ভোটারদের স্বার্থ দেখবেন, কর্মকর্তাদের সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০১৮, ১২:৩৮ | প্রকাশিত : ২১ অক্টোবর ২০১৮, ১২:১৭

নির্বাচনে ভোটারদের স্বার্থকে গুরুত্ব দিতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে সে ব্যবস্থা করতে তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

রবিবার রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিই) এক অনুষ্ঠানে তিনি এই নির্দেশনা দেন। নির্বাচনী কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন সিইসি।

সিইসি বলেন, ‘নির্বাচনে বুথ বসানো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর অনুরোধ থাকে। যার কিছু কিছু যৌক্তিক। তবে আমাদেরকে রাজনৈতিক দলের কথায় নয় বরং ভোটারের স্বার্থ রক্ষা করে কাজ করতে হবে।’

নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন সিইসি।

জাতীয় উন্নয়ন মেলার মাধ্যমে বিভিন্ন জেলায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ইভিএম প্রদর্শনের পর ইতিবাচক মূল্যায়ন পাওয়া গেছে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘আগের ব্যবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে৷ ব্যালট বক্স রাত থেকে পাহারা দিতে হয়। ইভিএমে তা লাগে না। বরং ইভিএমের মাধ্যমে নির্বাচনের ফলালাফল দিনের মধ্যে আধুনিক পদ্ধতিতে প্রকাশ করা যায়।’

এসময় নুরুল হুদা জানান, রাজনৈতিক দলগুলো সম্মত হলে নির্বাচনের আগে পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে নির্বাচন কমিশন। এতে পোলিং এজেন্টরা তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে আরও সচেতন হবে বলে মনে করেন তিনি।

নুরুল হুদা বলেন, ‘সরকারের যে আইন-কানুন আছে, তা যদি পোলিং এজেন্টদের কাছে পরিষ্কার থাকে তাহলে ভোট গ্রহণে সুবিধা হয়। নির্বাচন কর্মকর্তাদের কী দায়িত্ব এবং পোলিং অফিসারের কতখানি অধিকার ও কী কী তাদের কাজ, এই দুটো জিনিস জানা থাকলে নির্বাচন পরিচালনায় সুবিধা হয়। আর যারা এজেন্ট থাকে তারা তাদের প্রার্থীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য আইনগত যে দিক দেখার, বোঝা সহজ হয়। আমরা এ বছর চেষ্টা করব, পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার। রাজনৈতিক দলগুলো সম্মত থাকলে তাদের এজেন্টদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।'

সিইসি জানান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই লাখের অধিক ভোটকক্ষ থাকবে। প্রতিটি ভোটকক্ষে একজন করে প্রার্থীদের পোলিং এজেন্ট থাকবে।

নুরুল হুদা বলেন, ‘আরেকটা জিনিস নতুন যোগ হয়েছে নির্বাচন সংস্কৃতিতে। সেটা হলো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ। এটা একটা ভালো দিক। আমার অনুরোধ থাকবে, আপনারা (নির্বাচনী কর্মকর্তা) রাজনৈতিক নেতাদের অবস্থা, পরিস্থিতি বোঝাবেন। তাদের সাথে একটা সম্পর্ক রক্ষা করার চেষ্টা করবেন।’

সভায় আরও বক্তব্য দেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ এবং  ইটিআই মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুক।

(ঢাকাটাইমস/২১অক্টোবর/জেআর/ওআর/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত