তুলায় তুলতুলে আয়

জামালপুর প্রতিবেদক
 | প্রকাশিত : ১৩ জানুয়ারি ২০১৯, ১৫:৪৬

জামালপুরের চরাঞ্চলের পতিত জমিতে অন্য ফসল তেমন একটা ভালো হয় না। অধিক খরচ আর কঠোর পরিশ্রমের বিষয় তো আছেই। ফলে কৃষকদের লোকসান গুনতে হয়। সেই ‘বিরস’ মাটিতেই অল্প খরচ আর স্বল্প পরিশ্রমে ফলছে তুলতুলে তুলা। আর তাতে লাভবান হচ্ছে কৃষক। সাদা ধবধবে তুলার ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় খুশি তুলাচাষিরা।
বিক্রি নিয়েও দুশ্চিন্ত নেই। তুলায় তুলতুলে আয় নিশ্চিত। তুলা উন্নয়ন বোর্ডের এ রকম নানা সহায়তায় কৃষকরা আগ্রহী হয়ে উঠছেন তুলা চাষে। ফলে প্রতি বছর বাড়ছে তুলা চাষ। 

জেলার উৎপাদিত তুলা দেশের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন স্থানীয় তুলা কর্তৃপক্ষ। 

জামালপুর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে জামালপুরে ২২৫ হেক্টর জমিতে সিবি-১২ ও ১৪ উচ্চফলশীল, সিবি-১ হাইব্রিট এবং রুপালি-১ ও ডিএম-৩ হাইব্রিট জাতের তুলা চাষ হয়েছে। এ অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া তুলা চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় চরাঞ্চলের পতিত জমিতে তুলা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা।

জামালপুর সদরের পাথালিয়ার নাওভাঙ্গাচরের তুলাচাষি লোকমান হাকিম বলেন, চরের এসব জমিতে অন্য ফসল তেমন একটা হয় না। কিন্তু প্রতি বিঘা জমিতে ১২ থেকে ১৫ মণ তুলা উৎপাৎন হয়।

এবার প্রতি মণ তুলা ২৫০০ টাকা নির্ধারণ করায় তারা লাভবান হবেন এবং আগামীতে তুলা চাষ আরও বাড়বে বলে জানান তিনি। 

তুলা চাষে আগ্রহী হওয়ার কারণ হিসেবে একই এলাকার কৃষক আব্দুল মজিদ জানান, চরের জমিতে আখ ও অন্য ফসলের চেয়ে তুলা চাষে খরচ ও পরিশ্রম কম। এবার তার দুই বিঘা জমিতে তুলা চাষ করতে খরচ হয়েছে ১৫ হাজার টাকা। উৎপাদিত তুলা বিক্রি করে ৩০ হাজার টাকা আয় হবে বলে আশা করছেন তিনি।
 
স্থানীয় কৃষকদের প্রশিক্ষণ, বীজ দেয়াসহ তুলা চাষে উদ্বুদ্ধ করছে জামালপুর তুলা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন জানান, এ বছর ২২৫ হেক্টর জমিতে তুলা চাষ হয়েছে। এবার ৮৫০ মেট্রিক টন তুলা উৎপাদন হবে বলে আশা করছেন তারা। উৎপাদিত তুলা দেশের চাহিদার একটা অংশ পূরণে ভূমিকা রাখবে।

(ঢাকাটাইমস/১৩জানুয়ারি/মোআ) 

সংবাদটি শেয়ার করুন

ফিচার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত