কামাল-বি. চৌধুরী নিয়ে মাথাব্যথা নেই: কাদের

গাজীপুর প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:৫৮

ড. কামাল হোসেন ও বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বে নতুন ঐক্য গড়ার যে প্রক্রিয়া চলছে তাকে স্বাগত জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের। আর এই ঐক্য গড়া নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের কোনো মাথাব্যথা নেই বলে জানান তিনি।

শুক্রবার সকালে গাজীপুরের ভোগড়া ঢাকা-টাঙ্গাইল, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সামনে এ কথা বলেন তিনি।

সম্প্রতি বিকল্পধারার সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বে কয়েকটি দল নিয়ে সম্প্রতি গঠিত হয় যুক্তফ্রন্ট। ড. কামালের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে নতুন এই জোটের একটি সমঝোতা হয়। ড. কামাল ও বি চৌধুরীর নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যের ঘোষণা দেয়ার কথা ছিল ৯ সেপ্টেম্বর। তবে পাঁচটি দাবি এবং নয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করে ঐক্যের ঘোষণা এলেও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না বদরুদ্দোজা চৌধুরী। ছিলেন না তার দলের অন্য কোনো নেতাও।

যদিও গণফোরাম এবং যুক্তফ্রন্টের ঐক্যের ঘোষণা দেয়ার সংবাদ সম্মেলনে যুক্তফ্রন্টের প্রধান নেতা বি চৌধুরীর অনুপস্থিতিতে নানা প্রশ্ন আছে। জানানো হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে আসার পথে সাবেক রাষ্ট্রপতি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তবে তার কী হয়েছে, সেটি এক সপ্তাহেও জানানো হয়নি।

আবার সংবাদ সম্মেলনের পর খুলনার সমাবেশেও যাননি বি চৌধুরী, তার ছেলে মাহী বি চৌধুরী বা বিকল্প ধারার মহাসচিব আবদুল মান্নান। বি. চৌধুরীর বাসায় যাওয়ার কথা হলেও কামাল হোসেন আবার অসুস্থতার কথা বলে যাননি। এ নিয়ে দুই শক্তির মধ্যে কোনো মান অভিমান হয়েছে কি না- সেই বিষয়টিও আছে আলোচনায়।

নতুন ঐক্য গড়ার প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ধরনের প্রক্রিয়ায় সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই। আমরা বিশ্বাস করি উন্নয়ন ও সুশাসনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ দেশের মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। আগামী নির্বাচনে আমরা সোনালী ফসল ঘরে তুলতে সক্ষম হব।’

এ সময় জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্বাধীন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না বলে মন্তব্য করেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ডিজিটাল ক্রাইম রোধের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে। ডিজিটাল সিকিউরিটির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে কারো কোনো উদ্বেগ, উৎকণ্ঠার বা আতঙ্কের কারণ নেই। আমরা আশা করি স্বাধীন সাংবাদিকতায় ও স্বাধীন মতপ্রকাশে কোনো প্রকার বাধাপ্রাপ্ত হবে না, ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।’

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বইটি তিনি এসময় না প্রকাশ করে অন্য সময় করতে পারতেন।

নির্বাচনকে সামনে রেখে এই বইটি কেন প্রকাশ করলেন এমন প্রশ্ন রেখে কাদের বলেন, ‘এর দ্বারা সরকার বিরোধী অপপ্রচারকারীদের উসকে দেয়া হয়েছে। রাজনৈতিক সরকারবিরোধীদের অপ্রপ্রচারকারীদের সুবিধার জন্য যদি এসময় বইটি প্রকাশ করে থাকেন তবে আমার মনে হয়, একজন প্রধান বিচারপতি হিসেবে তার দায়িত্বশীলতার বিষয়টি প্রশ্ন থেকে যায়।’

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম, সড়ক বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান, গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আরিফুর রহমানসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ঢাকাটাইমস/২১সেপ্টেম্বর/প্রতিনিধি/এমআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত