শিক্ষার্থীরা চাইলে শপথ নেবেন ডাকসু ভিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৩ মার্চ ২০১৯, ১৭:০১ | প্রকাশিত : ১৩ মার্চ ২০১৯, ১৬:৫৬

শিক্ষার্থীরা চাইলেই শপথ নেবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নব নির্বাচিত ভিপি নরুল হক নুর। একইসঙ্গে নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে দাবি করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুনর্নির্বাচনও চান কোটা আন্দোলনের মাধ্যমে উঠে আসা এ ছাত্রনেতা।

বুধবার মুহসীন হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নুর এসব কথা বলেন। ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী নুর এই হলেরই আবাসিক ছাত্র।

প্রায় তিন দশক পর সোমবার অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে ভোট বর্জন করেও সহসভাপতি (ভিপি) পদে নির্বাচিত হয়েছেন নুরুল হক নুর। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত হয়েছেন ছাত্রলীগের গোলাম রাব্বানী। সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) হয়েছেন সাদ্দাম হোসেন।

ডাকসু ভিপি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চাইলে আমি শপথ নেবো। আর তারা না চাইলে শপথ নেবো না।’

নুর আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা আমাকে ভোট দিয়েছেন। তারাও এই নির্বাচন বাতিল করে পুনর্নির্বাচন চায়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একমত হয়ে সব পদে ৩১ মার্চের মধ্যে নির্বাচন চাই।’

ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ছাত্রলীগের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে বিভিন্ন সময় লাঞ্ছিত করা হয়েছে। ভোটের দিনেও রোকেয়া হলে তারা (ছাত্রলীগ) আমার ওপর হামলা চালিয়েছে।’

‘তবে মঙ্গলবার আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক শোভন আমাদের সহযোগিতার কথা বলেছেন। এজন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’

এর আগে দুপুরে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে পুনর্নির্বাচন চেয়ে পাঁচটি প্যানেলের পক্ষে স্মারকলিপি দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভিপি বলেন, ‘নির্বাচনে কারচুপি করা হয়েছে। বেশি জনপ্রিয় হওয়ায় তাদের দুজনকে (নুর ও আখতার) হারাতে পারেনি। কিন্তু ঠিকই অন্য যোগ্য প্রার্থীদের জিততে দেওয়া হয়নি।’

এসময় কয়েক হাজার শিক্ষার্থী সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। নুর বক্তৃতা দেওয়ার সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

অবস্থান কর্মসূচিতে বাম জোটের ভিপি প্রার্থী লিটন নন্দী বলেন, ‘আমরা এই নির্বাচনের ফলাফল মানি না। দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে। তিন দিনের মধ্যে ঘোষণা দিতে হবে।’

ডাকসু নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী রাশেদ খান বলেন, ‘আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। আমরা এ ফলাফল মানি না।’

ডাকসুর মোট ২৫টি পদের মধ্যে ২৩টিতেই ছাত্রলীগের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। ১৮টি হল সংসদের মধ্যে ১২টিতে ভিপি পদে জয়ী হয়েছে ছাত্রলীগ। বাকি ছয়টি হলে ভিপি পদে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

(ঢাকাটাইমস/১৩মার্চ/বিইউ/ডিএম)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :