জোড়া খুনের মামলা

এমপিপুত্রের ফের আত্মপক্ষ ও যুক্তিতর্ক ৫ নভেম্বর

আদালত প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১৭ অক্টোবর ২০১৮, ১৮:১৯
বখতিয়ার আলম রনি (ফাইল ছবি)

রাজধানীর ইস্কাটনে জোড়া খুনের মামলায় সংসদ সদস্য পিনু খানের ছেলে বখতিয়ার আলম রনি ও তার ড্রাইভার ইমরান ফকিরের মোবাইল কললিস্ট এক্সিভিট (প্রদর্শনী) হিসেবে গ্রহণ করেছেন আদালত।

বুধবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর দীপক কুমার দাস আদালতে উপস্থিত হয়ে ওই কললিস্ট শনাক্ত করলে ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল ঈমামের আদালত তা এক্সিভিট হিসেবে গ্রহণ করেন।

এরপর আসামি রনির আইনজীবী কাজী নজিবুল্ল্যাহ হিরু তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জেরা করার পর আদালত আগামী ৫ নভেম্বর মামলাটিতে এমপিপুত্রের ফের আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন।

আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মোহাম্মাদ মাকসুদ জানান, মোবাইল কললিস্ট এক্সিভিট না হওয়ায় রায়ের পর্যায় থেকে মামলাটিকে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আনা হয়। এক্সিভিট হওয়ায় ফের আত্মপক্ষ সমর্থন ও অধিকতর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য করেছেন আদালত। কললিস্ট এক্সিভিটের বিষয়ে এ প্রসিকিউটর বলেন, আসামি রনি ও সাক্ষী তার ড্রাইভার ইমরান ফকির ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন তা প্রমাণেই তদন্তকারী কর্মকর্তা কললিস্ট জব্দ করেছিলেন। 

গত ১৯ সেপ্টেম্বর মামলাটির যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ৪ অক্টোবর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।

মামলাটির বিচারকালে আদালত ৩৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন।

২০১৬ সালের ৬ মার্চ মামলাটিতে একমাত্র আসামি বখতিয়ার আলম রনির অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর ও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন আদালত।

২০১৫ সালের ২১ জুলাই ডিবি পুলিশ রনির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

২০১৫ সালের ১৩ এপ্রিল রাত পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে কালো রঙের প্রাডো গাড়ি থেকে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়া হলে তাতে অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী ও রিকশাচালক আবদুল হাকিম আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান।

ওই ঘটনায় নিহত হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে রমনা থানায় ওই বছরের ১৫ এপ্রিল হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। ৩০ মে এলিফ্যান্ট রোডের বাসা থেকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে বখতিয়ার আলম রনিকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

তিনদফায় দশদিনের রিমান্ড শেষে রনিকে ২০১৫ সালের ২ জুলাই আদালতে তাকে কারাগারে পাঠান। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।

(ঢাকাটাইমস/১৭ অক্টোবর/জেডআর/এআর)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আদালত বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত