দূর্গার রূপে অর্ষা

বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১০ অক্টোবর ২০১৬, ১০:২০

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে এটিএন বাংলায় ১১ অক্টোবর রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে প্রচার হবে বিশেষ নাটক ‘দশভুজা’। শৌর্য দীপ্ত সূর্যের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন শৌর্য দীপ্ত সূর্য ও সোহেল রানা।

নাটকটিতে অভিনয় করেছেন নাজিয়া হক অর্ষা,  সাব্বির আহমেদ, নরেশ ভুইয়া, বড়দা মিঠু, জেরি, তালিম, সুহৃদ জাহাঙ্গীর, আমিনুল ইসলাম তুহিন প্রমুখ।

নাটকটির কাহিনিতে দেখা যাবে, বৈকুন্ঠপুর গ্রামের হরিদাস পাল। আশে পাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মধ্যে তারাই একমাত্র কুমার পরিবার। পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত জমিতে সে প্রতিমা বানায়। সেখানে একটি মন্দিরও আছে। প্রতিমা বানিয়েই তার সংসার চলে।  হরিদাস পালের স্ত্রী অনেক আগেই মারা গেছেন। একমাত্র মেয়ে দূর্গাকে নিয়েই হরিদাশের সংসার। কালের বিবর্তনে হরিদাশ পালের সম্পত্তির মুল্যবৃদ্ধি পেয়েছে বহুগুন। এই জমির উপর কু-নজর পরে গ্রামের অর্থ প্রতিপত্তি ও প্রভাবশালী ব্যক্তি জর্নাদন সিকদারের। তার একটি মাস্তান বাহিনী আছে যাদের কারণে বৈকুন্ঠপুরের মানুষজন অতিষ্ট। কিছুদিন আগে তারা কালীদাস রায়কে ভিটামাটি ছাড়া করে। কালীদাস রায়ের ছেলে রজত রায় আবার দূর্গাকে ভালবাসে। তারই টানে রজত রায় গ্রামে ফিরে আসে। 

এদিকে জর্নাদন সিকদার হরিদাস পালের জমিজমা দখল করার পাঁয়তারা হিসেবে একটি জাল দলিল তৈরি করে। সে হরিদাস পালকে আসন্ন পুজার আগেই জমিজমা ছেড়ে চলে যাবার নির্দেশ দেয়। একই সাথে তার দূর্গার দিকেও নজর পরে। সে দূর্গাকে বিয়ে করতে চায়। কিন্তুু হরিদাশ পাল কিছুতেই ওই দুশ্চরিত্র লম্পট বহু বিবাহ কারী জর্নাদনের হাতে তার মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজী হয় না।

দুর্গা পুজার ৭ দিন আগে গ্রামের সেই মন্দিরে গ্রামের লোকজন মহালয়া অনুষ্ঠান শুনতে আসে। সেই অনুষ্ঠানেই হারিদাশ পাল তার উপর এবং গ্রামবাসীর উপর অত্যাচরের বর্ণনা করেন। মহালয়া অনুষ্ঠানের পর গ্রামের লোকদের বোধদয় হয়। তারা সন্মিলিত ভাবে অসুর সম জর্নাদন সিকদার কে প্রতিরোধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। বিত্তশালী  রাম লাল সাহা এই জন্য অর্থ সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেয়।  বাসুদেব উকিল হরিদাশকে আইনগদ সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দেয়। চাতাল শ্রমিক বিষ্ণু তার লোকবল দিয়ে সহায়তার ঘোষণা দেয়। কাঁলাচান কামার বিনা পয়সা অস্ত্র বানিয়ে দেবার কথা বলে। এভাবেই আর দশজন তাদের সামর্থ অনুযায়ী সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেয়। এরপর সবাই প্রস্তুতি নেয়। 

কথামতো পুজার আগের দিন জর্নাদন সিকদার তার মাস্তান বাহিনী নিয়ে হরিদাশ পালের বাড়ীর দিকে আসে। তার বাহির থেকে ওদেরকে বাড়ী থেকে বের হয়ে যেতে বলে। প্রথমে দুর্গা বাড়ী থেকে বের হয়ে আসে। তার হাতে একটা বড় দা থাকে। এর পর একে একে সবাই যার কিছু তাই নিয়ে বাড়ী থেকে বের হয়ে আসে। তাদের সন্মিলিত প্রতিরোধের মুখে জর্নাদন সিকদার পিছু হটে।

(ঢাকাটাইমস/১০অক্টোবর/এজেড)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বিনোদন বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত