ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় ছাত্রলীগের ব্যতিক্রমী সেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৬:০৬

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী কাজ করে ‍সুমান কুড়িয়েছে ছাত্রলীগ ঢাবি শাখার নেতাকর্মীরা। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে তারা ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পানি দিয়ে এবং কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন।

এর আগে গত শুক্রবারে অনুষ্ঠিত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মতো আজও ভর্তিচ্ছুদের জন্য তথ্য কেন্দ্র, সুপেয় পানি বিতরণ, কলম ও জয় বাংলা বাইক সার্ভিসের ব্যবস্থা করেছিল সংগঠনটি। আর সেই কাজে ঢাবি শাখার সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস নিজের কাঁধেই তুলে নিয়েছেন পানির বোতলের কেস।

ঢাবি ক্যাম্পাসের ডাকসু ভবনের সামনে সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি গলায় স্বেচ্ছাসেবকের কার্ড ঝুলিয়ে কাঁধে পানির বোতলভর্তি কেস নিয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের  কাছে তা বিতরণ করেন। ঢাবি শাখার সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাসের এমন কর্মকাণ্ড ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাকদের পাশে দাঁড়িয়ে সুনাম কুড়িয়েছে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া ছাত্র সংগঠনটি। আর এই ধরণের উদ্যোগকে প্রশংসার চোখে দেখছেন আগত পরীক্ষার্থীরাসহ অভিভাবকরা।

ছাত্রলীগ সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে প্রত্যেক একাডেমিক ভবন ও প্রবেশ ধারে তথ্য সহায়তা কেন্দ্র বসিয়েছে ছাত্রলীগ। এছাড়া জয় বাংলা বাইক সার্ভিস ও ১০ হাজার বোতল পানি দেয়া হয়েছে।

বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, নিয়োগ বাণিজ্য, নারী নির্যাতন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের মারধরসহ বিভিন্ন সংঘাতের কারণে খবরের শিরোনাম হয়ে থাকে ছাত্রলীগ। যার কারণে বিভিন্ন সভা সমাবেশে সংগঠনটির প্রতি বিরক্তিও প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগেরই শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। তবে ঢাবি ছাত্রলীগের এসব ভালো উদ্যোগ ভবিষ্যতে ছাত্র রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘এটা আমাদের দায়িত্ব। কারণ আমরাও ছাত্র। আমরা হচ্ছি শিক্ষা শান্তি ও প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠন। এ জন্য শিক্ষার প্রশ্নে শিক্ষার্থীদের কলম দিয়েছি। আর পানি হচ্ছে একটা আর্জেন্ট নিড (জরুরি প্রয়োজন)। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পানির প্রয়োজন হয়। তাই আমরা পানির ব্যবস্থা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করার চেষ্টা করব। আর আমরা যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সেটি যেন আমাদের আচরণ দেখে বোঝা যায়। সে জন্য আমরা আমাদের এসব কার্যক্রম অব্যাহত রাখবো।’

ঢাকাটাইমস/২১সেপ্টেম্বর/এমএম/ডিএম

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত