‘১৫ ফেব্রুয়ারির কলঙ্ক নিয়ে কীভাবে সুষ্ঠু ভোটের কথা বলে বিএনপি’

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:৫৩ | প্রকাশিত : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:২০

বাংলাদেশে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির মতো প্রহসনের নির্বাচন আর হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। প্রশ্ন তুলেছেন, ওই কলঙ্ক মুখে বিএনপি কীভাবে নির্বাচনে শুচিতার কথা বলে।

শুক্রবার সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নে এসব কথা বলেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলনে থাকা আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে যায়নি। আর একতরফা নির্বাচনে জিতে বিএনপি ক্ষমতায় আসে। ওই নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফলও পাওয়া যায় না।

কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের মেমোরি এতো শর্ট না। মনে রেখেছে। তারা (বিএনপি) যখন নির্বাচনে জালিয়াতি আর কারচুপির কথা বলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা বলে। তখন তারা ভুলে যায় তারাও এদেশে ১৫ ফেব্রুয়ারি জালিয়াতির নির্বাচন করেছে।’

‘১৫ ফেব্রুয়ারির মতো প্রহসনমূলক নির্বাচন আর বাংলাদেশে হয়নি। ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন করার কলঙ্কে যারা কলঙ্কিত তাদের মুখে কোন নির্বাচনের শুচিতা, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা কি উচিত?’- বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন রাখেন কাদের।

আওয়ামী লীগের কোন্দল বাড়াতে বিএনপি উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না বলে মনে করেন নি, এমন প্রশ্নে কাদের বলেন, ‘মনে মনে মন কলা খেতে পারে। এখানে বিএনপি অংশ না নিলে আওয়ামী লীগের অন্তঃকলহ বাড়বে, তাতে বিএনপির লাভটা কী? রেজাল্ট কি তাদের পক্ষে আসবে?’

‘আওয়ামী লীগের যদি নৌকা প্রার্থী না জেতে, তাহলে বিদ্রোহী প্রার্থী জিতবে। সেও তো আওয়ামী লীগের, তাতে বিএনপির লাভ কী?’

‘বিদ্রোহী প্রার্থী হলে সেও তো আওয়ামী লীগের। তারা কোন রেজাল্ট এখানে পাচ্ছে না।’

উপজেলা নির্বাচনে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে তাকে বহিষ্কার হবে কি না এমন প্রশ্নে কাদের বলেন, ‘দেখুন, এইটা বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার আগে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আগে আমি কেউ বিদ্রোহী এই কথাটা তো আমি বলতে পারি না। কাজেই আগে আমরা দেখছি যে, নির্বাচনে প্রার্থিতা ঘোষণা করে। এর পর যদি কেউ বিদ্রোহ করে তখনকার বিষয়টা আমরা তখন দেখব।’

‘এখন তো আমাদের যেটা কাজ সেটা হলো, বিদ্রোহী আছে কি না সেটা দেখব। প্রার্থিতা জমা দেওয়া থেকে প্রত্যাহার পর্যন্ত তো অপেক্ষা করতে হবে।’

ঢাকা সিটি করপোরেশনে কাউন্সিলরের মতো উপজেলায় চেয়ারম্যান পদও উন্মুক্ত থাকবে কি না, এমন প্রশ্নে জবাব আসে, ‘ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে আমাদের কোন দলীয় প্রতীক নাই, কিন্তু উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদগুলো উন্মুক্ত করে দিয়েছি। যাতে করে সেখানে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতার একটা সুযোগ থাকবে। কিন্তু উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আমরা আমাদের নৌকা প্রতীক দিয়েছি, উপজেলা চেয়ারম্যান পদ আমরা উন্মুক্ত করিনি।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, কার্যনির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :