হামলা-সহিংসতায় ভোটের প্রচার

ঢাকা টাইমস ডেস্ক
 | প্রকাশিত : ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৯:১১

 

নির্বাচনী প্রচার চলার মধ্যে সংঘাত-সহিংসতা থামানো যাচ্ছে না। বেশ কয়েকজন প্রার্থীর গাড়িতে হামলা হয়েছে। নরসিংদীতে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ১১টি মোটরসাইকেল।

নারায়ণগঞ্জে বিএনপির প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় আটক হয়েছেন ছাত্রলীগের এক নেতা। নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় আওয়ামী লীগের মিছিলে গুলি করেছেন বিএনপির প্রার্থী।

নোয়াখালীতে বিএনপির মিছিল থেকে যুবলীগের নেতা মো. হানিফকে হত্যার ঘটনায় বিএনপি-জামায়াতের ৩৬১ জন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এসব ঘটনায় তৃতীয় কোনো শক্তির ইন্ধন রয়েছে কি না, সেটি খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।

গত সোমবার নির্বাচনী প্রচার শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা দেখা দেয়। ফরিদপুরে খুন হন আওয়ামী লীগের এক নেতা, নোয়াখালীতে হত্যা করা হয় যুবলীগের নেতাকে। পাবনায় মরদেহ উদ্ধার হয়েছে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতার।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর গাড়ি ও গাড়িবহরে হামলা হয়েছে। আর সিইসি এসব ঘটনায় মর্মাহত ও বিব্রত হওয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন কমিশন এখনো এসব ঘটনা ফেরাতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি।

নয় মোটরসাইকেলে আগুন

গতকাল বিকেলে মনোহরদী উপজেলার হেতেমদী এলাকায় নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসনে বিএনপির প্রার্থী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সমর্থকদের গাড়িবহরে থাকা নয়টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে হামলাকারীরা। ভাঙচুর হয়েছে দুটি প্রাইভেটকার। বকুলের গাড়িবহরটি পৌঁছালে এই ঘটনা ঘটে।

বকুল ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘আমি আমার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করার জন্য একসঙ্গে জড়ো হয়েছিলাম। এ সময় আওয়ামী লীগের ৮-১০ জন নেতাকর্মী আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।’

তবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নুরুল মজিদ হুমায়ুন বলেছেন, এই ঘটনা বিএনপির কোন্দলের ফসল এবং রাজনৈতিক অপকৌশল। এখানে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

জানতে চাইলে মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘মোটরসাইকেল ও গাড়ি ভাঙচুরের একটি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। কিন্তু কে বা কারা ঘটিয়েছে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পাইনি।’

নরসিংদী-২ আসনের পলাশে বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করেছেন যুবদলের নেতা মনির হোসেন। তিনি ডাংগা ইউনিয়নের হাসনহাটা এলাকায় ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক।

মনির বলেন, ‘দুপুরে আমি বাড়িতে ছিলাম না। এ সময় আমার স্ত্রী ইয়াসমিন সুলতানা রতœা ফোন করে জানায়, পুলিশের উপস্থিতিতে কয়েক শ আওয়ামী সমর্থক আমার বাড়িতে হামলা চালায়। তারা আমার আরেক সমর্থক করিম মিয়া ও মোবারক হোসেনের বাড়িতে হামলা চালিয়েও লুটপাট চালায়। আমরা বিএনপির প্রার্থী ড. আবদুল মঈন খানের নির্বাচন করছি, তাই আমাদের ওপর এই নির্যাতন।’

তবে ডাংগা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আজহার খন্দকার বলেন, ‘নির্বাচন আসছে তো তাই তারা মিথ্যাচার করছে। বরং যুবদলের নেতা মনিরের নেতৃত্বে কেন্দুয়াব এলাকায় আমাদের আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।’

পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মকবুল হোসেন মোল্লা বলেন, ‘হামলা ও লুটপাটের বিষয়টি আমাদের জানা নেই। এ বিষয়ে কেউ অভিযোগও করেনি।’

রাজধানীর উত্তরখানে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

ঢাকা-১৮ আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী জেএসডির শহীদ উদ্দিন মাহমুদের পক্ষে প্রচারের সময় দুই পক্ষে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

জেএসডির নেতা আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ জোটের নেতারা প্রচারে গেলে তাদের ঘিরে ধরে ‘নৌকা’ ‘নৌকা’ স্লোগান দিতে থাকেন আওয়ামী লীগের কর্মীরা। এ সময় ঐক্যফ্রন্টের কর্মীরা ‘ধানের শীষ’ বলে স্লোগান দিতে শুরু করেন। একপর্যায়ে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। প্রচার শেষে পুলিশ নেতাদের নিরাপত্তা দিয়ে উত্তরখান থেকে পাঠিয়ে দেয়।

আ স ম আবদুর রব অভিযোগ করে বলেন, ধানের শীষের প্রার্থীদের দেশের বিভিন্ন জায়গায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। এতে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

প্রার্থীর ওপর হামলায় ‘ছাত্রলীগ নেতা’ আটক

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনে বিএনপির প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের ওপর হামলার ঘটনায় পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিল্লাল হোসেনকে আটক করেছে পুুলিশ।

গতকাল বিকেলে সোনারগাঁও উপজেলা পরিষদে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা চলা অবস্থায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সোনারগাঁও থানার ওসির সামনেই এই হামলা চালানো হয়। পরে বিল্লালকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় সোনারগাঁও থানার পুলিশ।

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোরশেদ আলম ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘উপজেলা পরিষদের ভেতরে নির্বাচনী আচরণবিধির বিষয়ে ইউএনও, আমি, নির্বাচন অফিসারসহ আমরা সবাই মিটিংয়ে ছিলাম। এমন সময় হঠাৎ করেই বিল্লাল হোসেন নামের ছেলেটি দৌড়ে এসে আজহারুল ইসলাম মান্নানের পাঞ্জাবির কলার ধরে টেনে নিচে নামিয়ে ফেলে। আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে তাকে আটক করি।’

‘বিল্লাল ইন্টারনেটের লাইনের কাজ করে। তবে আমি শুনেছি, সে পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।’

সমাবেশস্থলে ককটেল হামলা

যশোর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বিএনপির ৮-১০ জন কর্মী আহত হন।

গতকাল দুপুর একটার দিকে সদর উপজেলার হালসা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এর জন্য স্থানীয় যুবলীগের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন অমিত। তিনি বলেন, ‘সকালে আমার দেয়াড়া এলাকায় নির্বাচনী কর্মসূচি ছিল। সেখান থেকে আমি নেতাকর্মীদের নিয়ে হালসা পেরিয়ে চৌগাছা সীমান্ত এলাকায় যাই গণসংযোগে। পরে হালসা বাজারে একটি নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল আমার। কিন্তু গণসংযোগকালেই খবর আসে, হালসা বাজারে আমার সমাবেশস্থলে হামলা হয়েছে।’

হামলার খবর পাওয়ামাত্র বিষয়টি কোতোয়ালি পুলিশকে জানানোর কথা বলেছেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম রেজা দুলু। তবে থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সমীরকুমার সরকার ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘এ রকম একটি ঘটনা শুনেছি, তবে থানায় এখনো পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ কেউ দেয়নি।’

গাড়ি ভাঙচুর

পাবনা-১ আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী গণফোরামের আবু সাইয়িদের নির্বাচনী বহরে হামলা করে দুর্বৃত্তরা। বেলা দেড়টার দিকে পাবনার সাঁথিয়া বাজারে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচ-ছয়জন আহত হন। ঘটনার পরপরই সাইয়িদ সাঁথিয়া থানায় অভিযোগ করেন।

গণফোরাম নেতার অভিযোগ, উপজেলার ধোপাদহ ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারণায় যাওয়ার সময় সাঁথিয়া বাজারে স্থানীয়দের সঙ্গে তিনি কুশল বিনিময় করছিলেন। এ সময় অতর্কিতভাবে কয়েকজন যুবক গাড়িতে হামলা চালায়।

এই হামলার জন্য আবু সাইয়িদ তার প্রতিদ্বন্দ্বী শামসুল হক টুকুর সমর্থকদের দায়ী করেছেন। তবে টুকু এই ঘটনায় তার সমর্থকদের দায় অস্বীকার করেছেন।

ঝালকাঠি-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী জেবা আমিনা খানের গাড়িও ভাঙচুর হয়েছে। সকালে বিএনপির প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে পার্ক করে রাখা ছিল গাড়িটি। এ সময় এক দফা হামলা হয়।

জেবা ছিলেন কার্যালয়ের ভেতরে। পরে তিনি গাড়িবহর নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ভোটের পরিবেশ নিয়ে অভিযোগ জানাতে আসেন। ফেরার পথে পুনরায় তার গাড়িবহরের পেছনে থাকা গাড়িতে থাকা কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে গাড়ির কাচ ভেঙে যায়।

পরে সংবাদ সম্মেলনে জেবা আমিনা খান অভিযোগ করেন, ছাত্রলীগ-যুবলীগের কর্মীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খান সাইফুল্লাহ পনির বলেন, ‘ঘটনা কে বা কারা ঘটিয়েছে, আমাদের জানা নেই। আমরা গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে না।’

ঝালকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শোনিত কুমার গাইন বলেন, ‘দুর্বৃত্তরা তার (বিএনপির প্রার্থী) গাড়িতে হামলা চালিয়েছে। খবর শোনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

আ.লীগের মিছিলে বিএনপি প্রার্থীর গুলি

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ মিছিলে ফাঁকা গুলিবর্ষণ করেছেন বিএনপির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম হিলালী। এ সময় তিনি নিজের পিস্তল থেকে গুলিবর্ষণ করেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কেন্দুয়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি কামরুল হাসানসহ অন্তত ১২ জন আহত হন।

নেত্রকোণা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) আসনের আটপাড়ায় নৌকার মিছিলে পেট্রলবোমা হামলার প্রতিবাদে কেন্দুয়া উপজেলা সদরে আওয়ামী লীগ প্রতিবাদ মিছিল বের করলে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে।

এর আগে সন্ধ্যায় এই আসন এলাকার আটপাড়া উপজেলা সদরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অসীম কুমার উকিলের নৌকা প্রতীকের মিছিলে পেট্রলবোমা হামলা হয়। এতে সাতজন নেতাকর্মী আহত হন।

কেন্দুয়া থানার ওসি ইমারত হোসেন গাজী বলেন, ‘এ ঘটনায় বিএনপির দেড়শ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১০ জনকে।’

গুলি করার কথা স্বীকার করেছেন রফিকুল ইসলাম হিলালী। এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে আমার বাসা ও অফিসে হামলা করেছে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে আমি লাইসেন্স করা পিস্তল থেকে ফাঁকা গুলি ছুড়েছি।’

নৌকার ক্যাম্পে আগুন

লক্ষ্মীপুর-১ আসনে নৌকা প্রতীকে তরীকত ফেডারেশনের আনোয়ার হোসেন খানের নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একই আসনে ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী এলডিপির নেতা শাহদাত হোসেন সেলিমের অভিযোগে হামলা হয়েছে তার বাড়ির কর্মিসভায়। এ নিয়ে দুই পক্ষ একে অপরকে দায়ী করছে। আবার নিজেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সেলিমের অভিযোগ, গতকাল দুপুরে তার করপাড়ার বাড়িতে মতবিনিময় সভায় হামলা হয়। এ সময় দুটি মোটরসাইকেল, সভামঞ্চের চেয়ার-টেবিল ও বাড়ি ভাঙচুর করা হয়, আহত হয় ১০ জন।

ভোরে করপাড়া ইউনিয়নের মিয়ার বাজারে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন দেওয়া হয়। এতে ক্যাম্পের চেয়ার ও টেবিল পুড়ে যায়। এ সময় পাশের চায়ের দোকানের আসবাবপত্রও পুড়ে যায়।

তবে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী এলডিপির নেতা শাহদাত হোসেন সেলিম এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, ‘আওয়ামী লীগের লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়ে বিএনপির ওপর দোষ চাপাচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত নয়।’

যুবলীগ নেতা হত্যার আসামি বিএনপির ৩৬১ জন

নোয়াখালীতে যুবলীগের নেতা মো. হানিফকে হত্যার ঘটনায় বিএনপির ৩৬১ জন নেতাকর্মীকে আসামি করে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় গত ৪৮ ঘণ্টায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল সকালে এওজবালিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সুমন বাদী হয়ে সুধারাম থানায় এ মামলা করেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহানকে প্রধান আসামি ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহিম রিজভীকে দ্বিতীয় আসামি করে ৩৬১ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরও একাধিক জনকে আসামি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে এওজবালিয়া ইউনিয়নের নুর পাটোয়ারিহাটে বিএনপির মিছিল থেকে হামলা করে ৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হানিফকে হত্যা করার অভিযোগ আছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :