মিষ্টির দোকানে পূজার হাওয়া

মোহাম্মাদ মানিক হোসেন, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০১৬, ১৭:৫৮ | প্রকাশিত : ১০ অক্টোবর ২০১৬, ১৪:১৬

ষষ্ঠী পূজা দিয়ে শুরু হয়েছে বাঙালি হিন্দু ধর্মালম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। পূজাকে ঘিরে তাই সর্বত্র উৎসবের আমেজ।

পূজার আনন্দ আরও বাড়িয়ে দিতে মিষ্টির বিকল্প নেই। আর তাই ফুসরত নেই মিষ্টি কারিগরদের। দেবীর বোধন থেকে বিসর্জন পর্যন্ত সর্বত্রই যে মিষ্টির ছড়াছড়ি।

বাবার বাড়িতে দুর্গার আগমন থেকে শুরু করে আবারো স্বামীর বাড়িতে ফিরে যাওয়ার পুরো সময়টাই নানান মিষ্টির আয়োজনে থাকে ভরপুর। তাইতো নানান রঙ ও স্বাদের মিষ্টি বানাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন চিরিরবন্দরের মিষ্টি কারিগররা।

পুরো দিনাজপুর সহ চিরিরবন্দরের বিভিন্ন মিষ্টির দোকান ঘুরে জানা যায়, হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী পাঁচ প্রকার মিষ্টি দিয়ে দেবী দুর্গাকে বরণ করতে হয় আর ভক্তদের মিষ্টি দিয়ে প্রসাদ বিতরণ করতে হয়।

তাছাড়া হিন্দু ধর্মালম্বীরা পূজায় অতিথিদের বরণ করেন মিষ্টিমুখ করিয়ে।

কারণ মিষ্টিকে অনেকেই আনন্দের প্রতীক হিসেবে মনে করেন। তাই মিষ্টির চাহিদা পূরণ করতে ব্যস্ত সময় পার করছে দিনাজপুর সহ চিরিরবন্দরের মিষ্টি কারিগররা। রাতদিন মিলে তাদের কাজ করতে হচ্ছে। তবে এবার দুধের সঙ্কট থাকায় কিছুটা বিপাকে পড়েছেন এখানকার মিষ্টি ব্যবসায়ীরা।

এখানে বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি তৈরি করা হয়ে থাকে। এর মধ্যে দিনাজপুরের বিখ্যাত ছানামুখী, ছানার বরফি, ছানার পোলাও, ছানার আমিত্তি, ছানা ভাজা, ছানা মাছ, মাছের আমিত্তি, বাদশা ভোগ, রাজভোগ, আঙ্গুরী, স্পঞ্জ মিষ্টি, মালাই মিষ্টি, রসমলাই, কদম্ব, ক্ষীর কদম্ব, ক্ষীর জাম, জাফরান ভোগ, মনোরঞ্জন, সেন্ডোজ, চম চম, কাল জাম, লাড্ডু, পেড়া, সন্দেশ, কাঁচাগোল্লা, নিমকি অন্যতম।

দেবী দুর্গার আগমনী বার্তার আনন্দে উদ্বেলিত হিন্দু সম্প্রদায়ের ভক্তরা জানান, দেবী দুর্গার রাতুল চরণে পুষ্পাঞ্জলি আর মিষ্টি প্রদান করতে হয় তাদের। আর অতিথি আপ্যায়নে মিষ্টির বিকল্প নাই।

তাই জেলার চিরিরবন্দরসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে মিষ্টি সংগ্রহ করছেন তারা।

(ঢাকাটাইমস/১০অক্টোবর/প্রতিনিধি/ইএস)

সংবাদটি শেয়ার করুন

ফিচার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত