দীপন হত্যায় মেজর জিয়াসহ আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

আদালত প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১৭:১৯

প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপন হত্যা মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ। এতে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি গোষ্ঠী আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সামরিক শাখার প্রধান ও বরখাস্তকৃত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়াসহ আটজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফজলুর রহমান আদালতে এই চার্জশিট দাখিল করেন।

ঢাকা মহানগর হাকিম সারাফুজ্জামান আনসারী চার্জশিটটি শনাক্ত করে আগামী ১৮ ডিসেম্বর ধার্য তারিখে পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেছেন।

সিএমএম আদালতে জিআরও শাখার শাহবাগ থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই মাহামুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চার্জশিটের অপর আসামিরা হলেন, মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির ওরফে ইমরান, আবদুর সবুর সামাদ ওরফে সুজন ওরফে রাজু ওরফে স্বাদ, খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল ওরফে জিসান, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন ওরফে শাহরিয়ার, শেখ আবদুল্লাহ ওরফে জুবায়ের ওরফে জায়েদ ওরফে জাবেদ ওরফে আবু ওমায়ের ও আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে আবদুুল্লাহ। আসামিদের মধ্যে জিয়াউল হক ও আকরাম হোসেন পলাতক। অপর আসামিরা কারাগারে রয়েছেন এবং তারা সবাই দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি করেছেন।
চার্জশিটে তদন্তকারী কর্মকর্তা ১১ জন আসামিকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করেছেন। তারা হলেন, আরাফাত রহমান, সেলিম ওরফে হাদী, আলম, আকাশ, তৈয়ব, জনি, আসাদ, হাসান, তালহা, শরিফুল ও তারেক। এদের মধ্যে প্রথম জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রমাণ না পাওয়ায় এবং অপর আসামির পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা পাওয়ায় তাদের অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে। মামলার আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে শেষে ১০ জন জড়িত মর্মে নাম এসেছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের ছেলে দীপনকে ২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর দুপুরের পর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে জাগৃতি প্রকাশনীর কার্যালয়ে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। একই দিন কাছাকাছি সময়ে লালমাটিয়ায় শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর কার্যালয়ে ঢুকে এর স্বত্বাধিকারী আহমেদুর রশীদ টুটুল, লেখক সুদীপ কুমার ওরফে রণদীপম বসু ও প্রকৌশলী আবদুর রহমানকে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার চেষ্টা করে।

চার্জশিটে বলা হয়, দীপনকে হত্যার নির্দেশদাতা, মূল পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে ছিলেন পলাতক সৈয়দ জিয়াউল হক। আসামি খাইরুল, আবদুস সবুর ও মইনুলকে তিনি হত্যাকা-ের আগে প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন।

(ঢাকাটাইমস/১৫নভেম্বর/আরজেড/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আদালত বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত