ঊর্ধ্বমুখী বাজার

ডিমের হালি ৪০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস
 | প্রকাশিত : ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ১৮:১০

মাত্র দুই সপ্তাহ আগেও রাজধানীর বাজারগুলোতে ডিমের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ছিলো। কোনো কারণ ছাড়াই সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজন প্রতি বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। মাছের সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও বেশি দামে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে চাল এবং সবজির বাজার স্থিতিশীলতায় রয়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার, হাতিরপুল, শান্তিনগর, মানিকনগর, গোপীবাগ ও মতিঝিলসহ কয়েকটি বাজার ঘুওে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত একমাসের ব্যবধানে ডিমের দাম বেড়েছে ৩ দফা। এর মধ্যে শেষ দুই সপ্তাহে দাম বাড়ার হার ছিল সবচেয়ে বেশি।

পাইকারী ডিম ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, প্রতি ডজন ডিম ১০৫-১১০ টাকায় বিক্রি করছেন তারা। এক সপ্তাহ আগেও ৯৫-১০০ টাকা ডজনে ডিম বিক্রি করেছেন। তবে খুচরা বাজারে ৯ থেকে ৯.৫০ টাকা দরে প্রতি পিচ ডিম বিক্রি হচ্ছে। সে হিসেবে ডজন প্রতি এ দোকানগুলো ডিম বিক্রি করছে ১১০ থেকে ১১৪ টাকা দরে।

ডিম ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘বর্তমানে বাজারে ডিমের চাহিদা যে পরিমাণে বেড়েছে, খামারিরা সে পরিমাণে সরবরাহ করতে পারছেন না। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়ে গেছে। তবে দাম বাড়লেও আমাদের বিক্রি কমেনি। আবার লাভও বাড়েনি। কারণ, আমাদেরও বাড়তি দামে ডিম কিনে আনতে হচ্ছে।’

গত সপ্তাহের চেয়ে আরও বেড়ে গেছে কয়েক ধরনের মাছের দামও। ইলিশ মাছ ধরার উপরে নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার পর থেকেই অন্যান্য মাছের দাম বাড়তে শুরু করেছে।

শুক্রবার প্রতি কেজি পাবদা মাছ ৫০০-৫৫০ টাকা দামে বিক্রি হয়। টেংরা মাছ মানভেদে ৪৮০-৬০০ টাকা, তেলাপিয়া মাছ ১৪০-২০০ টাকা কেজি বিক্রি হতে দেখা যায়। কিন্তু তেলাপিয়া মাছ সাধারণত ১৩০-১৪০ টাকা কেজি দরেই বিক্রি হয়। এদিকে টেংরা মাছ অন্যান্য সময় সাধারণত মানভেদে ৩৫০-৪৫০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যায়। এখন এই মাছের দাম মানভেদে ৪৫০-৫৫০ টাকা।

এছাড়া রুই মাছের দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে মাঝারি আকারের যে রুই মাছ ৩০০-৩২০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন প্রতি কেজি বিক্রি করতে দেখা গেছে ২৮০-৩০০ টাকায়। এর চেয়ে ছোট আকারের রুই মাছ প্রতি কেজি ১৮০-২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

কই মাছ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০-২২০ টাকায়, সরপুঁটি আকারভেদে ১৮০-২২০ টাকা কেজি, পাঙ্গাশ প্রতি কেজি ১৩০-১৬০ টাকা, ছোট মলা মাছ ৩৫০-৪৫০ টাকা কেজি, চাষের শিং ও মাগুর মাছ ৫০০-৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, আগের সপ্তাহের সাথে মিল রেখেই বিক্রি হচ্ছে বেশিরভাগ সবজি। ৪০-৬০ টাকার মধ্যেই রয়েছে বেশিরভাগ সবজির দাম। টমেটো ও ফুলকপির দাম বেশ চড়া। নতুন সবজি হওয়ায় যথাক্রমে ৮০ টাকা কেজি টমেটো এবং ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ফুলকপি।

এদিকে বেশ কিছুদিন ধরেই স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে পেঁয়াজের বাজার। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা এবং আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে।

চালের বাজারেও নেই তেমন কোনো পরিবর্তন। গুটি স্বর্ণা  মোটা) ৪০ টাকা, পাইজাম ৪১-৪২ টাকা, বিরি আটাশ ৪৩-৪৫ টাকা, মিনিকেট (নিম্মমান) ৫০-৫৫ টাকা, মিনিকেট (ভালো মান) ৫৮-৬০ টাকা এবং নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা দরে।

(ঢাকা টাইমস/ ১৯ অক্টোবর/আরএ/এআর)

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত