ফখরুলকে আমন্ত্রণ জানাননি গুতেরেস: জাতিসংঘ কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২২:১৬ | প্রকাশিত : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:০৬

বিএনপি দাবি করলেও জাতিসংঘ থেকে জানানো হয়েছে, জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে কোনো আমন্ত্রণ জানাননি। বরং মির্জা ফখরুলের অনুরোধে তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব মিরোস্লেভ জানকো।

সংস্থাটির মহাসচিব দপ্তরের স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন অফিসার জোয়স লুইস ডায়াজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের মির্জা ফখরুল জানান, জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে যাচ্ছেন তিনি। তারপর দলটির শীর্ষ নেতা মওদুদ আহমেদ, জাতিসংঘের মহাসচিবের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন মির্জা ফখরুল।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন বর্জন করা বিএনপিকে এবার ভোটে আসতে কেনো রকম আমন্ত্রণ জানাবে না সরকার-জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দশম সংসদ নির্বাচনের আগে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থাও নানা উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু এবার দৃশ্যমান কোনো তৎপরতাও নেই।

এর মধ্যে মঙ্গলবার রাতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হন বিএনপি মহাসচিব এবং দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল। তারা এমিরেটস এয়ারলাইনসের ফ্লাইট-৫৮৫ এ যাত্রা করেন।

সেদিন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা সেদিন ঢাকাটাইমসকে বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে মির্জা ফখরুল এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল গতকাল রাতে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ফখরুল বৈঠক করবেন গুতেরেসের সঙ্গে, এমন কথাও প্রচার করে বিএনপি। নিউ ইয়র্ক স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ফখরুল বৈঠকে বসেনও। তবে গুতেরেস নয়, সংস্থাটির রাজনীতি বিষয়ক সহকারী মহাসচিব মিরোস্লাভ জেনকার সঙ্গে হয় এই বৈঠক। আর গুতেরেস তখন ঘানায় সংস্থার সাবেক মহাসচিব কফি আনানের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে ছিলেন।

ফখরুলকে আমন্ত্রণ জানিয়ে গুতেরেস কেন ঘানায়- এই প্রশ্ন জানিয়ে বাংলাদেশের সংবাদভিত্তিক চ্যানেল চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের পক্ষ থেকে মেইল পাঠানো হয় জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব মিরোস্লেভ জানকোর কাছে। আর তার অফিস থেকৈ জানানো হয়, ‘বিএনপির অনুরোধেই মিরোস্লেভ জানকো সাথে মির্জা ফখরুলের বৈঠক হয়। নির্বাচনের আগে বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক দলের সঙ্গে এমন বৈঠক নিয়মিত করা হয়ে থাকে।

এর আগে ২০১৪ সালে ভারতীয় সরকারি দল ক্ষমতা গ্রহণের পর বিএনপি চেয়ারপারসনকে দলটির শীর্ষ নেতা অমিত শাহ ফোন করেছিলেন বলে দাবি করা হয়। তবে সেই দাবিটিও অসত্য প্রমাণিত হয়।

ঢাকাটাইমস/১৪সেপ্টেম্বর/একে/ডব্লিউবি

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত