স্তন ক্যানসারের যন্ত্রণা সইতে না পেরে আত্মহত্যা!

নিজস্ব প্রতিবেদক
| আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ২০:১৭ | প্রকাশিত : ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৯:৫২
ফাইল ছবি

ছয় বছর ধরে স্তন ক্যানসারে ভুগছিলেন শাহনাজ বেগম লিলি। নিয়মিত চিকিৎসাও করাচ্ছিলেন তিনি। সবশেষ চিকিৎসা নিতে ১০ দিন আগে ভর্তি হন বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের ক্যানসার ওয়ার্ডে। গত সোমবার দিবাগত রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। কিন্তু মঙ্গলবার ভোরে তার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ ধারণা করছে, ব্যথার যন্ত্রণা সইতে না পেরে ফল কাটার ছুরি দিয়ে গলা কেটে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

শাহনাজ বেগম লিলির বাড়ি কিশোরগঞ্জে। তিনি সেখানকার একটি মাদরাসায় সহকারী শিক্ষিকা ছিলেন। ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

লিলির ছোট বোন সুরাইয়া আক্তার ঢাকা টাইমসকে জানান, তার বোন ২০১৩ সাল থেকে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত। ক্যানসারের যন্ত্রনা সইতে না পেরেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রায় ছয় বছর ধরে আমার বোন স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। এর আগে বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়েছেন। গত ৯ ডিসেম্বর তিনি বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে ভর্তি হন। সোমবার রাতে তিনি ফল খেতে চান। তাকে রাতে একটি ছুরি দিয়ে ফল কেটে খাওয়ানো হয়।’

‘পরে তিনি রাতে আরো ফল খাবেন বলে ছুরি ও ফল নিজের কাছে রাখেন। ভোর চারটার সময়ে স্বজনরা ঘুমিয়ে পড়লে তিনি ছুরি দিয়ে নিজের গলা কেটে ফেলেন। পরে তার গোঙ্গানি শুনে সেখানে থাকা আমাদের স্বজনরা রক্ত দেখতে পান। তারা মনে করেছিল যে লিলি হয়ত রক্ত বমি করছে। পরে তার হাতে ছুরি দেখে তারা নিশ্চিত হয় যে লিলি তার গলা কেটেছে। পরে ডাক্তারদের ডেকে আনা হলে তারা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মশিউর রহমান ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের বি ব্লকের পাঁচ তলার ক্যান্সার ওয়ার্ড থেকে লিলির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ৯ ডিসেম্বর তিনি সেখানে ভর্তি হয়েছিলেন। তার পরিবারের ভাষ্য, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর হবে।’

ঢাকাটাইমস/১৮ডিসেম্বর/এএ/ডিএম

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজধানী বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত