চক্ষু চিকিৎসক সমিতির জাতীয় সম্মেলন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২১ মার্চ ২০১৯, ২৩:৫৯

বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসক সমিতির (ওএসবি) ৪৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও জাতীয় সম্মেলন শেষ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এর উদ্বোধন হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। বাংলদেশ চক্ষু চিকিৎসক সমিতির  (ওএসবি) সভাপতি অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদের  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ আলীম চৌধুরীর সম্মানে আলীম মেমোরিয়াল লেকচার প্রদান করেন অরবিন্দ আই কেয়ার সিস্টেম, মাদুরাইয়ের চেয়ারম্যান আর দি রভিন্দ্রন, ডা, রভিন্দ্রন ক্যাটারেক্ট সার্জারীতে উন্নত প্রযুক্তি ও ইনফেকশন কন্ট্রোল নিয়ে আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক দীন মোহাম্মদ নূরুল হক। তিনি ভিশন ২০২০ বাস্তবায়নে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ, বিশেষ করে বেগম ফজিলাতুন্নেসা বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতাল কর্তৃক পরিচালিত ভিশন সেন্টারের কার্যক্রম বর্ণনা করেন।

উল্লেখ্য অরবিন্দ আই কেয়ার সিস্টেমের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে সকল ভিশন সেন্টার। বাংলাদেশের চক্ষু চিকিৎসক ও টেকনিশিয়ানদের প্রশিক্ষণ প্রদান করছেন অরবিন্দ আই কেয়ার সিস্টেম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আভা হোসেন বাংলাদেশের চক্ষু চিকিৎসকদের আরো বেশী করে তাঁদের গবেষণা কার্য এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমিতে পাঠানোর আহবান জানান।

অধ্যাপক সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী তাঁর বক্তব্যে বলেন, চিকিৎসকদের মান উন্নয়নে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। এই সম্মেলন তাদের জ্ঞান অর্জনে সাহায্য করবে।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ২০২০ সালের মধ্যে দেশ থেকে অন্ধত্ব দূরীকরণ হবে।

প্রধান অতিথির স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেক এম.পি বলেন, বাংলাদেশে এখন ভিটামিন-এ জনিত অন্ধত্বের হার অনেক কমেছে। অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল হওয়ায় মানুষ পুষ্টিকর খাবার খেতে পারেন। অন্ধত্বদূরীকরণে এবং চক্ষু চিকিৎসা সেবায় চক্ষু চিকিৎসকদের নিরলস কার্যক্রমের ভুয়সী প্রশংসা করে মন্ত্রী সকল চিকিৎসকদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন চারটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, অনেক ইনস্টিটিউট ইতিমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে। সকল অর্জনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান কৃতজ্ঞতার সাথে স্বরণ করেন। তিনি জানান যে, অচিরেই ১০,০০০ নতুন চিকিৎসকদের নিয়োগ দেওয়া হবে। তিনি তার ১০০ দিনের কার্যক্রম বর্ণনা করে জানান যে, অচিরেই চিকিৎসকদের পদোন্নতি দেওয়া হবে। তিনি ওএসবি চক্ষু হাসপাতালকে সেন্টার অব এক্সিলেন্স প্রতিষ্ঠার জন্য তাঁর পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতার অঙ্গীকার করেন। চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় তার পরিকল্পনার কথা জানান।

ডা. জাহিদ মালেক বলেন, প্রতি জেলায় একটি করে কিডনি ও ক্যান্সার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রতিটি হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ ও যন্ত্রপাতি নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদকে আলীম মেমোরিয়াল গোল্ড মেডেল প্রদান করা হয়।

ঢাকাটাইমস/২১ মার্চ/এএ/ইএস

সংবাদটি শেয়ার করুন

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :