ড. কামালের সামর্থ্য জানা আছে: তোফায়েল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস
| আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০৮ | প্রকাশিত : ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ২০:৩৪
ফাইল ছবি: ড. কামাল হোসেন ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনকে পাত্তা দিচ্ছেন না আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদ। বলেছেন, তিনি কিছুই করতে পারবেন না।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ড. কামাল হোসেনের কী সামর্থ আছে, তা আমাদের জানা আছে। তিনি কোনদিন এমপি নির্বাচিত হতে পারেননি। বঙ্গবন্ধুর ছেড়ে দেয়া আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।’

শুক্রবার রাজধানীতে কোরিয়া বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত দুই দিনের বাণিজ্য মেলা ‘শোকেস কোরিয়া’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন মন্ত্রী।

গত ১৩ অক্টোবর গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা কে-এ বিষয়ে জোটের পক্ষ থেকে কিছুই জানানো হচ্ছে না। এই জোটে বিএনপি সবচেয়ে বড় দল হলেও কামাল হোসেনকে নিয়েই আলোচনা বেশি হচ্ছে। আর আওয়ামী লীগের আক্রমণও তাকে ঘিরেই হচ্ছে বেশি।

আগের রাতে রাজধানীতে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। সেখানেও কামাল হোসেনকেই বেশিরভাগ প্রশ্ন করেন কূটনীতিকরা।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘যতই কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করুক না কেন, নির্বাচন হবে দেশের সংবিধান মোতাবেক। বর্তমান সরকারের অধীনে সংবিধান মোতাবেক নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে।’

‘আমরা বিশ্বাস করি, নির্বাচন নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে। এতে দেশের সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করবে।’

ঐক্যফ্রন্ট গঠনের ঘোষণার দিন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারসহ সাতটি দাবি জানানো হয় জোটের পক্ষ থেকে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফার একটিও গ্রহণযোগ্য নয়। আদর্শ ছাড়া কোন লক্ষ্য পূরণ হয় না। তাদের কোন আদর্শ নেই।’

‘ড. কামাল হোসেনের টার্গেট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেজন্য তিনি আদর্শ ছেড়ে বিএনপির সঙ্গে জোট বেঁধেছেন। ২১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলায় তারেক রহমানসহ বিএনপির অনেক নেতা জড়িত, আজ তা প্রমাণিত। বিএনপি একটি সন্ত্রাসী দল হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। তবু তাদের সঙ্গে জোট করেছেন ড. কামাল।’

কোরিয়ার ব্যবসায়ীদেরকে বাংলাদেশে আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানান বাণিজ্য মন্ত্রী। বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত স্পেশাল ইকোনমিক জোনে কোরিয়ার বিনিয়োগকারীগণ বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন। সরকার বাংলাদেশে বিনিয়োগে আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে।’

বাংলাদেশ এখন বিশ্বমানের ওষুধ উৎপাদন করছে উল্লেখ করে এখান থেকে কম দামে বিশ্বমানের ওষুধ কিনতেও কোরিয়াকে পরামর্শ দেন তোফায়েল।

‘শোকেস কোরিয়া’য় দেশটির ২০টি এবং বাংলাদেশের ১৩টি কোম্পানির ১০০টি স্টল রয়েছে। প্রদর্শিত পণ্যেও মধ্যে রয়েছে ইলেক্ট্রনিকস যন্ত্রপাতি, গাড়ি, সিরামিক, পেপার ও প্রসাধন সামগ্রী।

সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য মেলা খোলা থাকবে। আগামী বছর এ মেলা কোরিয়ায় হবে।

কোরিয়া বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকায় কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত হু কাং ইল, এফবিসিসিআই সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, কোরিয়া ইপিজেডের প্রেসিডেন্ট জাহাঙ্গীর সা‘দাত, এলজি ইলেক্ট্রনিকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডং কন সন এবং শোকেস কোরিয়া এর আয়োজিক কমিটির চেয়ারম্যান সাহাবউদ্দিন খান।

ঢাকা টাইমস/১৯অক্টোবর/আরএ/ডব্লিউবি

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত