ক্ষমতার নির্ণায়ক ৮০ আসন?

হাবিবুল্লাহ ফাহাদ, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১২:০০

সারা দেশে ৩০০ আসনের মধ্যে বেশ কিছু আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলের অবস্থানই কাছাকাছি। কেউ কারও চেয়ে কম নয়। ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ বিগত এই চারটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনগুলোতে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে অল্প ভোটে।

সংসদ নির্বাচনে তিনশ আসনের মধ্যে অন্তত ১৫০টি আসন রয়েছে যেগুলো কোনো না কোনো দলের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। নির্বাচনে দলের বিপর্যয় হলেও এসব আসনে ঠিকই তারা জিতে আসে। ফলে এসব আসন নিয়ে তেমন ভাবতে হয় না দলকে।

তবে কিছু আসনে আবার বিজয়ী দলের নাম পাল্টায়। কখনও এক দল কখনও অন্য দল জিতে। আবার এই আসনগুলোর মধ্যে কিছু আসনে আবার ব্যবধান থাকে সব সময় কম। এমন অন্তত ৮০টি আসন আগামী নির্বাচনেও থাকবে আগ্রহের কেন্দ্রে। এসব আসন যে দলের দখলে থাকবে, তাদের জয়ের সম্ভাবনাই উজ্জ্বল থাকবে। 

স্থানীয় কোনো ইস্যু বা জাতীয় পর্যায়ের ঘটনা অথবা দলীয় কোন্দল বা প্রার্থী বাছাইয়ে ভুলের কারণে এসব আসন হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে কোনো দলের।

নির্বাচনি ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোথাও এই ব্যবধান নেমে এসেছে তিন অঙ্কের ঘরে। সর্বশেষ ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস বিজয়ী হন মাত্র ২৫২ ভোটে।

১৯৯৬ সালের নির্বাচনে নৌকার জয় হলেও ব্যবধান ছিল ৩ হাজার ৩২১ ভোট। সেবার আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের কাছাকাছি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন বিএনপির শহীদুল্লাহ খান।

১৯৯১ সালে এই আসনে জয়-পরাজয় ঠিক হয়েছিল সাত হাজার ৩৬২ ভোটের ব্যবধানে। সেবার জিতেন বিএনপির শহীদুল্লাহ খান।

গাজীপুর-৩ আসনটিতে বরাবরই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয় আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যে। ২০০১ সালের নির্বাচনে জিততে জিততেও হেরে গেছে আওয়ামী লীগ। সেবার আওয়ামী লীগ প্রার্থী আখতারুজ্জামান বিএনপির ফজলুল হক মিলন থেকে পিছিয়েছিলেন ৩৮৫ ভোটে।

১৯৯৬ সালে এই আসনে আখতারুজ্জামান জয় পান ৪ হাজার ৬৬৮ ভোটে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হাবিব জামানকে ৪ হাজার ১৪৪ ভোটে হারান আওয়ামী লীগের আফসার হোসেন মোল্লা।

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে বরাবরই আওয়ামী লীগের অবস্থান শক্তপোক্ত। তবে এই আসনে লড়াইয়ে জাতীয় পার্টি ও বিএনপিও কম যায় না। ১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মজিবুল হক চুন্নু ১ হাজার ৮২৭ ভোটে হেরেছিলেন নৌকার প্রার্থী মিজানুল হকের কাছে।

এর আগে ১৯৯১ সালে নৌকার একই প্রার্থী কাছে ছয় হাজার ৫৪ ভোটে হারেন বিএনপির কবির উদ্দিন আহমেদ। ২০০১ সালে অবশ্য জয় পান বিএনপির ওসমান ফারুক। তবে ব্যবধান ছিল খুবই কম। ১ হাজার ২১৫ ভোটে এগিয়ে ছিল ধানের শীষ।

বাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে নৌকা জয়ে এগিয়ে থাকলেও ভোটের ব্যবধান খুব বেশি নেই। ১৯৯৬ সালে এই আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রয়াত ছায়েদুল হক ৫ হাজার ৯৯ ভোটের ব্যবধানে জাতীয় পার্টির আহসানুল হককে হারিয়েছিলেন। ২০০১ সালে ভোটের ব্যবধান কিছুটা বাড়লেও সাত হাজারের ঘরেই ছিল।

সেবার নৌকার কাছাকাছি প্রতিদ্ব›দ্বী ছিল বিএনপি। ৬ হাজার ৫৮৭ ভোটে জয় পান নৌকার ছায়েদুল হক। ১৯৯১ সালে এই আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মোরশেদ কামাল ২ হাজার ৫২০ ভোটে ধানের শীষের প্রার্থী এসএম সফি মাহমুদকে হারিয়ে সংসদ সদস্য হন।

১৯৯১ সাল থেকেই লালমনিরহাট-২ আসনে আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টির মধ্যে শক্ত লড়াই হলেও বরাবরই জয় পেয়েছেন জাতীয় পার্টির মজিবর রহমান। তবে ভোটের ব্যবধান ১০ হাজারের ঘর পার হয়নি কখনও।

১৯৯১ সালে মজিবর রহমানের প্রতিদ্ব›দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের শামসুল ইসলাম। তিনি সেবার ৯ হাজার ৩৪২ ভোটে হারেন। পরের বার ১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টির একই প্রার্থী ৮ হাজার ১২১ ভোটে হারান আওয়ামী লীগের নুরুজ্জামান আহমেদকে।

২০০১ সালেও জয় পায় লাঙ্গল। তবে অতীতের তুলনায় ভোটের ব্যবধান কমে আসে। তিন হাজার ২০৩ ভোটে পিছিয়ে ছিল নৌকা।

নীলফামারী-২ বরাবরই আসনটিতে জাতীয় পার্টির সঙ্গে আদাজল খেয়ে লড়তে হয়েছে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে। ১৯৯৬ সালে সেবার লাঙ্গল প্রতীকের আহসান আহমেদের কাছে মাত্র ৪৩৯ ভোটে হারেন আওয়ামী লীগের জয়নাল আবেদীন। ২০০১ সালে ৪ হাজার ১৪৩ ভোট বেশি পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন নৌকার সারথি অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর।

১৯৯১ সালে এই আসন থেকে সিপিবি প্রার্থী সামসুদ্দোহা ৫ হাজার ৬২ ভোটে জামায়াতের আব্দুল লতিফকে হারান।

পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপি মির্জা গোলাম হাফিজ ১০ হাজার ৭৪ ভোটে হারান নৌকার প্রার্থী সিরাজুল ইসলামকে। ১৯৯৬ সালে বিএনপির জমির উদ্দিন সরকার ৯ হাজার ৪২১ ভোটে হারান আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম সুজনের বিরুদ্ধে। ২০০১ সালে ১১ হাজার ৫৪৭ ভোটে হারেন সুজন।

কুমিলøা-৭ আসনে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুল হাকিম তিন হাজার ৬৩১ ভোট বেশি পেয়ে বিএনপির একেএম আবু তাহেরকে হারান।

১৯৯১ সালে ১ হাজার ৯ ভোট বেশি পেয়ে জিতেন আবু তাহের। ২০০৮ সালের নির্বাচনে এই আসন থেকে আলী আশরাফ নৌকা নিয়ে ৫ হাজার ৫০৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন।

নোয়াখালী-৬ আসনে ভোটের ব্যবধান কখনই পাঁচ হাজারের ঘর ছাড়ায়নি। সবচেয়ে বেশি ব্যবধান হয়েছে ২০০৮ সালের নির্বাচনে। সেবার স্বতন্ত্র প্রার্থী ফজলুল আজিম ৪ হাজার ৯৮৬ ভোটে নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেত্রী আয়েশা ফেরদাউসকে হারান।

১৯৯৬ সালে ফজলুল আজিমই ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ২ হাজার ৭৯০ ভোটে নৌকার প্রার্থী ওয়ালি উল্লাহকে হারান। ২০০১ সালে চার হাজার ৪৪১ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হন স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী। তার নিকটতম প্রার্থী আওয়ামী লীগের ওয়ালি উল্লাহ ভোট পান ৩৩ হাজার ৩৬। মোহাম্মদ আলী পান ৩৭ হাজার ৪৭৭ ভোট।

চট্টগ্রাম-৭ আসনে ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের মো. ইউসুফ ১১ হাজার ২৭৯ ভোট বেশি পেয়ে বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে হারান। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ৪ হাজার ৫৪২ ভোটে জিতেন বিএনপির সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। ২০০১ সালেও তিনি ৯ হাজার ৮৪৯ ভোটে হারান আওয়ামী লীগের ছাদেক চৌধুরীকে।

চট্টগ্রাম-১২ আসনে ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আখতারুজ্জামান চৌধুরী জয় পান ৯ হাজার ৪১০ ভোটে। ১৯৯৬ সালে ১০ হাজার ৮৯১ ভোট বেশি পেয়ে জিতেন বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম। ২০০১ সালে তিনি আবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সেবার ভোটের ব্যবধান হয়েছিল ৮ হাজার ২৮৬।

হবিগঞ্জ-১ আসনে ১৯৯৬ সালে ৮ হাজার ৮২৭ ভোটের ব্যবধানে জাতীয় পার্টির খলিলুর রহমান চৌধুরীকে হারান নৌকার প্রার্থী দেওয়ান ফরিদ গাজী। ২০০১ সালে বিএনপির প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়াকে ৮ হাজার ৫৫৬ ভোটে হারান তিনি।

১৯৯১ সালে এই দেওয়ান ফরিদ গাজীই ৩ হাজার ৩০ ভোটে হেরে যান জাতীয় পার্টির খলিলুর রহমান চৌধুরীর কাছে।

সুনামগঞ্জ-৪ আসনে ১৯৯১ সালে নৌকার প্রার্থী আব্দুল জহুর মিয়া বিএনপির শামসুল আবেদীনকে হারান ৪ হাজার ৭৮৪ ভোট বেশি পেয়ে।

১৯৯৬ সালে বিএনপির ফজলুল হক আছপিয়া এক হাজার ৭৯৫ ভোটে হারান আওয়ামী লীগের আব্দুল জহুর মিয়াকে। ২০০১ সালে আসপিয়া আওয়ামী লীগের দেওয়ান শামসুল আবেদীনকে হারান ৯ হাজার ৯৪৩ ভোটে।

ময়মনসিংহ-৩ আসনে ১৯৯১ সালে জাতীয় পার্টির বিপক্ষে তিন হাজার ৮৫৩ ভোটে জয় পায় আওয়ামী লীগ। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের মজিবর রহমান ফকির হেরে যান ৫ হাজার ৪২০ ভোটে। জিতেন বিএনপির এএফএম নাজমুল হুদা। ২০০১ সালের নির্বাচনে নাজমুল হুদাকে ৬ হাজার ২৯ ভোটে হারান নৌকা প্রতীকের মজিবর রহমান ফকির।

ময়মনসিংহ-৮ আসনে ১৯৯১ সালে বিএনপির গোলাম নবীকে ৩ হাজার ১১৪ ভোটে হারান জাতীয় পার্টির খুররম খান চৌধুরী। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের আব্দুস সাত্তার ১ হাজার ১২১ ভোটে হারান জাতীয় পার্টির রওশন এরশাদকে। ২০০১ সালে বিএনপির শাহ নুরুল কবির জিতেন ১০ হাজার ২৭৪ ভোটে।

নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে ১৯৯১ সালে আসনটিতে বিএনপির আব্দুল মতিন চৌধুরী জয় পান ৭ হাজার ১৭১ ভোটে। ১৯৯৬ সালে তাকে ১০ হাজার ৯০৭ ভোটে হারিয়ে দেন আওয়ামী লীগের কেএম সফিউল্লাহ। আবার ২০০১ সালে সফিউল্লাহকে ১০ হাজার ২৩২ ভোটে হারান বিএনপির মতিন।

নেত্রকোণা-৩ আসনে ১৯৯১ সালে মাত্র ৯০৫ ভোটে বিএনপির এল আহমেদ খানকে হারান আওয়ামী লীগের এম জুবেদ আলী। ১৯৯৬ সালে ৮ হাজার ১৩৩ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হন বিএনপির নুরুল আমিন তালুকদার। ২০০১ সালেও বিএনপি জেতে এবং ভোটের ব্যবধান হয় ৯ হাজার ১৫৭।

১৯৯৬ সালে নাটোর-৩ আসনে ১ হাজার ৪২০ ভোটে আওয়ামী লীগের শাহজাহান আলীকে হারান বিএনপির কাজী গোলাম মোর্শেদ। ২০০১ সালের নির্বাচনে গোলাম মোর্শেদ আবারও সাংসদ হন। এবার ভোটের ব্যবধান ছিল ৯ হাজার ২২৩।

১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহজাহান আলী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু বক্কারের কাছে হারেন এক হাজার ৮৫১ ভোটে।

রাজবাড়ী-১ আসনে ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের প্রতীকের আব্দুল ওয়াজেদ চৌধুরী জিতেন ২ হাজার ৬৯৮ ভোটে। নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী ছিলেন বিএনপির আব্দুল খালেক।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের কাজী কেরামত আলী ৯ হাজার ৮৪ ভোটে হারান জাতীয় পার্টির গোলাম মোস্তফাকে। ২০০১ সালে ১০ হাজার ২০৯ ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষ নিয়ে জয়ী হন আলী নেওয়াজ মাহমুদ।

সাতক্ষীরা-৩ আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৮ হাজার ৯০৭ ভোটের ব্যবধানে জয় পান আওয়ামী লীগের আ ফ ম রুহুল হক। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী ছিলেন মোখলেসুর রহমান। সেবার ৭ হাজার ৬৩৫ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন তিনি।

১৯৯১ সালে অবশ্য মাত্র ১ হাজার ৯৫১ ভোটের ব্যবধানে জামায়াতের প্রার্থী এ এম রিয়াসাত আলী জয়ী হন। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন হাফিজুর রহমান।

মাগুরা-২ আসনে ১৯৯৬ সালে ৯ হাজার ১৪ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হন আওয়ামী লীগের বীরেন শিকদার। ২০০১ সালের নির্বাচনে ১০ হাজার ৪২৭ ভোটের ব্যবধানে জয় পান বিএনপির কাজী সলিমুল হক। ২০০৮ সালে বিএনপির প্রার্থী নিতাই রায় চৌধুরীকে হারিয়ে জিতেন আওয়ামী লীগের বীরেন শিকদার। ব্যবধান ছিল ৫ হাজার ৪৬৭।

বাগেরহাট-২ আসনে ১৯৯৬ সালে ৫ হাজার ৯২৯ ভোটে জিতেন আওয়ামী লীগের মীর সাখাওয়াত আলী দারু। ১৯৯১ সালে বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে তিনি ১ হাজার ৪২৯ ভোটে হেরে যান।

২০০৮ সালে নৌকা প্রতীকে নিয়ে মীর শওকত আলী বাদশা ৭ হাজার ৮৯২ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হন।

১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালে আরও বেশ কিছু আসনে অল্প ভোটে ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে। এগুলো হচ্ছে ঢাকা-২, গাজীপুর-৪, ঠাকুরগাঁও-২ ও ৩, দিনাজপুর-৫ ও ৬, কুড়িগ্রাম-৩, লালমনিরহাট-১ ও ৩, নীলফামারি-১ , ৩ ও ৪, পঞ্চগড়-২, নওগাঁ-২, সিরাজগঞ্জ-৩ ও ৬, কিশোরগঞ্জ-১, মেহেরপুর-২, কুষ্টিয়া-৪, ঝিনাইদহ-১, যশোর-১, ৩ ও ৬, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩, কুমিল্লা-৩, ৪, ৬ ও ১০, নোয়াখালী-৩, ৪ ও ৫, ফেনী-২, চাঁদপুর-১ ও ৫, চট্টগ্রাম-১, ২, ৫, ৯, ১০ ও ১১, সিলেট-১, ৩, ৪, ৫ ও ৬, হবিগঞ্জ-২ ও ৩, মৌলভীবাজার-১, সুনামগঞ্জ-৩ ও ৫, ময়মনসিংহ-১, ৬ ও ৯, জামালপুর-২, বরগুনা-২, নারায়ণগঞ্জ-২, নেত্রকোনা-১, ২ ও ৪, খুলনা-২, ৩ ও ৪, নাটোর-২, সাতক্ষীরা-৪ ও ৫, শেরপুর-২, ভোলা-১, বরিশাল-১, ২, ৩ ও ৪, পিরোজপুর-১, টাঙ্গাইল-২, ৩, ৪ ও ৬, পাবনা-৪, শরিয়তপুর-৩।

ঢাকাটাইমস/২১সেপ্টেম্বর/এফএইচ/ডব্লিউবি

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত