৯৯৯’র কর্মী পুলিশ যৌতুক মামলায় কারাগারে

প্রকাশ | ২৫ জুন ২০১৮, ২১:০৫ | আপডেট: ২৫ জুন ২০১৮, ২১:২৪

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে এক পুলিশ সদস্যের জামিন আবেদন নাকচ করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সোমবার সাতক্ষীরার আমলি আদালত-৩ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক রাজীব রায় এ আদেশ দেন।

জামিন নামঞ্জুর হওয়া আসামির নাম সিরাজুল ইসলাম। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার নিশ্চিন্তপুর উপজেলার কাচিরগাতি গ্রামের ফজলুল হকের ছেলেও  ঢাকা পুলিশ হেডকোয়ার্টারের ৯৯৯ জাতীয় জরুরিসেবা বিভাগে কর্মরত।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সাত্তার মোড়লের মেয়ে রেখা সুলতানা নদীর সঙ্গে সুনামগঞ্জ জেলার নিশ্চিন্তপুর উপজেলার কাচিরগাতি গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে সিরাজুল ইসলামের বিয়ে হয়। বর্তমানে মিম নামে তাদের দেড় বছরের একটি মেয়ে আছে। যৌতুকের দাবিতে সিরাজুল ও তার বোন হালিমা বেগম মাঝে মাঝে রেখা সুলতানাকে নির্যাতন করত। চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টার দিকে বাপের বাড়ি থেকে তিন লাখ টাকা আনার জন্য রেখা সুলতানাকে চাপ সৃষ্টি করে সিরাজুল ও তার বোন হালিমা। টাকা আনতে অপারগতা প্রকাশ করায় হালিমাকে পিটিয়ে জখম করে সন্তানসহ বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। ২৬ এপ্রিল বিকাল ৫টার দিকে সিরাজুল ও হালিমা টাকা নেয়ার জন্য রেখা সুলতানার বাপের বাড়িতে আসে। একপর্যায়ে টাকা না নিলে তাকে তালাক দেয়া হবে বলে জানিয়ে যায়। এ ঘটনায় গত ১০ মে রেখা সুলতানা বাদী হয়ে সাতক্ষীরা আমলি আদালত-৩ এ যৌতুকের মামলা করেন। মামলায় সিরাজুল ও তার বোন হালিমাকে আসামি করা হয়।

বিচারক শুনানি শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ দেন। সমন পেয়ে তারা দুইজন সোমবার আদালতে এসে জামিনের আবেদন জানালে বিচারক রাজীব রায় সিরাজুলকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অপর আসামি হালিমাকে আগামী ধার্য তারিখ পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. আশরাফুজ্জামান, অ্যাড. বাসারাতুল্লাহ ঔরঙ্গী, অ্যাড. তারক নন্দী, অ্যাড. হাবিব ফেরদৌস শিমুল।

আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. শাহ আলম ও অ্যাড. আল আমিন।

(ঢাকাটাইমস/২৫জুন/প্রতিনিধি/এলএ)