‘ওয়েব প্ল্যাটফর্ম বেশি জনপ্রিয়’

রুদ্র রুদ্রাক্ষ, ঢাকা টাইমস
 | প্রকাশিত : ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৪:১৯

ওয়েব সিরিজটির নাম ‘বিরহ উত্তর’। এটি নির্মাণ করেছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা ও নির্মাতা তৌকীর আহমেদ। ভারতের শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মসের প্রযোজনায় এবারের বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে চারটি ওয়েব সিরিজ। এরই একটি ‘বিরহ উত্তর’। অন্য তিনটি নির্মাণ করেছেন তিনজন ভারতীয় পরিচালক। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মসের নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘ইচ্ছে’তে অবমুক্ত করা হবে এটি। ইতিমধ্যে রাজধানীর উত্তরা, পুরান ঢাকা, শীতলক্ষ্যা নদী, কীর্তনখোলা নদী ও রাজেন্দ্রপুরের নক্ষত্রবাড়িতে ৪৫ মিনিট দৈর্ঘ্যরে এ চলচ্চিত্রটির চিত্রধারণ সম্পন্ন হয়েছে। নিজের প্রথম ওয়েব সিরিজ নির্মাণের নানা দিক নিয়ে তৌকীর আহমেদ কথা বলেছেন ঢাকা টাইমসের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রুদ্র রুদ্রাক্ষ।

নাটক সিনেমার পর এবার ওয়েব সিরিজে পাচ্ছি আপনাকে

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন মাধ্যম আসে। জনপ্রিয়তা পায়। এখন টেলিভিশনের চেয়ে ওয়েব প্ল্যাটফর্মগুলো বেশি জনপ্রিয় হচ্ছে। এখানে বাজেট-বাধ্যবাধকতা নেই, আরও অনেক ঝামেলামুক্ত মাধ্যম এটা। এ জন্যই কলকাতা থেকে প্রস্তাব আসার পর রাজি হয়ে যাই। আর এটি আমার প্রথম ওয়েব সিরিজ তাই নির্মাণে বেশ সতর্ক থাকতে হয়েছে।

এখন থেকে ওয়েব সিরিজে নিয়মিত দেখা যাবে আপনাকে?

অবশ্যই। আমি সিনেমা, নাটক ওয়েব সিরিজ সবকিছুতেই নিয়মিত থাকব।

আপনার ওয়েব সিরিজের নাম ‘বিরহ উত্তরনামকরণ নিয়ে কিছু শুনতে চাইছি

নামকরণ একটা সিনেমা-গল্প বা কবিতা যে মাধ্যমেই যাই, সে মাধ্যমেই বিশেষ গুরুত্ব রাখে। এটা অনেকটা সংবাদের শিরোনাম লেখার মতো ব্যাপার। শিরোনাম দেখে যেমন পাঠক একটা সংবাদ সম্পর্কে আবছা ধারণা তৈরি করে সেরকম সিনেমা নাটকের ক্ষেত্রেও দর্শক নাম দেখে একটা ধারণা তৈরি করে। আমার গল্পের নাম ‘বিরহ উত্তর’। এটা ভালোবাসার নানা দিকের গল্প। এক বা একাধিক সম্পর্কের নৈমিত্তিক টানাপোড়েন থাকে, আবার মুহূর্তের ভালো লাগা থাকে। সবকিছুর ওপরে যা থাকে, তা হলো উতরে যাওয়ার প্রবণতা। মানুষ তো দিন শেষে ভালোবাসা নিয়েই বাঁচতে চায়। উতরে যেতে চায় যাবতীয় বিরহকে। পারে কি? এই সমস্ত পারা না পারা মিলিয়ে এরকম নামকরণ। বাকিটা মানুষ পর্দায় দেখবে।

সিরিজের প্রধান তিন চরিত্র মম, রওনক আবুল হায়াততাদের চরিত্রগুলো সম্পর্কে বলেন

চরিত্র সম্পর্কে বলার আগে আমি আগে ওদের নিয়ে বলতে চাই। আবুল হায়াতকে নিয়ে কিছু বলার ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছি না। কারণ উনি বাংলাদেশের একজন কিংবদন্তি অভিনেতার আসনে বসে আছেন। রওনক হাসান এ সময়ের প্রশিক্ষিত অভিনেতাদের একজন, যে অভিনয়কে ওউন করে। আর মমর যাত্রাই শুরু হয়েছে আমার দারুচিনি দ্বীপের মাধ্যমে। এখন সে এই দেশের একজন উল্লেখযোগ্য অভিনেত্রী। এ কারণে এই তিনজনের সমন্বয় ঘটিয়েছি এখানে। দর্শক যেভাবে তাদের পর্দায় দেখে অভ্যস্ত আমিও সেভাবেই দেখাব। সাবলীল তিনটি চরিত্রের সঙ্গে আরও অনেক চরিত্র তাদের গল্প বলে যাবে। আশা করি দর্শকের মাথায় অনেক দিনের জন্য জায়গা করে নিতে পারবে ‘বিরহ-উত্তর’।

এখন আপনাকে অভিনয়ে সেভাবে দেখা যায় না

আসলে বিভিন্ন ফেস্টিভ্যাল নিয়ে মাঝে মাঝেই দেশের বাইরে যেতে হয়। এ কারণে সবাই সবসময় সিডিউল মেলাতে পারে না। এরপরেও টুকটাক কাজ করছি সময় সুযোগ পেলে। এর মধ্যে ‘কমলা রকেট’ করলাম, ‘বিউটি সার্কাস’ করলাম।

অভিনেতা-প্রযোজক-পরিচালক কোন চরিত্রে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন?

একটা মানুষের জীবনে অনেকগুলো পরিচয় থাকতে পারে। একটা মানুষ অনেক চরিত্রকে নিজের ভাবতে পারে। আমি প্রতিটি চরিত্রেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। প্রতিটি কাজই তো আমাকেই রিপ্রেজেন্ট করে। মোদ্দা কথা যখন যে ভূমিকায়, সেই ভূমিকাটাই ওউন করি আমি।

ভালোবাসা দিবসের ওয়েব সিরিজ মুক্তির আগে ভালোবাসা নিয়ে দর্শকদের উদ্দেশ্যে কিছু বলবেন?

ভালোবাসা হচ্ছে জীবনের চালিকাশক্তি। পরস্পর পরস্পরকে ভালোবাসুন, মানবিক পৃথিবী গড়ার অংশীদার হন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

বিনোদন বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত