মানচিত্র থেকে ‘বিলীন’ হচ্ছে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা

এস কে সাহেদ, লালমনিরহাট
 | প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর ২০১৮, ১৬:৪৮

লালমনিরহাটে নদীতে প্রতিনিয়তই বিলীন হচ্ছে বিলুপ্ত ছিটমহল দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা এলাকা। তিস্তার গতিপথ পরিবর্তন হয়ে জেলার পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা এলাকার দিকে ধাবিত হচ্ছে। এতে প্রতিনিয়তই ফসলি জমিসহ নানা স্থাপনা হারাচ্ছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা বলছেন, তিস্তা নদীর অব্যাহত ভাঙনে ছোট হয়ে আসছে ওই এলাকার আয়তন। ইতোমধ্যে কয়েকশ ঘর-বাড়িসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। প্রতিনিয়ত তিস্তা গিলে খাচ্ছে একের পর এক বসতঘর।

সরেজমিনে জানা যায়, ২ দশমিক ৬৪ বর্গমিটার আয়তনের দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা  বিলুপ্ত  ছিটমহলের তিনদিকে ভারতীয় ভূখণ্ড। আর একদিকে তিস্তা।

দহগ্রামের শুধুমাত্র কাদেরের চরের আয়তন ছিল ১২শ মিটার। এর মধ্যে প্রায় ৫০০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অন্যান্য অংশেও ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

ভাঙন ঠেকানো না গেলে কিছুদিনের মধ্যেই মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা বিলুপ্ত ছিটমহল।

বিলুপ্ত ছিটের বাসিন্দা হযরত আলী, আজিজুল ইসলাম ও মনছুর আলী জানান, তিস্তা তাদের জীবন উলটপালট করে দিয়েছে। ধান, পাটসহ বিভিন্ন ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখন তারা পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।

দহগ্রাম সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেজানুর রহমান  জানান, দহগ্রামের দুর্গম চর এবং গ্রামের রাস্তা-ঘাট ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে। অবিলম্বে সিসি ব্লক না দিলে এগুলো রক্ষা করা সম্ভব হবে না। আর নেমে আসবে দুর্যোগ।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, দহগ্রামে তিস্তার ভাঙনরোধে একটি প্রকল্প একনেকে পাস হয়েছে। বর্ষা মৌসুম শেষে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।

ঢাকাটাইমস/০৩অক্টোবর/প্রতিনিধি/ওআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :