প্রবাসীদের অর্থমন্ত্রী

বিনিয়োগকারীদের জানান বাংলাদেশে জঙ্গি নেই

ঢাকাটাইমস ডেস্ক
| আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০১৬, ১৫:০৬ | প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর ২০১৬, ১৫:০০

হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের ক্ষতি হয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা শক্ত হাতে মোকাবিলা করেছেন। তার সাহসী ও কঠোর পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশে জঙ্গি নির্মূলের বিষয়টি বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জানাতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানান।

স্থানীয় সময় রোববার দুপুরে নিউইয়র্কে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সংগঠন আমেরিকান বাংলাদেশি বিজনেস অ্যালায়েন্সের এক মতবিনিময় সভায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের কনভেনর সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে ও আশরাফুল ইসলাম বুলবুলের পরিচালনায় সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন কংগ্রেসওম্যান ও বাংলাদেশ ককাসের সদস্য গ্রেস মেং। কি নোট স্পিকার ছিলেন রূপালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আহমেদুল কবির।

আবুল মাল আব্দুল মুহিত কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেংয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘আমেরিকা আমাদের উন্নয়নের প্রশংসা করে। কিন্তু আমাদের জিএসপি সুবিধা দেয় না। কেন আমাদের এই শাস্তি দেয়া হচ্ছে?’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘গত আট বছর ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতি ঊর্ধ্বমুখী। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কারণেই এই সুফল পাচ্ছি আমরা। বিশ্বের মধ্যে আমরা প্রবৃদ্ধিতে মাইলফলক স্পর্শ করেছি। আমাদের প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ অতিক্রম করেছে। বিশ্বে আর দুটি দেশ এই মাইলফলক স্পর্শ করেছে। অন্য দুটো দেশ হলো ভারত ও চীন।’

এই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা এখনকার কাজ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘কিন্তু আমাদের প্রতিবদ্ধকতা হলো জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ। হলি আর্টিজানের জঙ্গি হামলার ঘটনায় আমাদের যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা চিন্তিত হয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শক্ত হাতে সেটা মোকাবিলা করেছেন। তার সাহসী এবং কঠোর ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশ জঙ্গিবাদ নির্মূল হয়েছে।’ এই ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে জানান তিনি।

প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের কোনো স্থান নেই। এই কথাটি প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশে বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করতে পারেন। এই সন্দেহ দূর করতে না পারলে উন্নয়ন ব্যাহত হতে পারে। আমরা ঋণগ্রস্ত দেশ হয়ে যেতে পারি।’ এ ব্যাপারে সবাইকে এগিয়ে আসার তাগিদ দেন তিনি।

কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক আরো সৃদৃঢ় হচ্ছে। আগামী দিনে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই।

আহমেদুল কবীর তার কি নোট স্পিসে বাংলাদেশের গত সাত বছরের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার কথা তুলে ধরেন এবং কিছু সমস্যার কথাও জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে আরো উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন, নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, সেমিনারের চেয়ারম্যান সৈয়দ রহমান মান্নান, চিফ কো-অর্ডিনেটর ডা. মাসুদুল হাসান, সদস্যসচিব বেলাল চৌধুরী, কো-কনভেনর আব্দুস শহীদ, মোস্তফা কামাল, শাহ নেওয়াজ, আবুল ফজল দিদারুল ইসলাম, ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, কো-চেয়ারম্যান মঈন চৌধুরী।

(ঢাকাটাইমস/৩অক্টোবর/মোআ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

প্রবাসের খবর বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত