মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১৬,৩৮৮ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১:৪৭ | প্রকাশিত : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৯:০১
ফাইল ছবি

দেশের মানুষের বার্ষিক মাথাপিছু আয় এখন এক লাখ ৪৩ হাজার ৭৮৯ টাকা (১৭৫১ ডলার)। যা ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে ছিল এক লাখ ২৭ হাজার ৪০১। অর্থাৎ বেড়েছে ১৬ হাজার ৩৮৮ টাকা।

তবে এটি কোনো ব্যক্তির একক বা ব্যক্তিগত আয় নয়। একটি দেশের মোট আয়কে জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মাথাপিছু আয় বের করা হয়।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল মাথাপিছু আয়ের নতুন এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, গত এপ্রিলে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো যখন প্রাথমিক হিসাব প্রকাশ করেছিল তখন আমরা ধারণা করেছিলাম মাথাপিছু আয় ১৭৫২ ডলার হতে পারে। কিন্তু ডলারের বিপরীতে টাকা মান হারানোর কারণে প্রবৃদ্ধি বাড়লেও প্রাথমিক হিসাবের তুলনায় এক ডলার কম হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রী জানান, ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল এক লাখ ১৪ হাজার ৬২১ এবং ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ছিল এক লাখ দুই হাজার ২৩৬ টাকা।

মন্ত্রী জানান, চূড়ান্ত হিসাবে গেল অর্থবছরের জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ২৭৪ বিলিয়ন ডলারে। এর আগের অর্থবছরে জিডিপির আকার ২৫০ বিলিয়ন ডলার ছিল। আর এর আগের অর্থবছরে ছিল ২২১ বিলিয়ন ডলার।

দেশে দারিদ্র্যের হার তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ২০১৮ সাল শেষে দারিদ্র্যের হার কমে হবে ২১.৮ শতাংশ। যেটা ২০১৭ সালে ছিল ২৩.১ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে ২৪.৩ শতাংশ এবং ২০১০ সালে ৩১.৫ শতাংশ।  আর অতি দারিদ্র্যের সংখ্যা হবে ২০১৮ সাল শেষে ১১.০৩ শতাংশ। ২০১৭ সালে ছিল ১২.১ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে ছিল ১২.৯ শতাংশ এবং ২০১০ সালে ছিল ১৭.৬ শতাংশ।

চূড়ান্ত হিসাবে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়েছে। গত অর্থবছরে (২০১৭-১৮) জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। বাজেটের আগে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ হয়েছিল। এর ফলে পরপর তিন বছর ৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করল বাংলাদেশ।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল। এর আগে বছরে (২০১৫-১৬) প্রবৃদ্ধি ছিল ৭ দশমিক ১১ শতাংশ।

কৃষি, শিল্প ও সেবা—এই তিনটি খাত ধরেই জিডিপি গণনা করা হয়। বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, গত অর্থবছরে শিল্প খাতে সবচেয়ে বেশি ১২ দশমিক ০৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। কৃষি খাতে ৪ দশমিক ১৯ আর সেবা খাতে ৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক দিন। প্রতিবছরই এখন এই ধরনের ঐতিহাসিক দিন আসবে। তবে আমরাই আমাদের রেকর্ড ভাঙবো।

সরকারি বিনিয়োগ বেড়ে গেছে, এজন্য প্রবৃদ্ধি বাড়ছে।  এখনো সরকারি বিনিয়োগের প্রবৃদ্ধিই চালিকাশক্তি।

(ঢাকাটাইমস/১৮সেপ্টেম্বর/জেআর/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত