গাইবান্ধা-২

নৌকার কান্ডারি গিনি নাকি অন্য কেউ?

জাভেদ হোসেন, গাইবান্ধা
 | প্রকাশিত : ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ০৮:২৭

গাইবান্ধা পৌরসভা এবং ১৩টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত গাইবান্ধা-২। অনেক দিন ধরে আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে। এর আগে এই আসনে প্রভাব ছিল জাতীয় পার্টির। আর বিএনপির অবস্থান আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির পরে। এখানে জামায়াতেরও প্রভাব রয়েছে।

এই আসনে এবার আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংসদ মাহাবুব আরা বেগম গিনিসহ মনোনয়ন চেয়েছেন বেশ কয়েকজন। গিনি আবারও মনোনয়ন পাচ্ছেন এমনটা দাবি করছে তার সমর্থকরা। তবে বিরোধীরা বলছেন এবার নৌকার কান্ডারি পাল্টাতে পারে।

আওয়ামী লীগের টিকিটে নির্বাচন করতে চাচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ শামছুল আলম হিরু, সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, সিনিয়র সহসভাপতি ফরহাদ আবদুল্লাহ হারুন বাবলু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর জামান রিংকু, আওয়ামী লীগ নেতা মাছুদ আখতার পলাশ, ছামসুল আলম টুটুল ও শাহ সরোয়ার কবীর।

তবে এই আসনে মনোনয়নের দৌড়ে বেশ আলোচিত হচ্ছে আমিনুর জামান রিংকুর নাম। বর্তমানে তিনি সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। রিংকু ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তরুণদের নিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে গাইবান্ধা সদর আসনে আমি একজন প্রার্থী। মনোনয়ন পেলে আমি আওয়ামী লীগকে এই আসনটি আবার উপহার দিতে পারব বলে আশাবাদী।’

এই আসনে বিএনপির প্রার্থীরা হলেন দলের সাবেক জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির গ্রাম সরকারবিষয়ক সম্পাদক আনিছুজ্জামান খান বাবু, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও জিয়া পরিষদের সদস্য সচিব খন্দকার আহাদ আহমেদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুর নবী টিটুল, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আতিফ মাহামুদ, জেলা যুবদল নেতা রেজাউল করিম ডাবলু ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা সেকেন্দার আজম আনাম। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও গাইবান্ধা জেলা মহিলা দলের সভাপতি বেগম রওশন আরা ফরিদও এই আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন।

জাতীয় পার্টি থেকে এই আসনের একক প্রার্থী হলেন দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রশিদ সরকার। মহাজোট থেকে নির্বাচন হলে আসনটি চাইবে জাতীয় পার্টি।

আসনটিতে জামায়াতের একক প্রার্থী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল করিম। জাসদ, সিপিবিসহ বামদলগুলো এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তাদের

দলীয় প্রভাব তেমন নেই।

এই আসনে মোট ভোটার তিন লাখ ৩৪ হাজার ৩২১। এর মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৬২ হাজার ৬৬৫ এবং নারী এক লাখ ৭১ হাজার ৬৬৫।

গাইবান্ধা সদর আসনে ১৯৭৩ ও ৭৯ সালে জয় পায় আওয়ামী লীগ। এরপর ৮৬ ও ৮৮ সালে জায়গা করে নেয় স্বতন্ত্র প্রার্থী। তারপর ৯১ ও ৯৬ এ জাতীয় পার্টির দখলে যায় আসনটি। আর ২০০১ থেকে আসনটিতে আধিপত্য ধরে রেখেছে আওয়ামী লীগ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত