এসএমই মেলায় বৈশাখের কেনাকাটা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৩ মার্চ ২০১৯, ১৭:২৮ | প্রকাশিত : ২৩ মার্চ ২০১৯, ১৭:১৭

প্রকৃতিতে এরইমধ্যে বৈশাখের আবহ। বাংলা নববর্ষের প্রথম মাসটিকে ঘিরে জমছে বেচাকেনা। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই) পণ্য মেলাও বৈশাখের নানা পণ্যে জমজমাট।

জাতীয় এসএমই পণ্য মেলার শেষ দিনে শনিবার ক্রেতা-দর্শণার্থীদের ভিড়ে মুখর। ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই মেলা চলছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গোছালো পরিবেশে এসএমই মেলায় প্রয়োজনীয় সব পোশাক মিলছে। ক্রেতা দর্শনার্থীদের সুবিধায় কয়েকটি জোনে ভাগ করা হয়েছে মেলা। মেলা ঘুরে ঘুরে পছন্দের নানা পণ্য কেনার সুযোগ রয়েছে। মেলায় প্রায় তিনশ উদ্যোক্তা অংশ নিয়েছে মেলায়। তার মধ্যে ১৫০ উদ্যোক্তা পোশাক বিক্রয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

পহেলা বৈশাখে যেহেতু গরম থাকবে তাই ক্রেতাদের আগ্রহের বিষয়টি বিবেচনা করে আবহাওয়া উপযোগী আরামদায়ক সুতি পোশাক দিয়ে সাজানো বেশিরভাগ স্টল। বিভিন্ন প্রিন্ট ও হাতের কাজের মাধ্যমে শাড়ি, থ্রি-পিস শার্ট, পাঞ্জাবি, ফতুয়া ও শিশুদের পোশাক তৈরী করা হয়েছে। দেশীয় কাপড়ে বৈশাখী আমেজের রঙে ও নকশায় এসব পোশাক। রয়েছে নান্দনিক নান্দনিক গহনা। ছেলেদের শর্ট পাঞ্জাবি আর লং পাঞ্জাবিতে থাকছে এম্রডারি, প্রিন্ট বা এপ্লিকের কাজ। রয়েছে বিভিন্ন ডিজাইনের শার্ট।

কাজল বুটিকের স্বত্বাধিকারী ইসরাত কিবরিয়া ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘বিভিন্ন উৎসবে এখান দেশি পোশাকের দিকে ঝোঁক। ক্রেতারা চায় দেশি পোশাক কিনতে। বর্ষবরণে দেশি পোশাক আমাদের ঐতিহ্যের অংশ।’

পূর্ণতা স্টলের সত্ত্বাধিকারি মৌমিতা সামাদ ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘বৈশাখকে কেন্দ্র করে আমরা পোশাকের ডিজাইনে ভিন্নতা এনেছি। আমরা সুতির সঙ্গে মিরপুরের বেনারসি, কাতান কাপড় দিয়ে বিভিন্ন ডিজাইনের থিপিস করেছি। ছেলেদের জন্য পাঞ্জাবিও রয়েছে।’

শৌ‌খিন ফ্যাশ‌ন নামের একটি স্টলে পাওয়া যাচ্ছে টাঙ্গাইলে শাড়িসহ বিভিন্ন পোশাক। রয়েছে ব্লক বাটিকের পোশাকও। সিঁড়ি হস্তশিল্পর স্টলে রয়েছে হাতের কাজ করা তৈরি পোশাক।

শুধু পোশাকই নয়। এর সঙ্গে মিল রেখে ব্যাগ, গহনাসহ হাতব্যাগও পাওয়া যাচ্ছে মেলায়। তাছাড়া চামড়ার জুতো, স্লিপারসহ আরো নানা পণ্য মিলছে মেলায়।

তানি’স এর উদ্যোক্তা তানিয়া নাজনীন জানান, তার স্টলে রয়েছে প্রাকৃতিক রঙে তৈরী ব্যাগ, হোম ডেকোর, শাড়ী, পাঞ্জাবি, মেয়েদের পোশাক, বিভিন্ন করমের গহনা।

এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সফিকুল ইসলাম ঢাকাটাইমসকে বলেন,  ‘মেলায়ক্রেতা-বিক্রেতাদের চাহিদার কথা ও উদ্যোক্তাদের অনুরোধে মেলার সময় একদিন বাড়ানো হয়েছে। আজ শনিবার মেলা শেষ হবে।রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে এ মেলা।’