গানের পাখি হীরক

প্রকাশ | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৬:৪৩

মেহেদী জামান লিজন

মো. খাইরুল ইসলাম হীরক। পড়েন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যার এই শিক্ষার্থীর আরেকটা পরিচয় আছে। গায়ক হিসেবেও তাকে অনেকে চেনেন। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা। হীরক সেখানে যেন গানের পাখি। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হলেই সবার আগে তার ডাক পড়ে। 

ছোটবেলা থেকে হীরকের গানের প্রতি বেজায় দরদ। গানের প্রতি আগ্রহের কারণে তালিম নিয়েছেন উস্তাদ ফারুক হাসান নিখুর কাছে। ক্যাম্পাসে গান গাওয়ার পাশে নিজ জেলা, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গান গাইবার আমন্ত্রণ আসে। ময়মনসিংহ তথা আশপাশের জেলাগুলোতে হীরক মানেই গানের পাখি। 

মা, মাটি ও মানুষের গানকে ভালোবেসে লোকজ গানে হীরকের অকৃত্রিম ভাবাবেগ। তাই তো লোকজ গান গেয়ে চলেছেন আপন মনে। নিজস্ব ভঙ্গিমা আর মিষ্টি কণ্ঠ দিয়ে শোতাদের মন জয় করেছেন। 

স্কুলজীবন থেকে বিশ্ববিদ্যালয় অবধি কয়েকশ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে গান গেয়ে মন ভরিয়েছেন। 

গানের পাশাপাশি তিনি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গেও যুক্ত আছেন। ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে জঙ্গিবাদবিরোধী সচেতনতা, ইসলামী সংগীতের প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করে আসছেন। পাশাপাশি স্কুল-কলেজে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির জনকল্যাণমুখী জনসচেতন কাজ করেও তার অংশ রয়েছে। এ জন্য পেয়েছেন স্বীকৃতিও।

২০১৭ সালে বাংলাদেশ পয়েটস ক্লাব ও বাংলাদেশ শিশুমেলা সোসাইটি কর্তৃক বাংলাবীর ‘ঈশা খাঁ’ সম্মাননা এবং হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটির ‘মানবাধিকার পদক ২০১৭’ পেয়েছেন হীরক।

হীরক বলেন, ‘আমি প্রতিনিয়ত শিখি। শেখাটা সবার কাছ থেকেই। গান আমার ভালোলাগার জায়গা। সংগীত ও স্বেচ্ছাসেবী কাজের মাধ্যমে সবাইকে ভালো কিছু উপহার দেবার স্বপ্ন দেখি।’

(ঢাকাটাইমস/২৩ডিসেম্বর/এজেড)