‘টাকা তুলতে যাওয়া’ ছাত্রলীগের মারামারি, পল্টনের সভাপতিসহ আটক ১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:২৬ | প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:০৬

রাজধানীর পল্টনে আজাদ সেন্টারে ‘টাকা আদায় করতে যাওয়া’ ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির পর ১৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকদের একজন পল্টন থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ মিরন।

আটক ছাত্রলীগ কর্মীরা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের ওপরও হামলা করে বলে অভিযোগ আছে। আর এই ঘটনায় শেখ মিরনসহ ছাত্রলীগের আটক কর্মীর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর এই ঘটনা ঘটে বলে ঢাকা টাইমসকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ কমিশনার আনোয়ার হোসেন।

এই ঘটনা কেন ঘটেছে, সে বিষয়ে দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা জানান, তুহিন নামে একজনের কাছ থেকে ‘পাওনা টাকা’ আনতে যাওয়ার পর এই ঘটনা ঘটেছে। তবে তুহিনের অভিযোগ, তার কাছে চাঁদাবাজি করতে গিয়েছিল ছাত্রলীগ কর্মীরা।

পুলিশ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, আজাদ সেন্টারের ১৮ তলায় তুহিন নামে একজন ‘প্রতারকের’ কাছে পাওনা টাকা আদায় করতে যান ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী। তবে এই টাকা তারা পেতেন না। অন্য একজন পেতেন। আর তাদের হয়েই যেখানে যায় ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা।

সেখানে পাওনা টাকা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেও পারেনি। এ পর্যায়ে দুই পক্ষের ১৭ জনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। যারাই দোষী তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে- বলেন ডিএমপির উপকমিশনার আনোয়ার।

তুহিন অবশ্য পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন যে, ছাত্রলীগের ছেলেরা তার কাছে চাঁদাবাজি করতে এসেছিল। উপ কমিশনার জানান, দুইপক্ষের অভিযোগ নেওয়া হবে। যে দোষী তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার শিবলী নোমান জানান, পুলিশ থামাতে গেলে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা পুলিশ এবং আনসার সদস্যদেরও মারধরর করে। এতে তিনজন আহত হন।

এই ঘটনায় পল্টন থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ মিরনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা করা হবে বলে জানান শিবলী নোমান।

ঢাকাটাইমস/২২জানুয়ারি/এসএস/ডব্লিউবি

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজধানী বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত