রাগীব আলীর ম্যানেজার কারাগারে

সিলেট প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১০ অক্টোবর ২০১৬, ১৫:০৪

জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে সিলেটের তারাপুর চা বাগানের দেবোত্তর সম্পত্তি দখল সংক্রান্ত প্রতারণার মামলায় শিল্পপতি রাগীব আলীর আত্মীয় ও ম্যানাজার দেওয়ান মোস্তাক মজিদকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে আদালত।

সিলেট মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক সাইফুজ্জামান হিরো আজ সোমবার দুপুরে এ আদেশ দেন।

সিলেট জেলা জজকোর্টের অ্যাডিশনাল পিপি শামসুল ইসলাম জানান, জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে তারাপুর চা বাগানের দেবোত্তর সম্পত্তিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার ভূমি আত্মসাৎ ও প্রতারণার সংক্রান্ত দুটি মামলার শুনানি ছিল আজ। এসময় আদালতে হাজির হন মামলার আসামি রাগীব আলীর আত্মীয় দেওয়ান মোস্তাক মজিদ। আদালত শুনানি শেষে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতে আসামিপক্ষে শুনানি করেন আবদুল খালিক, রেজাউল করিম, এমাদউল্লাহ শহীদুল ইসলাম।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন শামসুল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান, জসিম উদ্দিন।

জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে তারাপুর চা বাগানের দেবোত্তর সম্পত্তিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার ভূমি আত্মসাৎ এবং প্রতারণার আলোচিত দুটি মামলায় রাগীব আলী ও তার ছেলে-মেয়েসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে গত ১০ আগস্ট গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক (চিঠি) জালিয়াতির মামলায় রাগীব আলী ও তার ছেলে আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

প্রতারণার মামলায় রাগীব আলী, তার ছেলে আবদুল হাই, জামাতা আবদুল কাদির, মেয়ে রুজিনা কাদির, রাগীব আলীর আত্মীয় মৌলভীবাজারের দেওয়ান মোস্তাক মজিদ, তারাপুর চা বাগানের সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। তবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পরপরই ছেলেকে নিয়ে ভারতে পালিয়ে যান রাগীব আলী।

৪২২ দশমিক ৯৬ একর জায়গার উপর তারাপুর চা বাগান পুরোটাই দেবোত্তর সম্পত্তি। আশির দশকে জালিয়াতির মাধ্যমে এটি দখলে নেন রাগীব আলী। এ নিয়ে চলা মামলার প্রেক্ষিতে আদালতে একটি রিট পিটিশনের ভিত্তিতে গত ১৯ জানুয়ারি তারাপুরে রাগীব আলীর দখলদারিত্বকে অবৈধ ঘোষণা করে আপিল বিভাগ।

(ঢাকাটাইমস/১০সেপ্টেম্বর/প্রতিনিধি/জেডএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত