লালমনিরহাটে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আ.লীগ-ছাত্রলীগের একাত্মতা

লালমনিরহাট প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ০৪ আগস্ট ২০১৮, ১৭:৩১

‘নিরাপদ সড়ক চাই’ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছেন লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতারা।

আজ শনিবার (৪ আগস্ট) শহরের মিশন মোড় চৌরাস্তায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচিতে গিয়ে নেতারা এই একাত্মতা ঘোষণা করেন।

আজ সকাল ১০টার দিকে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শত শত শিক্ষার্থী শহরের মিশন মোড় চৌরাস্তায় অবস্থান নেয়। পরে সাড়ে ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে ঢাকা-বুড়িমারী মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। এ সময় ওয়ান ওয়ে দিয়ে যান চলাচল করায় দেড় কিলোমিটার জুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে আরও কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এসে অবস্থান নেয়। আর তাতে জায়গাটি পরিণত হয় জনসমুদ্রে।

এরপর শুরু হয় গাড়ির লাইসেন্স পরীক্ষা। এ সময় ট্রাফিক পুলিশ গাড়ির কাগজপত্র যাচাই করতে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করেন।

শিক্ষার্থীদের শান্তিপ্রিয় কর্মসূচিতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলীসহ অন্য নেতারা একাত্মতা ঘোষণা করেন।

এদিকে শিক্ষার্থীদের লাইসেন্স পরীক্ষার সময় গাড়ি না থেমে চলে যাওয়ার সময় পেছন থেকে কে বা কারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এসি ল্যন্ড) সামিউল আমিনের সরকারি গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে ফেলে। শিক্ষার্থীদের দাবি, কে বা কারা তাদের শান্তিপ্রিয় কর্মসূচিতে ঢুকে সরকারি গাড়ি ভাঙচুর করেছে।

দুপুর ১২টার দিকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে গিয়ে একাত্মতা ঘোষণা করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমাদের দাবি-দাওয়া ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী মেনে নিয়েছেন। তোমরা এখন ঘরে ফিরে যাও। এ ছাড়া কোনো সমস্যা বা দাবি থাকলে তোমরা আমাকে বলো আমি তোমাদের দাবি মেনে নেব।’

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এন এম নাসির উদ্দিনসহ আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে শিক্ষার্থীরা কিছুক্ষণের জন্য রাস্তা ছাড়লেও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চলে যাওয়ার পর আবার রাস্তায় অবস্থান নেয়। এ সময় তারা ‘নিরাপদ সড়ক চাই’, ‘বেপোরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো ড্রাইভারের ফাঁসি চাই’, ‘দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকার রাস্তায় স্পিডব্রেকার চাই’, ‘ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় চলাচল বন্ধ করতে হবে’, ‘অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়া যাবে না’, ‘শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে’ ইত্যাদি নানা দাবিসংবলিত ফেস্টুন প্রদর্শন করে স্লোগান দিতে থাকে। এভাবে বেলা তিনটা পর্যন্ত চলে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি।

(ঢাকাটাইমস/৪আগস্ট/মোআ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :