হলি আর্টিজান মামলা

দুই পলাতকের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

আদালত প্রতিবেদক,ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১৮ অক্টোবর ২০১৮, ১৭:৩২

গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা মামলায় পলাতক আসামি মো. মামুনুর রশিদ ও মো. শরিফুল ইসলামকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ আদেশ দেন। আগামী ৩১ অক্টোবর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

আদালতের প্রসিকিউটর গোলাম সারোয়ার খান বলেন, গত ২৯ আগস্ট ওই পলাতক আসামিদের সম্পত্তি ক্রোক এবং তাদের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করে আদালত। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শরিফুল ইসলামের এবং আজ রশিদের সম্পত্তি ক্রোক ও হুলিয়াসংক্রান্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে জমা পড়ে। এরপর বিচারক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দেন। এর প্রতিবেদন আগামী ৩১ অক্টোবর জমা দিতে বলা হয় আদেশে।

এর আগে গত ৮ আগস্ট একই ট্রাইব্যুনাল চার্জশিট আমলে নিয়ে ওই আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
গত ২৩ জুলাই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম বিভাগের পরিদর্শক হুমায়ূন কবির মামলাটিতে সিএমএম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে কারাগারে থাকা ছয়জন হলেন, হামলার মূল সমন্বয়ক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক তামিম চৌধুরীর সহযোগী আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ; ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহকারী নব্য জেএমবির নেতা হাদিসুর রহমান সাগর; নব্য জেএমবির অস্ত্র ও বিস্ফোরক শাখার প্রধান মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, জঙ্গি রাকিবুল হাসান রিগ্যান, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব ওরফে রাজীব গান্ধী ও হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী আব্দুস সবুর খান (হাসান) ওরফে সোহেল মাহফুজ।

চার্জশিটটি ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের (সংশোধনী ২০০৩) ৬(২)/৭/৮/৯/১০/১২/১৩ ধারায় দাখিল করা হয়। যেখানে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদ-ের বিধান রয়েছে।

কারাগারে থাকা আসামিদের মধ্যে বড় মিজান, সাগর, র‌্যাশ ও রিগ্যান হামলার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গিরা হামলা চালিয়ে ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে। এর আগে হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর গ্রেনেড ছোড়ে  জঙ্গিরা। এতে ডিবি পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন নিহত হন।

পরে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। অভিযানে ছয় জঙ্গির সবাই নিহত হয়।

(ঢাকাটাইমস/১৮অক্টোবর/মোআ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আদালত বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত