেবে ডিএনসিসি

এবার কুরবানির পশু জবাইয়ের জন্য ডিএনসিসি ৫৪৯টি স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছে। যেখানে ১৮৩টি স্থানে নগরবাসীকে প্যান্ডেল সুবিধা দেয়া হচ্ছে। এর বাইরেও ৩৫৬টি স্থান চিহ্নিত করা আছে। কুরবানির জন্য মোট ৮শ জন ইমাম ও ৫শ জন প্রশিক্ষিত মাংস প্রস্তুতকারী রাখা হয়েছে।

পাশাপাশি ২৪ ঘন্টার মধ্যে পরিচ্ছন্ন নগরী নিশ্চত করতে ডিএনসিসির নিজস্ব ২ হাজার ৭শ পরিচ্ছন্নকর্মীসহ সর্বমোট ৯ হাজার ৫শ জন পরিচ্ছন্নকর্মী নিয়োজিত করা হয়েছে। ঈদের আগের দিন থেকে পরবর্তী ২ দিন পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন বর্জ্য অপসারণের জন্য বর্জ্যবাহী ট্রাক ১৫০টি, পে-লোডার ৫টি, হুইল ডোজার ৩টি, বেকহো লোডার ৪টি, স্কিপ লোডার ৪টি, ডাম্প ট্রাক ১৯টি, পানির গাড়ি ১১টি, ট্রাক (আউট সোর্সিং) ৮০টি নিয়োজিত রাখা হবে।

এছাড়াও পশুর জবাইয়ের স্থানে ১১টি মেশিন দিয়ে তরল জীবাণুনাশক মিশ্রিত পানি স্প্রে করা হবে। আর কাউন্সিলরদের মাধ্যমে চার লাখ বর্জ্য সংগ্রহের ব্যাগ সরবারাহ, ৪০ হাজার কেজি ব্লিচিং পাউডার, তরল জীবাণুনাশক এক লিটার, ফিনাইল ২শ লিটার সর্বরাহ করা হবে।

পশুবর্জ্য অপশারনে প্রয়োজনে যোগাযোগ

ডিএনসিসির আঞ্চলিক কার্যালয়-৩ মহাখালীতে একটি অস্থায়ী কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে ৯৮৩০৯৩৬ নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানানো যাবে।

এছাড়া কুরাবনির সময়ে ডিএনসিটির পাঁচটি আঞ্চলিক কার্যালয় ও ৩৬টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের অফিসও কন্ট্রোল রুম হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

যেগাযোগ নম্বর: অঞ্চল-১ (উত্তরা)- ০১৭১৭১ ০২০২৫; অঞ্চল-২ (মিরপুর)- ০১৭১১ ৩১৩২৮৯; অঞ্চল-৩ (মহাখালী)- ০১৯২৩ ১১৩৬৩৬; অঞ্চল-৪ (মিরপুর)- ০১৭৩৩ ৮৯৫৫৩২; অঞ্চল-৫ (কারওয়ান বাজার)- ০১৭১১ ৫৭৭৪৭৪।

ঢাকাটাইমস/২০আগস্ট/এএকে/ডিএম

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজধানী বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত