কানাডার সাবেক কূটনীতিক আটক, হুয়াওয়ের সিএফওর জামিন

ঢাকা টাইমস ডেস্ক
 | প্রকাশিত : ১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ২০:৪০
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ বলছে তারা কভরিগকে মুক্ত করার চেষ্টা করছেন

কানাডার একজন সাবেক কূটনীতিককে চীনে আটক করা হয়েছে। চীনা টেলিকম কোম্পানি হুয়াওয়ের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মেং ওয়ানঝুকে কানাডার পুলিশ আটক করার পর বেইজিং এ ব্যবস্থা নিল। চীনে আটক কানাডার সাবেক কূটনীতিক মাইকেল কভরিগের নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ বলেছে, তারা কভরিগের আটকের খবর পেয়েছেন এবং তাকে মুক্ত করার চেষ্টা করছেন। খবর বিবিসির।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে তার সরকার চীনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগযোগ রক্ষা করছে। কভরিংকে আটকের বিষয়টিকে কানাডা ‘গুরুত্বের সঙ্গে’ নিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

গত ১ ডিসেম্বর হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতার মেয়ে ও কোম্পানির প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা মেং ওয়ানঝুকে আটক করে কানাডা। ওয়ানঝুর বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ, তিনি ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য করেছেন। চীন একাধিকবার তাকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়ার জন্য কানাডার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, তাকে মুক্তি না দিলে অটোয়াকে ‘পরিণতি’ ভোগ করতে হবে।  

চীনে আটক কানাডার সাবেক কূটনীতিক এর আগে বেইজিং, হংকং ও জাতিসংঘে কূটনীতিকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

এদিকে গ্রেপ্তারের ১০ দিন পর মেং ওয়ানঝুকে জামিন দিয়েছেন কানাডার আদালত। গতকাল মঙ্গলবার তাকে জামিন দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে ১ ডিসেম্বর ভাঙ্কুভার বিমানবন্দরে তাকে গ্রেপ্তার করে কানাডার কর্তৃপক্ষ।

গত শুক্রবার থেকে মেং ওয়ানঝুর জামিন শুনানি শুরু হয়। তাকে গ্রেপ্তারে ক্ষুব্ধ হয়ে কানাডাকে কড়া বার্তা দিয়েছিল চীন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, মেংকে গ্রেপ্তার নিয়ে চীন ও কানাডার মধ্যে কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

 

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে যখন একটি টানাপোড়েনের সম্পর্ক চলছে, ঠিক তখনই গ্রেপ্তার হন মেং ওয়ানঝু। তিনি হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতা রেন ঝেংফেই মেয়ে। তার বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইরানে প্রযুক্তি বিক্রি করার অভিযোগ করা হয়। তিনি হংকং থেকে মেক্সিকো যাচ্ছিলেন। ভাঙ্কুভার বিমানবন্দরে তার যাত্রাবিরতি ছিল।

এই গ্রেপ্তারকে মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যায়িত করে মেং ওয়ানঝুর মুক্তি চায় বেইজিং। দোষী সাব্যস্ত হলে যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ বছরের কারাদ- হতে পারে তার।

আদালতে শুনানি শেষে বিচারক উইলিয়াম আকি ৭৫ লাখ মার্কিন ডলারে তার শর্ত সাপেক্ষে জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন দেওয়ার পর আদালত কক্ষে সবাই হাততালি দেন এবং মেং আনন্দে আইনজীবীকে জড়িয়ে ধরেন। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানি হবে।

ঢাকাটাইমস/১২ডিসেম্বর/এসআই

সংবাদটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :