যেসব খাবার রক্তেরসুগার কমায়

ফিচার প্রতিবেদক
 | প্রকাশিত : ১২ জানুয়ারি ২০১৯, ১১:২২

এখন দেশের অধিকাংশ মানুষ ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগে আক্রান্ত। ডায়াবেটিস একবার হলে কখনোই তা সারে না। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। যদি খাদ্যাভ্যাস ও চলাফেরা নিয়ন্ত্রণে রাখা না যায়, তাহলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখাও কষ্টকর হয়ে যাবে। জেনে নিন যেসব খাবার রক্তে সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে সে সম্পর্কে।

টমেটো
টমেটো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এতে রয়েছে লাইকোপেন, প্রচুর ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ। টমেটোতে কার্বোহাইড্রেট ও ক্যালরি কম থাকে যার ফলে ডায়াবেটিস রোগীদের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। ডায়াবেটিস হলে প্রতিদিন বেশি পরিমাণে শাক-সবজি ও টক ফলমূল খেলে রক্তে সুগার বাড়বে না। তাই চিকিৎসকগণ বেশি বেশি সবজি খাওয়ার পরামর্শ দেন।

হলুদ
চিকিৎসকগণ মনে করেন হলুদ খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। প্রতি রাতে এক গ্লাস দুধের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে খেলে দেহে ইনসুলিনের মাত্রার ভারসাম্য বজায় থাকে। তাছাড়া হলুদ রক্তে সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। 

জাম
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা নিঃসন্দেহে জাম খেতে পারবে। কেননা জাম সুগারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। নিয়মিত জাম খেলে হজম শক্তি বাড়ে এবং জামের বীজ গুঁড়া করে খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। প্রতিদিন দুই কাপ বেরি বা জাম খেলে ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা বেড়ে যায়। কারণ জামে রয়েছে প্রচুর ফাইবার বা খাদ্য আঁশ ও ভিটামিন সি। 

আমন্ড
আমন্ডে রয়েছে প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম ও মিনারেল যা ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। আমন্ডে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটস, প্রোটিন, ফাইবার যা ডায়াবেটিস রোগীদের বিকেলের নাস্তা হিসেবে উপকারী। তাই ডায়াবেটিস রোগীকে আমন্ড খেতে দিন।

আপেল ও টক জাতীয় ফল
প্রবাদ আছে প্রতিদিন আপেল খেলে কখনো চিকিৎসকের কাছে যেতে হয় না। আপেলের পুষ্টিগুণ অনেক। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ডায়াবেটিস রোগীরা অল্প চিনিযুক্ত বা চিনিবিহীন যেকোনো খাবার খেতে পারবে। সেক্ষেত্রে ডায়াবেটিস রোগীরা আপেল, কমলা, কামরাঙ্গা, আমড়া, জাম্বুরা ও আঙুর খেতে পারবে। কমলা টক জাতীয় ফল। এছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। রোজ সকাল ১১টায় এবং বিকেলের নাস্তার পর ডায়াবেটিস রোগীরা কমলা, আঙুরসহ যেকোনো টক ফল খেতে পারবে। টক জাতীয় ফল রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

আখরোট ও চিনাবাদাম
আখরোট ও চিনাবাদামে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাছাড়া এগুলোতে প্রয়োজনীয় তেল রয়েছে যার ফলে এগুলো খেলে খারাপ কোলেস্টেরল, রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। 

ওটস
ওটস ও যেকোনো শস্যদানা খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে। শস্য দানা মানুষের রক্তে চিনির পরিমাণ বাড়ায় না। অর্থাৎ সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে ওটস।

(ঢাকাটাইমস/১২জানুয়ারি/এজেড)

সংবাদটি শেয়ার করুন

ফিচার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :