জিম্বাবুয়েকে হালকা করে নেয়ার কিছু নেই: সাকিব

ক্রীড়া প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২০ অক্টোবর ২০১৮, ১৮:০২

বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ শুরু রবিবার। কিন্তু ইনজুরির কারণে এই সিরিজে খেলতে পারবেন না টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। অথচ তিনিই বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মধ্যে এখন পর্যন্ত যতগুলো ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে তার মধ্যে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ব্যাটসম্যান। এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের মাধ্যমেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রবেশ করেছিলেন সাকিব আল হাসান।
এই সিরিজে না থাকলেও সিরিজ নিয়ে কথা বলেছেন টাইগার অলরাউন্ডার। তিনি জিম্বাবুয়েকে হালকা করে না দেখার পরামর্শ দিয়েছেন। আর তিনি কবে ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন তার কোনো নিশ্চয়তা এখন দিতে পারছেন না। তবে হাতের অবস্থা আগের থেকে ভালো। শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে এসব বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সাকিব আল হাসান।  
জিম্বাবুয়ে সিরিজ নিয়ে সাকিব আল হাসান বলেন, ‘আসলে আমার যখন ডেব্যু হয়েছিল তখন আমরা জিম্বাবুয়ের সঙ্গে হারতাম। আর এখন ওদের হারাই। তবে আমি এখনও মনে করি ওদেরকে খুব হালকা করে নেয়ার কিছু নেই। কারণ এ দলেরও সামর্থ্য আছে আমরা যদি ভুল করি সেটাকে কাজে লাগিয়ে ম্যাচ জিতে যাওয়ার। আমি মনে করি ওদেরকে হালকা করে কেউই নিচ্ছে না, নিবেও না। ভুল হবে এটা স্বাভাবিক। ভুলও ওভারকাম করা সম্ভব হয়। কিছু কিছু ভুল ওভারকাম করা সম্ভব। আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী যে এরকম ক্যাপাবিলিটি আমাদের খেলোয়াড়দের ভেতরে আছে। তারা ওই ভুলগুলো ওভারকাম করে কামব্যাক করতে পারবে।’
দলের জুনিয়র খেলোয়াড়দের নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে জুনিয়র সিনিয়র শব্দটাই পছন্দ হয় না। কারণ আমার কাছে মনে হয় যারা দলে আছে তারা সবাই খেলার জন্য সামর্থ্যবান। তা না হলে কেউ থাকতো না। এখানে সিনিয়রের কম দায়িত্ব, জুনিয়রের কম দায়িত্ব এরকম কোনো বিষয় নেই। সবার একটাই দায়িত্ব কীভাবে দলের হয়ে ম্যাচটা জেতাতে পারবে। সেই চেষ্টা সবাই করবে। কোনোদিন দুই-তিনজন ভালো খেলবে। কোনোদিন চার-পাঁচজন ভালো করবে। একটা ম্যাচে ১১ জন ভালো খেলা খুবই কঠিন। সেটা যদি খেলে তাহলে বাংলাদেশ সব ম্যাচ জিততে পারবে।’
তিনি বলেন, ‘যারা দলে থাকে ভালো করে দলে আসে। আর যারা দলে থাকে না তারা একটু ফর্মের কারণে বাদ পড়ে। তার মানে এই না, যে দলে থাকে না সে খেলোয়াড় হিসেবে খারাপ। আবার যে দলে আছে সে খেলোয়াড় হিসেবে ভালো। যখন যার সুযোগ আসবে সে অবশ্যই চেষ্টা করবে যেন পারফর্ম করতে পারে। দলের হয়ে অবদান রাখতে পারে। এটাই সবার একমাত্র ফোকাস হওয়া উচিৎ। যারা সুযোগ পাচ্ছে না তাদেরও চেষ্টা থাকবে যেন পারফর্ম করার, সেরা পারফরম্যান্স যেন সব সময় ধরে রাখার চেষ্টা করা। বিশেষ করে ঘরোয়া ক্রিকেটে। যখন সুযোগ আসে সেই সুযোগটা যেন পটেনশিয়াল অনুযায়ী কাজে লাগাতে পারে।’
হাতের ইনজুরি নিয়ে সাকিব আল হাসান বলেন, ‘আমার ইচ্ছার ওপর তো কিছু নির্ভর করছে না। সুস্থ হলে খেলব। এখন সেটার জন্য যতটুকু সময় লাগে ততটুকু নিতে হবে। এখানে জোরাজুরির কোনো সুযোগ নেই। আবার বসে থাকারও সুযোগ নেই। যখন সুস্থ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করব। এখন আসলে কোনো আপডেট দিতে পারছি না। একমাসও হয়নি ইনফেকশন গেল। যদি এক-দেড় মাস যায় তাহলে বোঝা যাবে যে কি অবস্থা। তবে আগের থেকে ভালো অবস্থা। ব্লাড টেস্ট করানো হয়েছে। ওটা প্রতি সপ্তাহে করালে বোঝা যাবে যে কি অবস্থা। তবে এখন পর্যন্ত সবকিছু ইতিবাচক। দ্রুত উন্নতি হচ্ছে। সবকিছু ভালোর দিকে আছে। সময়ের ব্যাপার আর কী।’
(ঢাকাটাইমস/২০ অক্টোবর/এসইউএল)

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

খেলাধুলা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত