ক্রিকেটে আফগান বীরত্ব ও সুরেন্দ্র কুমার সিনহার ‘ভাঙা হৃদয়’

শেখ আদনান ফাহাদ
| আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:৩৮ | প্রকাশিত : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৩:০৩

আফগানিস্তানে চলমান মার্কিন নেতৃত্বাধীন ধ্বংসযজ্ঞের সাথে বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া সাবেক বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার দূরতম কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই সত্যি। তবে গভীর রাজনৈতিক তাৎপর্য বিশ্লেষণে বিষয় দুটোর মধ্যে প্রাসঙ্গিকতা আছে বৈকি।

এস কে সিনহার নেতৃত্বে ‘বিচার বিভাগীয়’ ক্যু সংঘটিত করে বাংলাদেশের চলমান আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিকে করে থামিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটলে স্বাভাবিকভাবে ক্ষমতায় আসবে স্বাধীনতা-বিরোধী জামায়াত-বিএনপি জোট। আর বিএনপি-জামায়াত জোটের পেছনে কৌশলে শক্তি যুগিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের আশীর্বাদপুষ্ট সুশীল সমাজ। জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশের আফগানিস্তান হতে বেশিদিন লাগবে না, এটা যদি আমরা এখনো না বুঝতে পারি তাহলে আমাদের ধ্বংস কেউ ঠেকাতে পারবে না।

একটি সাজানো সংসার কীভাবে ধ্বংস হয়ে যায়, তার বড় উদাহরণ আফগানিস্তান। আফগানদের নিজেদের নানা অনৈক্য আর হানাহানির সুযোগ নিয়ে পশ্চিমা স্বার্থান্বেষী শক্তি আফগানিস্তানে একটি পক্ষ বেছে নেয়। সে পক্ষকে অস্ত্র দিয়ে, অর্থ দিয়ে শক্তিশালী করে দৈত্যে রূপান্তরিত করা হয়। তালেবান বাহিনীর ইতিহাস পড়লে আমরা এর সত্যতা জানতে পারব। তালেবান আর আল-কায়েদা আজ মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনীর ভয়ংকর ‘প্রতিপক্ষ’। অথচ এই প্রতিপক্ষদের যুক্তরাষ্ট্র নিজেরাই তৈরি করেছে বলে প্রচুর তথ্য প্রমাণ রয়েছে।

ইরান, পাকিস্তান, চীন, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, ও তুর্কমেনিস্তানের মধ্যস্থলে একটি ভূ-বেষ্টিত মালভূমির উপর অবস্থিত রাষ্ট্র আফগানিস্তান। ১৭৪৭ সালে আহমদ শাহ দুররানি কান্দাহার শহরকে রাজধানী করে এখানে দুররানি সাম্রাজ্যের পত্তন করেন। তখন থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তান একটি রাজতন্ত্র ছিল। এরই মাঝে দেশের রাজধানী কান্দাহার থেকে কাবুলে স্থানান্তরিত করা হয় এবং দেশটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির কাছে অনেক অঞ্চল হারায়। ১৯শ শতকে দেশটি ব্রিটিশ ভারতীয় সাম্রাজ্য ও রুশ সাম্রাজ্যের মধ্যে এক বিরাট খেলার মধ্যবর্তী ক্রীড়ানক রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

১৯৭৩ সালে একটি সামরিক অভ্যুত্থানে সামরিক অফিসারেরা রাজার পতন ঘটান এবং একটি প্রজাতন্ত্র গঠন করেন। ১৯১৯ সালে তৃতীয় ব্রিটিশ-আফগান যুদ্ধশেষে আফগানিস্তান দেশটি ব্রিটেন থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে। ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে আফগানিস্তানে এক দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপের অভিপ্রায়ে ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান আক্রমণ করে এবং সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধ শুরু হয়। ১৯৮৯ সালে সোভিয়েতরা আফগানিস্তান থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয় এবং এর সাথে সাথে দেশটিতে আবার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। ১৯৯৬ সালে তালেবান নামের একটি মুসলিম মৌলবাদী গোষ্ঠী কাবুলের দখল নেয়।

মূলত আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত বাহিনী হটানোর অভিপ্রায়ে স্থানীয় মাদ্রাসার ছাত্রদের অস্ত্র ও অন্যান্য সহযোগিতা দিয়ে তালেবান বাহিনী গঠনে মূল ভূমিকা রেখেছিল যুক্তরাষ্ট্র।  ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০১ সালে নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ারে রহস্যজনক সন্ত্রাসী হামলার পর বিশ্বরাজনীতিতে আরও বড় পরিবর্তন আসে। সে হামলায় যারা মারা গিয়েছিল তাদের প্রায় সবাই ছিল এশিয়াসহ বাইরে থেকে আসা অভিবাসী আমেরিকান। সে হামলার দায় স্বীকার করে আল-কায়েদা নেটওয়ার্ক। আল-কায়েদা নেটওয়ার্কের প্রধান ব্যক্তি বলে কথিত ওসামা বিন লাদেনের পরিবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের বুশ পরিবারের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক পার্টনার।

যেদিন নিউইয়র্কে সেই ‘সন্ত্রাসী’ হামলা হয়, তার একদিন আগে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট এর বাবা সিনিয়র বুশ ওসামা বিন লাদেনের বড় ভাই শাফিগ বিন লাদেনের সাথে ব্যবসা-সংক্রান্ত এক গোপন বৈঠকে লিপ্ত ছিলেন! ওয়াশিংটন পোস্ট নিউজ দিয়েছিল যে, রিটজ কার্লটন হোটেলে সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ, ওসামা বিন লাদেনের আপন বড় ভাই শাফিগ বিন লাদেন ও কার্লাইল গ্রুপের সাথে বৈঠক করছিলেন। সে আল-কায়েদা নেটওয়ার্কের কথিত প্রধান ওসামা কোনদিন জনসম্মুখে আসেন নি। আমরা তাকে শুধু টেলিভিশনে, ইন্টারনেটে, পত্রিকায় দেখেছি। এমনকি তার মৃত্যুর পর লাশও কেউ দেখতে পায়নি, যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খুব শক্ত করে বলেছিল, লাদেনকে তারা পাকিস্তানে হত্যা করতে সক্ষম হয়েছে।

লাদেন আবার আফগানিস্তানে লুকিয়ে ছিলেন। তাই আফগানিস্তানে হামলা করার বড় কারণ চাইছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই হামলার সুযোগ করে দেয় ৯/১১ এর টুইন টাওয়ার এর ঘটনা। সেই হামলার দায় স্বীকার করে আফগানিস্তানে মার্কিন হামলা করার সুযোগ করে দেয় আল-কায়েদা নেটওয়ার্ক। এই ঘটনার  পর যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান আক্রমণ করে এবং ২০০১-এর শেষে তালেবানদের ‘উৎখাত’ করে। এই আল-কায়েদা নেটওয়ার্ক ইরাক আগ্রাসনের পরেও যুক্তরাষ্ট্রের খুব কাজে এসেছে। ইরাকের মুক্তিযোদ্ধারা যখনই কোন হামলা চালিয়েছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনীর উপর, আল-কায়েদা দায় স্বীকার করে প্রমাণ করেছে ইরাকে যারা মার্কিনীদের বিরোধিতা করে হামলা চালিয়েছে তারা সবাই সন্ত্রাসী, মুক্তিবাহিনী নয়।

আল-কায়েদার প্রয়োজন ফুরিয়েছে, জন্ম দেয়া হয়েছে আইএস নামের কথিত সন্ত্রাসী সংগঠনের। আইএসের কোন অফিস নেই, ঠিকানা নেই। বলা হয় বাগদাদি নামের একজন ব্যক্তি নাকি এই সংগঠনের প্রধান। আইএসের অর্থ ও অস্ত্র কোত্থেকে আসে, কেউ বলে না। তবে রাশিয়া বারবার বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইংল্যান্ড ও ইসরায়েল সবরকমের রসদ সরবরাহ করছে আইএসকে। সিরিয়া ইস্যুতে আইএসের ব্যবহার দেখলেই রাশিয়ার কথা সত্যি বলে প্রমাণিত হবে। বাশার আল আসাদের সেনাবাহিনী যখন ‘আইএস’ নিধন করে, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলে নিরীহ মানুষ হত্যা করা হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র যখন নিরীহ মানুষ হত্যা করে তখন প্রচার করে আইএস মারা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের দি ডেইলি স্টার পত্রিকা ২০১৬ সালে ‘Shock claim, top ISIS leader is ‘Israeli spy’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন জানায় আইএস নেতা আবু বাকার আল বাগদাদি মূলত একজন ইসরায়েলি গুপ্তচর যে ভালো আরবি পারে, কোরআন, হাদিসের বিষয়ে বক্তৃতা করতে পারে। তার লেবাস দেখলে মনে হবে সহি আলেম, কিন্তু উদ্দেশ্য হচ্ছে মুসলমানদের নামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে মুসলমানদের অস্তিত্ব বিপন্ন করা। বাগদাদি তার ছদ্মনাম, তার আসল নাম হচ্ছে সিমন ইলিয়ট, যে কি না ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এজেন্ট। সত্য কথা বলায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে পালিয়ে রাশিয়াতে আশ্রয় নেয়া কর্মকর্তা এডওয়ার্ড স্নোডেন এ সংক্রান্ত অনেক ডকুমেন্ট উপস্থাপন করেছেন।

এই আইএস বাংলাদেশে আছে বলে প্রমাণ করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইংল্যান্ড ও তাদের দেশীয় এজেন্টরা। জাপানি বা ইতালিয় নাগরিক হত্যা করার পর আইএসের দায় স্বীকারপত্র আসত ইহুদি নারী রিটা কাটজ এর ওয়াশিংটন-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সাইট ইন্টিলিজেন্স থেকে। খুব উৎসাহ, উদ্দীপনার সাথে সে দায়িত্ব স্বীকার এর খবর প্রচার করে আইএসের প্রচারণা করত এদেশের কিছু মিডিয়া। এখনো বিদেশের সংবাদ আসলে, আইএসের নামে চালিয়ে দিচ্ছে দেশীয় মিডিয়া। নিজেরা একবারও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংবাদের সত্যতা কতটুকু আছে সেটি যাচাই করে না। অন্ধের মত অনুসরণ করে বিবিসি, সিএনএন, রয়টার্স, এপি, এএফপিকে।  বিবিসি, সিএনএন, এপি, এএফপি ও রয়টার্সসহ নানা পশ্চিমা মিডিয়া ও মিলিটারির যৌথ আগ্রাসনের ভয়াবহতায় বিশ্বের অনেক সভ্যতা আজ ধ্বংসের পথে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনীর বর্বরতায় আমাদের খুব কাছের দেশ আফগানিস্তানের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়েছে। মানুষের মৃত্যু সেখানে নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা। ইতিহাসের আফগানিস্তান আর বর্তমান আফগানিস্তানের মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ।  আফগানিস্তানের নানা গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি করে একদলকে অস্ত্র দিয়ে অর্থ দিয়ে মার্কিন আগ্রাসনকারীরা বৈচিত্র্যপূর্ণ রাষ্ট্র আফগানিস্তানকে ক্ষত-বিক্ষত করে চলেছে।

এই ধ্বংসস্তুপের মধ্য থেকে ফিনিক্স পাখির মত জীবনের আনন্দ নিয়ে উঠে এসেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট দল। একদল সুদর্শন, লড়াকু, মেধাবী ক্রিকেটার ক্রিকেট বিশ্বে একের পর এক বিস্ময় উপহার দিয়ে চলেছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মত ক্রিকেট শক্তিতে পরাভূত করে চলেছে। বিশ্বের সবচেয়ে ভালো দুজন স্পিনার রশিদ খান ও মুজিবুর রহমান এখন আফগানিস্তানের! যে আফগানিস্তান এতদিন শুধু তালেবান আর মার্কিন সন্ত্রাসের খবর হত, সে আফগানা আমাদের কাছে ক্রিকেট বিস্ময় হিসেবে খবর হচ্ছে নিয়মিত। আফগানরা আর কোনদিন তাদের রাষ্ট্র স্থিতিশীল অবস্থায় দেখতে পাবে কি না, আমরা জানি না। তবে আমরা চাই আফগানিস্তান থেকে মার্কিন দখলদার বাহিনী চলে যাক। আফগানরা নিজেরাই নিজেদের পরিচালক হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করুক।

এই মার্কিন অপশক্তি ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে অস্ত্র দিয়েছে, অর্থ দিয়েছে। বাঙালি নিধনকে বৈধতা দিয়েছে। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সাথে মার্কিন সরকারের সরাসরি সম্পর্ক ছিল। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিভিন্ন রাষ্ট্রে আশ্রয় খুঁজে দিয়েছে এই মার্কিন সরকার। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ‘রাজাকার’ ছিলেন বছর কয়েক আগে বোমা ফাটান আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক।

২০১৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর সাবেক বিচারপতি মানিকসহ মোট চারজন বিচারপতির সমন্বয়ে আপিল বিভাগের বেঞ্চ (যেখানে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা প্রিজাইডিং জজ ছিলেন) যখন যুদ্ধাপরাধী মুহুম্মদ কামারুজ্জামানের আপিল শুনছিলেন তখন প্রকাশ্য এবং জনাকীর্ণ আদালতে (বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক, আইনজীবী এবং বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন) বিচারপতি এস কে সিনহা প্রকাশ্যে, সুস্পষ্ট ও জোরালোভাবে স্বীকার করেন যে, তিনি ১৯৭১ সালে শান্তি কমিটির একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তিনি এক পর্যায়ে আরো বলেন, ‘আমি নিজেও পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর জন্য কাজ করেছি। প্রধান বিচারপতির এ আত্মস্বীকৃত বক্তব্য পরের দিন (১১ সেপ্টেম্বর ২০১৪) বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়। বিশেষ করে ডেইলি ঢাকা ট্রিবিউন পত্রিকায় ২য় শীর্ষ সংবাদ হিসেবে এটি প্রকাশিত হয়। যার শিরোনাম ছিল "Justice Sinha discloses his role in 1971". এর কিছুদিন পর দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায় তার উপ-সম্পাদকীয়তে লিখেন যে, বিচারপতি এস কে সিনহা শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন’।

সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ৭১ এ শান্তি কমিটির সদস্য হিসেবে থাকার পরও আওয়ামী লীগের আমলে কীভাবে প্রধান বিচারপতি পদে আসীন হতে পেরেছিলেন সেটি জানতে ইচ্ছে করে। দেরিতে হলেও সকল মহলের বোধোদয় হলে, এস কে সিনহা বাংলাদেশ ছেড়ে বিদেশ চলে যান। সেখানে গিয়ে তিনি ‘ব্রোকেন হার্ট’ নামে একটি বই লিখেছেন। সে বই নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার-প্রিয় তথাকথিত সুশীল সমাজ ও তাদের অনুসারীরা আবেগে ভেসে যাচ্ছেন। কিন্তু দেশের সাধারণ মানুষের আবেগে ভেসে গেলে চলবে না। সাধারণ মানুষ অর্থনৈতিক মুক্তি চায়। অর্থনৈতিক মুক্তি না থাকলে স্বাধীনতার অর্থ প্রশ্নবিদ্ধ হয়। সুরেন্দ্র কুমার সিনহার হৃদয় ভাঙা নিয়ে দেশের মানুষের টেনশন নেই। দেশের মানুষ যে সোনার বাংলা গড়ার কাজে ব্যস্ত।

লেখক: শিক্ষক ও সাংবাদিক

সংবাদটি শেয়ার করুন

মতামত বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত