রাজশাহী-৫

বিএনপি নেতার আবেদনে নাদিম মোস্তফার প্রার্থিতা বাতিল

ব্যুরো প্রধান, রাজশাহী
| আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৬:৩৬ | প্রকাশিত : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৬:৩২

ধানের শীষ নিয়ে ভোটের মাঠে নেমেও বাদ পড়লেন রাজশাহী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নাদিম মোস্তফা। তিনি রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের প্রার্থী ছিলেন।

সোমবার হাইকোর্টের আদেশে বিএনপি নেতার প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। একইসঙ্গে নজরুল ইসলামকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতেরিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। নজরুলের এক আবেদনে এই রায় আসে।

এবার বিএনপি এই আসনের প্রার্থী হিসেবে নাদিম মোস্তফা ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম মণ্ডলকে প্রাথমিক মনোনয়ন দেয়। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে নাদিম মোস্তফার প্রার্থিতা বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তখন নজরুলকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার কথা জানায় বিএনপি। তাকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দলীয় চিঠিও দেয়া হয়। প্রতীক বরাদ্দের দিন নজরুল এই চিঠি দাখিল করেন।
এরই মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন নাদিম মোস্তফা। সেখানে তার প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর প্রতীক বরাদ্দের দিন আবার নাদিম মোস্তফাকে ‘চূড়ান্ত’ প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয় বিএনপি। ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাকে চিঠিও দেয়া হয়। নাদিম সেই চিঠি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করলে তাকেই দেয়া হয় ধানের শীষের প্রতিক। এর ফলে বাদ পড়েন নজরুল।

তবে নাদিমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ১২ ডিসেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন নজরুল ইসলাম। সোমবার এই শুনানিতে নজরুলের পক্ষে শুনানি করেন তার ছেলে আবু বকর সিদ্দিক রাজন, মিনহাজুল হক চৌধুরী ও আসরাফ আলী। আর নাদিম মোস্তফার পক্ষে অংশ নেন আঞ্জুমান আরা বেগম। ।

রাজশাহীর রিটার্নিং কর্মকর্তা এসএম আবদুল কাদের বলেন, নাদিম মোস্তফার প্রার্থিতা বাতিলের খবর তিনি পেয়েছেন। এখন হাইকোর্টের আদেশের কাগজের অপেক্ষা করছেন। কাগজ হাতে পেলেই নজরুল ইসলাম মণ্ডলকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।

মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে নাদিম মোস্তফা বলেন, ‘হাইকোর্ট থেকে আমার বিরুদ্ধে যে আদেশ দেয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আপিল করব। এ জন্য ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছি। আশা করছি আপিল করলে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত হয়ে যাবে এবং আমি প্রার্থী থাকব।’

নাদিম মোস্তফা ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে রাজশাহী-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জঙ্গি মদদদানের অভিযোগ উঠলে ২০০৭ সালে তিনি আত্মগোপন করেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পান পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মণ্ডল। নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী কাজী আবদুল ওয়াদুদ দারার কাছে হেরে যান। এবার ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী মনসুর রহমান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :