গাইবান্ধায় স্কুলশিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিভাবকের অভিযোগ

গাইবান্ধা প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ১৯ মার্চ ২০১৯, ১৮:০৯

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের সহকারী শিক্ষক সারমিন জাহানের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক জাভেদ হোসেন। মঙ্গলবার ভুক্তভোগী সাংবাদিক এ অভিযোগ করেন।

জাভেদ হোসেন অভিযোগে উল্লেখ করেন, ‘তিনি সকাল ৮টায় তার কেজি ক্লাসের মেয়েকে নিয়ে স্কুলে যান এবং সিটি পরীক্ষার জন্য সিটিখাতা কিনতে স্কুলে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি সিটি খাতা চাইলে স্কুলের পিয়ন তাকে বাইরের জানালায় কাউন্টারে যেতে বলে। তিনি কাউন্টারে গিয়ে অপেক্ষার সময় ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের গোলোযোগ দেখে দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষক সারমিন জাহানকে সুশৃঙ্খল নিয়মে সিটি খাতা প্রদান করার অনুরোধ জানান। এ কথায় তিনি উত্তেজিত হয়ে স্কুলের আয়া, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক এবং তার মেয়ের সামনে তাকে অপমানজনক কথা বার্তা বলেন এবং তার কেজি ওয়ান শ্রেণির মেয়েকে সিটি খাতা দেবে না বলে হুমকি দেন। এক পর্যায়ে সেখানকার আরও একজন সহকারী শিক্ষক ও ক্যাশিয়ার জান্নাতুল ফেরদৈাস জান্নাতকে অভিভাবক জাভেদ বিষয়টি জানালে তিনি তাকে অফিস কক্ষে বসিয়ে রেখে দীর্ঘক্ষণ পর সিটি খাতা নিয়ে আসেন। ততক্ষণে স্কুলের এ্যাসেম্বিলি শেষ হয়ে সকল ছাত্র-ছাত্রী ক্লাসে প্রবেশ করে এবং ক্লাস শুরু হয়ে যায়।’

জাভেদ হোসেন বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানান।

এ ব্যাপারে স্কুলের আয়া জাহানারা বলেন, ‘জাভেদ ভাই স্কুলে খুব ভদ্রভাবে এসে বাচ্চাকে রেখে যান আবার ছুটি হলে এসে নিয়ে যান আমি তাকে স্কুলের শুরু থেকে দেখে আসছি তার বড় মেয়েও এখানে পড়ত। আজকে তার সাথে সারমিন ম্যাডাম যে বাজে ব্যাবহার করেছেন দেখে আমারই খারাপ লেগেছে।’

স্কুলের সহকারী শিক্ষক ও ক্যাশিয়ার জান্নাতুল ফেরদৈাস জান্নাত বলেন, ‘কেজি ওয়ান শ্রেণির ছাত্রীর অভিভাবকের সাথে এমন আচরণের বিষয়টি আমি জানি। জাভেদ ভাই সকালে আমাকে অফিসে এসে বলার সাথে সাথে আমি তাকে অফিসে বসিয়ে রেখে তার মেয়ের জন্য সিটি খাতা আনতে যাই এবং সারমিন জাহান যে তাকে লাঞ্ছিত করেছেন এটা তার কথায় আমি বুঝতে পারি- যা কোনভাবেই ঠিক হয়নি।’

অভিযুক্ত শিক্ষক সারমিন জাহানের বিষয়টি অস্বীকার করেন। বলেন, ‘আমি তার সাথে কোন খারাপ আচারণ করিনি।’

স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সোমা সেন বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। দেখি জেলা প্রশাসক স্যার আমাকে কি নির্দেশ দেন। তার নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

জেলা প্রসাশক আবদুল মতিন অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘আমি সরকারি কাজে রংপুর অবস্থান করছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

(ঢাকাটাইমস/১৯মার্চ/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :