শীতকালে শবজি খান নিয়ম মেনে

ফিচার প্রতিবেদক
 | প্রকাশিত : ১২ জানুয়ারি ২০১৯, ১০:৫৫

শীতকালে খান নিয়ম মেনে। শীতে বাজারে শাক-সবজির আধিক্য। বাজারে গেলে দেখা মেলে রঙিন সবজির। দামও হাতের নাগালে। তাই অনেকেই শীতকালে শাক-সবজিতে ভরিয়ে ফেলেন ব্যাগ। ভূড়িভোজটাও শীতকালে বেশি হয়। পুষ্টিবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, শীতকালে নিয়ম মেনে খেতে হবে। 

আলু কিংবা রসুনের চপ। পেঁয়াজ আর বেসন দিয়ে তৈরি পেঁয়াজু হোক বা বেগুনি। মহল্লার আলু-পেঁয়াজুর দোকানগুলোতে শীতকালে বেশি মেলে। সঙ্গে যোগ হয় বাড়তি কিছু পদ। এই যেমন ধনে পাতার চপ, ফুলকপির পাকোড়া।

শুধু বাইরেই নয়, ঘরেও বিভিন্ন ধরনের ভাজা পোড়া খাওয়া হয়। বিশেষ করে সবজি দিয়ে বানানো বিভিন্ন চপ ও কাটলেট। কারণ, শীতকালে হরেক রকমের সবজিতে ছেয়ে যায় বাজার। তাই শীতকালে পাকোড়া যেমন পাতে পড়ে, তেমনই রোজই পাতে পড়ে বিভিন্ন ধরনের শাকও। তবে, শীতকালীন আনাজ নির্ভয়ে খেতে বললেও নিয়ম মেনেই খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন ডায়েটিশিয়ানরা। তাদের বক্তব্য, নিয়ম না মেনে খেলে হতে পারে সমস্যা। আর নিয়ম মেনে চললে সমস্ত আনাজই খেতে পারেন খাদ্যরসিকরা। 

আমাদের অনেকের ধারণা, ফুলকপি বা মুলার মতো সবজি খেলে গ্যাস হয়। অনেকে বিভিন্ন রোগের ভয়ে বহু তরকারি খান না। আসলে, অনেকে নিয়ম মেনে খান না বলেই সমস্যা হয়। টমেটো, পেঁয়াজকলি, কালো শিমের মতো সবজি দৈনিক খেলে গ্যাসের সমস্যা, কোলেস্টেরলের মতো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে, খেতে হবে অল্প পরিমাণে। এ ছাড়া রান্না করার আগে শাক-সবজি ভালো করে ধুয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

শীতকালে ফুলকপি, বাঁধাকপি, পেঁয়াজকলি, শিম, মুলা, গাজর, বরবটি, বিন, মটরশুঁটিসহ প্রভৃতি আনাজ বাজারে আসে। একই সঙ্গে পালং, ছোলা, মটর, শর্ষে শাকও বাজারে বিক্রি হয়। আর শীতকালে শাক-সবজির জোগান অত্যন্ত বেশি থাকে। 

এখনকার শাকসবজিতে দ্রুত ফলনের জন্য মেশানো হচ্ছে বাড়তি রাসায়নিক। সেই রাসায়নিকগুলো মেশানোর ফলে যত সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

রাসায়নিক মেশানো খাওয়ার বেশি পরিমাণে খেলে পেটের সমস্যা থেকে একাধিক রোগ হতে পারে। রাসায়নিক মিশ্রিত শাকসবজি খেলে পেটের সমস্যা হয়, বুক জ্বালা করে ঘুমও কম হবে। হতে পারে আরও অনেক ধরনের শারীরিক সমস্যাও। তাই রাসায়নিক সার যুক্ত সবজি বর্জন করাই ভালো।

(ঢাকাটাইমস/১২জানুয়ারি/এজেড)

সংবাদটি শেয়ার করুন

ফিচার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :