খালেদার রাষ্ট্রদ্রোহসহ ১১ মামলায় শুনানি পিছিয়ে ৪ মার্চ

আদালত প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস
 | প্রকাশিত : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:১২

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হত্যা ও রাষ্ট্রদ্রোহসহ ১০ মামলায় অভিযোগ (চার্জ) গঠন ও একটি মামলায় চার্জশিট আমলে গ্রহণের শুনানি পিছিয়ে আগামী ৪ মার্চ ধার্য করেছেন আদালত।

রবিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েসের আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এ দিন ধার্য করেন।
পুরান ঢাকার বকশিবাজারের অস্থায়ী আদালতে মামলার প্রধান আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় কারাগারে থাকায় সময়ের আবেদন জানান তার আইনজীবীরা।

মামলাগুলোর মধ্যে একটি রাষ্ট্রদ্রোহের, দারুসসালাম থানার আটটি নাশকতার ও যাত্রাবাড়ী থানার হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে একই ঘটনার দুটি মামলা। 

যাত্রাবাড়ী থানার নাশকতার দুই মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে যাত্রাবাড়ীর কাঠেরপুল এলাকায় গ্লোরি পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রলবোমা হামলায় ২৯ যাত্রী দগ্ধ হন। পরে দগ্ধ যাত্রী নূর আলম মারা যান। ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল খালেদা জিয়াসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। মামলায় উল্লেখযোগ্য অপর আসামিরা হলেন- এম কে আনোয়ার, রুহুল কবির রিজভী, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, আমানউল্লাহ আমান, বরকত উল্লাহ বুলু, খন্দকার মাহবুব হোসেন, শওকত মাহমুদ প্রমুখ।

২০১৫ সালে দারুসসালাম থানা এলাকায় নাশকতার অভিযোগে অন্য আটটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে ওই মামলাগুলোয় খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে চার্জশিট দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে’ খালেদা জিয়া বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক আছে। আজকে বলা হয়, এতো লাখ লোক শহীদ হয়েছে। এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ না করে খালেদা জিয়া দাবি করেন, ‘তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ হতো না।’  

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনে ২০১৬ সালের ২৫ জানুয়ারি ঢাকার সিএমএম আদালতে মামলাটি করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক ড. মোমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী। পরে মামলাটি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লার আদালতে আসে। ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট পুলিশের দেওয়া চার্জশিট আমলে নেন আদালত।
ওই ১১টি মামলার বিচার এর আগে সদরঘাটের আদালতে হলেও গত বছরের ৮ জানুয়ারি সরকার আটটি মামলার বিচার বকশিবাজার আলিয়া মাদ্রাসার অস্থায়ী আদালতে চলার প্রজ্ঞাপন জারি করে। 

(ঢাকাটাইমস/১৭ ফেব্রুয়ারি/প্রতিবেদক/এআর)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আদালত বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :