নরসিংদীর তিনটিতে আ.লীগ একটিতে স্বতন্ত্র বিজয়ী

নরসিংদী প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২৪ মার্চ ২০১৯, ২৩:০০

তৃতীয়ধাপের নির্বাচনে নরসিংদীর ছয় উপজেলা পরিষদের মধ্যে চারটির নির্বাচন আজ রবিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে তিনটিতে আ.লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রাথী ও একটিতে স্বতন্ত্রপ্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

রবিবার দিনভর ভোট গ্রহণ শেষে রাতে এ ফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন অফিস।

বেলাব উপজেলায় নৌকা প্রতীকে ৪৪ হাজার ৫১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের সমশের জামান ভূঁইয়া রিটন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (স্বতন্ত্র) আনারস প্রতীকের আমানুল্লাহ পেয়েছেন ১৮ হাজার ৬২৯ ভোট।

এছাড়া চশমা প্রতীকে ২২ হাজার ৪৮০ ভোট পেয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন মো. মনিরুজ্জামান জাহাঙ্গীর ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিজয়ী হয়েছেন শারমীন আক্তার খালেদা।

শিবপুর উপজেলায় নৌকা প্রতীকের হারুন অর রশিদ খান ৫১ হাজার ১৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (স্বতন্ত্র) আরিফুল ইসলাম মৃধা দোয়াত কলম প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৯০ ভোট।

এ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে চশমা প্রতীকে শরীফ সারোয়ার জুয়েল ২৪ হাজার ৬৮৩ ভোট ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে তাপসী রাবেয়া ফুটবল প্রতীকে ২৬ হাজার ৩১৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

মনোহরদী উপজেলায় নৌকা প্রতীকে ৩৩ হাজার  ৯২৭  ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন সাইফুল ইসলাম খান বীরু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (স্বতন্ত্র) টেলিফোন প্রতীকে হাবিবুর রহমান রঙ্গু পেয়েছেন ১৪ হাজার ৫৫৬ ভোট।  

আর ভাইস চেয়ারম্যান পদে এইচ এম ইকবাল আহমেদ তালা প্রতীকে ৩৮ হাজার ৭১৬ ভোট ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে আফরোজা সুলতানা প্রজাপতি প্রতিকে ৩৬ হাজার ৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

রায়পুরা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস সাদেক আনারস প্রতীকে ৬০ হাজার ৪০৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আ.লীগের মিজানুর রহমান চৌধুরী নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৩৩৭  ভোট।
আর ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোমেন মিয়া চশমা প্রতীকে ৪৯ হাজার ৪৬ ভোট এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তাহমিনা মানিক হাঁস প্রতিকে ৪৩ হাজার ৪৪৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।  

রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয়। তবে চার উপজেলাতেই তুলনামূলকভাবে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল কম।

চার উপজেলায় মোট ৪১২টি ভোট কেন্দ্রের ১ হাজার ৮৮০টি ভোট কক্ষে ভোটগ্রহণ করা হয়। নির্বাচনে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৪ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ১৮ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ১১ প্লাটুন বিজিবি ছাড়াও প্রতিটি উপজেলায় দুটি করে র‌্যাবের মোবাইল টিম ও পুলিশসহ বিপুল সংখ্যক আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করেন।

ঢাকাটাইমস/২৪মার্চ/ইএস

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত