সুচির ওপর ক্ষিপ্ত বার্মিজরাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ঢাকা টাইমস
 | প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ১০:৩১

মিয়ানমারে সামরিক সরকারকে সরিয়ে গণতান্ত্রিক উপায় ক্ষমতায় এসেছিল শান্তিতে নোবেলজয়ী নেত্রী অং সাং সুচির দল। দেশটির সর্বোচ্চ পদে তিনি বসতে না পারলেও কার্যত সরকার প্রধান তিনিই। তবে নির্বাচনের এক বছর বাকি থাকতেই সুচির প্রতি মিয়ানমারের সাধারণ নাগরিকরা বিরক্ত। তাদের অভিযোগ গণতন্ত্রকে সীমিত করে রেখেছেন সুচি।

দেশটিতে নতুন বছর উদযাপন করতে শাসকদের বিরুদ্ধে বিদ্রূপাত্মক কবিতা আবৃতি করা হয়। এর নাম থ্যান্চা। সম্প্রতি মিয়ানমারের কয়েক শত বছরের পুরনো এই প্রথার ওপর সেন্সরশিপ দিয়েছে মিয়ানমার সরকার। এরপরই সুচির সরকারের ওপর ক্ষুদ্ধ হয়েছেন মিয়ানমারের সাধারণ নাগরিকরা।

থ্যান্চায় সাধারণত ঢোলের তালে তাল মিলিয়ে নাচ ও  ব্যঙ্গাত্মক কবিতা আবৃত্তি করা হয়৷ দেশটির গত পঞ্চাশ বছরের ইতিহাসে প্রথম গণতান্ত্রিক সরকার থ্যান্চার কবিতা এক সেন্সর প্যানেলে অনুমোদনের জন্য পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে৷

শিক্ষার্থী থ্যান্ট জিন ও অং মিন থ্যু এ বিষয়ে বলেন, ‘আমরা জনগণের বার্তা সরকারের কাছে পৌঁছে দিতে থ্যান্চা প্রতিষ্ঠা করেছিলাম৷ তারা কেন দেশের জনগণ, শিক্ষার্থীদের কথা শোনার সাহস পাচ্ছে না?’

থ্যান্চা নিয়ন্ত্রণের এই চেষ্টার বিরোধিতা করে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব হয়েছেন৷ তাদের মতে, মিয়ানমারের শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সাং সুচি সরকারের আমলে বাক-স্বাধীনতা সীমাবদ্ধ পর্যায়ে রয়েছে৷

সুচির ক্ষমতাসীন দল ‘ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি’র এক মুখপাত্র বলেন, থ্যান্চার ওপর এই কড়াকড়ি সাময়িক। কেননা, মিয়ানমার গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হচ্ছে৷

উল্লেখ্য সামরিক জান্তা মিয়ানমারকে কয়েক দশক শাসন করেছে৷ তখন থ্যান্চা পুরাপুরি নিষিদ্ধ ছিল৷ পরবর্তীতে ২০১৩ সালে দেশটিতে আধাবেসামরিক শাসন শুরু হলে থ্যান্চা চর্চা ফিরে আসে৷ তবে চলতি বছর নববর্ষ শুরুর আগে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে এই চর্চায় সরকারবিরোধী কোনো কিছু না বলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে৷

ঢাকা টাইমস/১৬এপ্রিল/একে

সংবাদটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :