একশ মানে একশ

বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস
 | প্রকাশিত : ২০ নভেম্বর ২০১৮, ১২:৪৪

পর্দার রোকেয়া প্রাচী বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটা ঘরেই পরিচিত নাম। প্রত্যাশা পূরণে সফল এক পারফরমার তিনি। অভিনয় দিয়ে মুগ্ধ করেছেন দর্শককে। নির্মাণেও দেখিয়েছেন সমান দক্ষতা। ঘুরে ফিরে ‘প্রত্যাশা’ শব্দটাতেই ফিরে আসে প্রায় প্রতিটি জাগতিক সম্পর্ক। বাংলাদেশের প্রত্যাশা পূরণ করা একজন রোকেয়া প্রাচীর কাছে এবারের প্রত্যাশা নোয়াখালীবাসীর।

রোকেয়া প্রাচীর মতে, প্রত্যাশা মানুষের সরলতম আচরণ। এই শব্দটার সঙ্গে অভিনয়জীবনের প্রথম থেকেই পরিচিত আমি। দিনরাত পরিশ্রম করেছি পর্দায় দর্শকের কাক্সিক্ষত আমাকে উপস্থাপন করতে। কখনো সফল হয়েছি, কখনো আবার হইনি। যেখানে মনে হয়েছে সফল হইনি, সেখান থেকে আবার নতুনভাবে শুরু করেছি। বাস্তবায়নপ্রিয় মানুষ আমি। আমি যা চাই, আমার কাছে মানুষ যা চায়, তার ১০০ ভাগ দিতে না পারা পর্যন্ত খুঁতখুঁতে একটা ব্যাপার কাজ করে আমার মধ্যে। আমার কাছে ১০০ মানে ১০০। নিরানব্বইকে কখনো ১০০ ভেবে তুষ্ট হওয়া শিখিনি।

বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক রোকেয়া প্রাচী মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন জন্মস্থান ফেনী থেকে। ফেনী-৩ আসন থেকে দল কাকে মনোনয়ন দেবে এটা পরিষ্কার না হলেও রোকেয়া প্রাচী জানালেন তার স্বপ্নের কথা। বললেন, ‘বাংলাদেশটা একদিন মুজিবের মতো হবে। উচ্চারণে, গঠনে, সাহসে এই দেশ একদিন সেই স্বপ্ন স্পর্শ করবে, যে স্বপ্ন দেখেছিলেন জাতির পিতা। যে স্বপ্ন পূরণে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন একজন আন্তরিক বোন, একজন আন্তরিক মা, মুজিবকন্যা শেখ হাসিনা। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের শরিক হয়ে আমি আমার নির্বাচনী আসনে বাস্তবিক বাংলাদেশকে প্রতিস্থাপন করতে চাই।

রাজনীতিতে ‘ভুঁইফোড়’ বলে একটা শব্দ বেশ প্রচলিত। অভিনয়শিল্পী রোকেয়া প্রাচীকেও অনেকে তা-ই বলছে। এ রকম কথায় মিষ্টি হেসে প্রাচী বলেন, এরশাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় কর্মী ছিলাম। বর্তমানে কেন্দ্রীয় মহিলা লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার তো ১৮ বা ২০ বছর হবেই। আসলে এখানে সাধারণ জনগণেরও খুব বেশি দায় নেই। কারণ সাংস্কৃতিক আন্দোলন যে রাজনীতির অংশ এটা বাঙালি ভুল গেছে জাতির পিতাকে হত্যার পরেই। বঙ্গবন্ধুকন্যা আজকের বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতিতে অস্ত্রের চর্চা কিন্তু তলানীর দিকে পৌঁছে গেছে। আদর্শিক দায়বদ্ধতা থেকে উনি এই দেশে জবাবদিহিমূলক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার সংকল্প নিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ, উন্নত বাংলাদেশ, স্বাধীনতাবিরোধী মুক্ত বাংলাদেশ। একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আমি আজন্ম বঙ্গবন্ধুকন্যার একজন যোদ্ধা।

নিজের রাজনৈতিক-সংশ্লিষ্টতার বর্ণনা দিতে গিয়ে প্রাচী বলেন, ‘আমি সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের মহিলা সম্পাদক। ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সহসভাপতির দায়িত্বেও রয়েছি। এ ছাড়া যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলনের সহ-সদস্য সচিব আমি।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হলে তার আসনটি বাংলাদেশের সেরা ১০টি জেলার একটি হবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন রোকেয়া প্রাচী।

ঢাকা টাইমস/২০ নভেম্বর/আরআই

সংবাদটি শেয়ার করুন

বিনোদন বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত