‘কওমি মাদ্রাসার মতো প্রতিষ্ঠান আর নেই’

ঢাকাটাইমস ডেস্ক
| আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৫:৪৯ | প্রকাশিত : ১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৪:৫৯

জামিয়া উম্মুল কোরা মহিলা মাদ্রাসা ও আলনূর কালচারাল সেন্টার বাংলাদেশ নোয়াখালী ইউনিটের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ইসলাহি মজলিস ও সিরাতুন্নবী (সা.) বিষয়ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী সভা।

১১ ডিসেম্বর মাইজদি উম্মুলকোরা মাদ্রাসা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আলনূর কালচারাল সেন্টার কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী পরিচালক ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাফেজ মাওলানা ইউসুফ নূর। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মুফতি আবু ইউসুফ। আর প্রধান আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট মুফাসসিরুল কুরআন আল্লামা মুস্তাকুন্নবী। অনুষ্ঠানের উপস্থাপনায় ছিলেন মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা জুনাইদ মাহমুদী ও মাওলানা আলমগীর আল আমান। মহিলা কর্নার পরিচালনায় ছিলেন মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক আলেমা ফাতেমা জুনাইদ।

বক্তারা বলেন, ‘পুরুষ মাদ্রাসার পাশাপাশি কওমি মহিলা মাদ্রাসারগুলোর অবদানও সর্বজন স্বীকৃত। মহিলাদের মাঝে ইসলামি শিক্ষা-সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ সর্বোপরি ইসলামি জ্ঞান বিস্তারে কওমি মহিলা মাদ্রাসাগুলো অসামান্য অবদান রেখে চলেছে।’

মুফতি আবু ইউসুফ বলেন, ‘শুধু বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকেই সাড়ে সাত হাজার মহিলা মাদ্রাসার নিবন্ধন রয়েছে। জাতির জন্য আদর্শ মা ও গৃহিণী সৃষ্টিতে এসব প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অনন্য।’

মুফতি মুশতাকুন্নবী বলেন, ‘আমাদেরকে আত্মশুদ্ধির ব্যাপারে সর্বাগ্রে প্রচেষ্টা চালাতে হবে। কারণ আত্মশুদ্ধিবিহীন কোনো আমল ও প্রচেষ্টা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হয় না।’

সভাপতির ভাষণে মাওলানা ইউসুফ নূর বলেন, ‘কওমি মাদ্রাসা জাতির জন্য খোদায়ি রহমতের আধার। পৃথিবীর কোনো দেশে কওমি মাদ্রাসার মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই বললেই চলে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এক সময় মহিলা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনাকে হারাম মনে করা হতো। কিন্তু আজকে প্রমাণ হয়েছে সেই ধারণা ছিল ভুল। মহিলা কওমি মাদ্রাসার কল্যাণে আমাদের মায়েরা ইলম ও আমল শিখছেন, যা ইতিপূর্বে কল্পনাও করা যেত না।’

মাওলানা নূর বলেন, ‘আলনূর কালচারাল সেন্টার একটি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিকমূলক সংগঠন। সমাজের সর্বস্তরে সুস্থ সংস্কৃতি ও গঠনমূলক সৃজনশীল সাহিত্য সৃষ্টির পাশাপাশি গণজাগরণমূলক সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ আলনূর সেন্টারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। কাতার, আমেরিকা ও বাংলাদেশে এর কার্যক্রম চলছে।’ তিনি বলেন, ‘মাদ্রাসা এবং দীনি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সাহিত্য-সংস্কৃতির অঙ্গনে আমাদের গঠনমূলক ভূমিকা রাখা সময়ের দাবি।’

মাদ্রাসার পরিচালক জুনাইদ মাহমুদী মাদ্রাসার অব্যাহত উন্নতির জন্য সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন। মাওলানা নজির আহম্মেদের দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

এর আগে আলনূর সেন্টারের পক্ষ থেকে বিজয়ী ছাত্রীদের নগদ অর্থ, আল কুরআন ও বইপত্র এবং সকল অংশগ্রহণকারীর হাতে সান্ত্বনা পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

(ঢাকাটাইমস/১২ডিসেম্বর/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

ইসলাম বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত