হাসিনা-মোদি বৈঠকে গুরুত্ব পাবে তিস্তাচুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০১৬, ০৯:১৪ | প্রকাশিত : ১৫ অক্টোবর ২০১৬, ২২:২৬
ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রিকস-বিমসটেক লিডারস আউটরিচ শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য আজ রবিবার ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিম রাজ্য গোয়া যাচ্ছেন। এদিন রাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শেখ হাসিনার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার বিভিন্ন অমীমাংসিত ইস্যু গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা তিস্তাচুক্তির ব্যাপারে ভারতের স্পষ্ট বক্তব্য চাইবে বাংলাদেশ।  

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শেখ হাসিনার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে তিস্তা নিয়ে দিল্লির ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করছে বাংলাদেশ। নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনার সামনে এর গুরুত্ব তুলে ধরতে বাংলাদেশের কূটনীতিকরা জোরদার লবিও করতে শুরু করেছেন। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিস্তা চুক্তি নাকচ করেছেন।

আনন্দবাজার পত্রিকায় বলা হয়েছে, পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য সার্ক সম্মেলন বর্জনে ভারতের সিদ্ধান্তকে প্রথম সমর্থন করেছে বাংলাদেশ। এখন বাংলাদেশ সরকারের দাবি, ভারত এবার অবিলম্বে তিস্তা চুক্তিতে সই করুক।
নয়া দিল্লির কূটনীতিকরা আনন্দবাজার বলছে, শেখ হাসিনার সঙ্গে ১৬ অক্টোবরের বৈঠকে মোদি তিস্তার ব্যাপারে ইতিবাচক বার্তাই দেবেন। আর মমতার আপত্তিও মোদি দ্রুত মেটাতে করতে চাইছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর সচিব ভাস্কর খুলবেকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া তিস্তা নিয়ে সিকিমের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যে বিরোধ চলছে, তাও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার।
সম্প্রতি সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী পবন চামলিং দিল্লি সফরে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি এবং বিদ্যুৎমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক চলাকালে তিনি বলেছেন, তিস্তা চুক্তি সমর্থন করতে তার কোনো অসুবিধা নেই।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমানের একটি ফ্লাইটে রবিবার সকাল ৮টায় ঢাকা ত্যাগ করবেন এবং সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে (ভারতীয় সময়) গোয়া পৌঁছাবেন। তিনি রবিবার বিকালে বিমসটেক লিডারস রিট্রিট এবং ব্রিকস-বিমসটেক লিডারস আউটরিচ শীর্ষ সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন।

সূত্র জানায়, সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রেয়ুট চ্যান-ও-চা, নেপালি প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহালের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।

ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী আলিনা সালদানহা, গোয়া সরকারের সচিব (কোপারেশন) পদ্মা জয়সবাল এবং মুম্বাইয়ে বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার সামিনা নাজ গোয়া নৌ বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৭ অক্টোবর দেশে ফিরবেন।

(ঢাকাটাইমস/১৫অক্টোবর/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত