চীনের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগ চান ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০১৬, ১৩:৫০ | প্রকাশিত : ১৪ অক্টোবর ২০১৬, ১৩:৪৬

চীনের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগে কারখানা গড়ে তুলে চান দেশের ব্যবসায়ীরা। এর মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা যেমন বাড়বে, তেমনি বাড়বে রপ্তানি আয়, এমটাই মনে করছেন তারা। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঢাকা সফরের মধ্য দিয়ে এতে অগ্রগতি আসবে, এই আশা করছেন ব্যবসায়ী নেতারা।

এ বিষয়ে এফবিসিসিআই সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ গণমাধ্যমে বলেছেন, বেসরকারি খাতে চীনের বিনিয়োগ অল্প সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান হবে।

বিজিএমইএ সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, পোশাক খাতে চীনা বিনিয়োগ রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে।

তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বের এক নম্বর দেশ চীন। এরপরেই রয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্ববাজারের প্রায় ৪০ শতাংশ চীনের দখলে আর বাংলাদেশের ছয় ভাগের নীচে। চীন উচ্চমূল্যের পোশাক রপ্তানি করে। আর বাংলাদেশ করে কম দরের পোশাক।

চীনের সহযোগিতায় দেশেই গার্মেন্ট মেশিনারিজ তৈরির কারখানা গড়ে তুলতে চায় বিজিএমইএ। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের ফেব্রিক্স ও সরঞ্জাম তৈরির কারখানাও গড়ে তুলতে চায় সংগঠনটি। এতে বাঁচবে সময়, খরচও কমবে।

চামড়া, আইসিটি, কৃষি, জ্বালানিখাতে কারখানা নির্মাণ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে চীনের অংশীদারিত্ব চায় এফবিসিসিআই। আর উৎপাদিত পণ্য চীনসহ সব দেশেই রপ্তানির সুযোগ চায় সংগঠনটি। এছাড়া সম্ভাবনাময় সমুদ্র অর্থনীতিতেও চীনা বিনিয়োগ চান ব্যবসায়ীরা।

অন্তত ২৫টি চুক্তি হবে

চীনের প্রেসিডেন্টের চলতি সফরে বাংলাদেশের সঙ্গে অন্তত ২৫টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে বলে গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক, বাণিজ‌্যিক, জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতামূলক চুক্তি ও সমঝোতার আওতায় চীনের কাছ থেকে ২০ থেকে ২৫ বিলিয়ন ডলারের সহায়তার আশা করছেন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা।

বেইজিংয়ের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ‘নিউ ডেভেলপমেন্ট ব‌্যাংকে’ যোগ দেওয়ার পাশাপাশি গত কয়েক বছরে চীনের সঙ্গে বাণিজ‌্যিক সম্পর্ক আরও গাঢ় করেছে ঢাকা, যাকে বাংলাদেশের পূর্বমুখিতাও বলা হচ্ছে।

ঢাকায় চীনের প্রেসিডেন্ট

এদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আজ শুক্রবার দুই দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন।বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তিনি এয়ার চায়নার একটি বিশেষ ফ্লাইটে কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেন থেকে ঢাকায় পৌঁছান। তাঁকে বহনকারী চীনের বিশেষ বিমানটি বাংলাদেশের আকাশসীমায় এসে পৌঁছালে সেটিকে পাহারা দিয়ে নিয়ে আসে বিমানবাহিনীর দুটি জেট বিমান। বিশেষ ফ্লাইট থেকে বিমানবন্দরে নেমে এলে তাঁকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এ সময় তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায় একটি শিশু। এরপর তিনি অভিবাদন মঞ্চে গিয়ে গার্ড অব অনার নেন ও গার্ড পরিদর্শন করেন। তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল চীনের প্রেসিডেন্টকে গার্ড অব অনার দেয়।

 

ঢাকাটাইমস/১৪অক্টোবর/এমএইচ

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত