মালিঙ্গা-হার্দিক নৈপুণ্যে কোহলিদের হারাল মুম্বাই

ক্রীড়া ডেস্ক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ০৯:৩৭ | প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ০৯:৩১

শেষ দুই ওভারে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জয়ের জন্য দরকার ছিল ২২ রান। ক্রিজে হার্দিক পান্ডিয়া ও কাইরন পোলার্ড। বাঁ-হাতি স্পিনার পবন নেগির হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন রয়্যাল অধিনায়ক বিরাট কোহলি। প্রথম বল বিট করে চমক দিয়েছিলেন নেগি। কিন্তু পরের পাঁচ বলে ৬,৪,৪,৬ মেরে এক ওভার বাকি থাকতেই ম্যাচ পকেটে পুরে নেন হার্দিক।

১৬ বলে ৩৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে মুম্বাইকে পাঁচ উইকেটের সহজ জয় এনে দেন হার্দিক। এই জয়ের ফলে ৮ ম্যাচে পাঁচটি জিতে ১০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকায় নাইটদের সরিয়ে তিন নম্বরে জায়গা করে নিল রোহিত শর্মার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ৮ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। আর সমসংখ্যক ম্যাচ খেলে পাঁচটি জিতে দুই নম্বরে রয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) সোমবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। এদিন ১৭২ রান তাড়া করতে নেমে দারুণ শুরু করে মুম্বাই ওপেনাররা। পাওয়ারপ্লে অর্থাৎ প্রথম ৬ ওভারে ৬৭ রান তুলে দলকে মজবুত জায়গায় পৌঁছে দেন দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও কুইন্টন ডি কক। কিন্তু দলীয় ৭০ রানে রোহিত ডাগ-আউটে ফিরলেও ২৬ বলে ৪০ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ডি কক। ২টি ছয় ও পাঁচটি বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। আর ১৯ বলে ২৮ রান করেন ক্যাপ্টেন রোহিত।

কিন্তু মাত্র এক রানের ব্যবধানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়লেও ইশান কিষাণ ও হার্দিক পান্ডিয়ার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে মুম্বাইয়ের জয় নিশ্চিত হয়। ৯ বলে তিন ছক্কায় ২১ রান করেন ইশান। আর ১৬ বলে দুইটি ছক্কা ও পাঁচটি বাউন্ডারি মেরে ৩৭ রান অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন হার্দিক।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে এবি ডি ভিলিয়ার্স ও মইন আলীর লড়াইয়ে সাত উইকেট হারিয়ে ১৭১ রান তুলেছিল বিরাটের দল। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের শুরুটা ভালো হয়নি। ব্যক্তিগত ৮ রানে ডাগ-আউটে ফেরেন বিরাট। মাত্র ১২ রানে প্রথম উইকেট হারায় আরসিবি। বেহরেনডর্ফের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন বিরাট। কিন্তু পার্থিব প্যাটেল ও এবি ডি’র ব্যাটে লড়াইয়ে ফেরে রয়্যাল বাহিনী। কিন্তু ২০ বলে ২৮ রানে পার্থিব ডাগ-আউটে ফেরার পর মঈন আলীর সঙ্গে ৬১ বলে ৯৫ রানের পার্টনারশিপ গড়ে আরসিবিকে বড় রানে পৌঁছে দেন ডি ভিলিয়ার্স।

৩২ বলে পাঁচ ছক্কায় হাফ-সেঞ্চুরি করার পর মালিঙ্গার বলে ডাগ-আউটে ফেরেন আলী। ততক্ষণে অবশ্য স্কোর বোর্ডে ১৪৪ রান যোগ করে ফেলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। এর পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন এবি ডি। চেনা ছন্দে দেখা যায় মিস্টার ৩৬০ ডিগ্রিকে। ইনিংসের শেষ ওভারের প্রথম বলে মালিঙ্গাকে ছক্কা মারলেও ব্যক্তিগত ৭৫ রানে রান আউট হয়ে দুর্ভাগ্যবশত ডাগ-আউটে ফেরেন এবি ডি। ৫১ বলের ইনিংসে চার ছক্কা ও ৬টি বাউন্ডারি মারেন ডি ভিলিয়ার্স। এবি ডি ভিলিয়ার্স আউট হওয়ার পর স্কোর বোর্ডে মাত্র ২ রান যোগ করে আরসিবি।

তিন ম্যাচ মাঠের বাইরে থাকা মালিঙ্গা এদিন ফিরেই দুরন্ত। চার ওভারে ৩১ রান দিয়ে চারটি উইকেট তুলে নেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের এই লঙ্কান পেসার। আগের ম্যাচে চোট পেয়ে ছিটকে যাওয়া আলজারি যোসেফের পরিবর্তে এদিন দল ঢোকেন মালিঙ্গা। মাঠে ফিরেই ম্যাচসেরা হন তিনি। আগের ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালের কাছে হেরেছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। কিন্তু এদিন বিরাটদের হারিয়ে ফের জয়ে ফেরে রোহিত অ্যান্ড কোং।

(ঢাকাটাইমস/১৬ এপ্রিল/এসইউএল)

সংবাদটি শেয়ার করুন

খেলাধুলা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :