১৭৪৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ

জাজের মালিক আজিজ ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে পাঁচ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
| আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৮:০৪ | প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:০২

জনতা ব্যাংক থেকে এক হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ক্রিসেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ কাদের এবং তার ভাই জাজ মাল্টিমিডিয়ার মালিক ও ক্রিসেন্ট ফুটওয়্যারের চেয়ারম্যান এম এ আজিজের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক।

রবিবার চকবাজার থানায় মামলাগুলো করা হয়। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান, অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত শেষে গত সপ্তাহেই দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

এসব মামলায় সোনালী ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক জাকির হোসেনসহ ২২ জনকে আসামি করা হয়।

চকবাজার থানায় করা তিন মামলায় ক্রিসেন্ট লেদার প্রোডাক্টস, রিমেক্স ফুটওয়্যার ও ক্রিসেন্ট ট্যানারিজ লিমিটেডের বিরুদ্ধে যথাক্রমে ৪২২ দশমিক ৪৬ কোটি টাকা, ৪৮১ দশমিক ২৬ কোটি টাকা ও ১৫ দশমিক ৮৪ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

তিন মামলায় আসামিরা হলেন: ক্রিসেন্ট লেদার ও ক্রিসেন্ট ট্যানারিজের চেয়ারম্যান এম এ কাদের, তার মেয়ে সামিয়া কাদের নদী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুলতানা বেগম মনি, রিমেক্স ফুটওয়্যারের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ ও এমডি লিটুল জাহান (মিরা), জনতা ব্যাংকের ডিএমডি (সোনালী ব্যাংকের তৎকালীন জিএম) জাকির হোসেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ডিএমডি (তৎকালীন জিএম জনতা ব্যাংক) ফখরুল আলম, জিএম রেজাউল করিম, ডিজিএম কাজী রইস উদ্দিন আহমেদ, জিজিএম এ এস এম শরিফুল ইসলাম, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার বাহারুল আলম, এ কে এম আসাদুজ্জামান, মো. ইকবাল, এজিএম (বরখাস্ত) আতাউর রহমান সরকার, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (বরখাস্ত) খায়রুল আমিন, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (বরখাস্ত) মগরেব আলী, প্রিন্সিপাল অফিসার (বরখাস্ত) রুহুল আমিন, সিনিয়র অফিসার (সাময়িক বরখাস্ত) সাইদুজ্জাহান, মনিরুজ্জামান ও আবদুল্লাহ আল মামুন।

এর আগে ক্রিসেন্ট গ্রুপের কাছ থেকে মোট সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকারও বেশি উদ্ধারে মোট পাঁচটি মামলা করেছে জনতা ব্যাংক।

এসব মামলার মধ্যে রিমেক্স ফুটওয়্যারের কাছে এক হাজার ১৩৪ কোটি ৯ লাখ, রূপালী কম্পোজিট লেদারওয়্যারের কাছে ৯২৩ কোটি ৫৯ লাখ, ক্রিসেন্ট লেদার প্রোডাক্টসের কাছে ৮৯৪ কোটি ৯২ লাখ, লেক্সকোর কাছে ৪৪৬ কোটি ২৬ লাখ ও ক্রিসেন্ট ট্যানারিজের কাছে ১৭৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে।

গত ৩০ জানুয়ারি ৯১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে পাচারের দায়ে এম এ কাদের ও সরকারি ব্যাংকের দুই ডিএমডিসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

এ ঘটনায় ওই দিনই ক্রিসেন্ট লেদার প্রোডাক্টস ও ক্রিসেন্ট ট্যানারিজের চেয়ারম্যান এম এ কাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

বিনোদন বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :