দেড় বছর পর পোশাকশ্রমিক হত্যার জট খুললো

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০১৯, ২১:২০ | প্রকাশিত : ১৮ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:২৬

প্রায় প্রায় দেড় বছর পর আশুলিয়ার গার্মেন্টস কর্মী মাহাবুর হত্যার রহস্য উন্মোচন করলো পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এই হত্যার সঙ্গে জড়িত স্বামী-স্ত্রীকে চাপাইনবাগঞ্জের নাচোল থেকে গ্রেপ্তার করেছেন ঢাকা জেলার পিবিআইয়ের সদস্যরা।

গ্রেপ্তারকৃতরা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী অফিসার পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সালেহ ইমরান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন চাপাইনবাবগঞ্জের নাচোল থানার শরুল্লা গ্রামের রইসুদ্দিনের ছেলে শামীম আক্তার ও তার স্ত্রী রোমালী বেগম।

নিহত গার্মেন্টস শ্রমিক মাহাবুরের গ্রামের কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুরের হোকডাংগা দালালপাড়া।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সালেহ ইমরান বলেন, ২০১৭সালের ১৭ ডিসেম্বর মাহাবুরের স্ত্রী খাদিজা বেগম আশুলিয়া থানায় চারজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ৩০। পরে যাদের আসামি করা হয়েছে তাদের নাম উল্লেখ করে এজাহার দায়ের করলেও তদন্তকালে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া না যাওয়ায় মামলাটি একটি ক্লুলেস মামলায় পরিণত হয়। দীর্ঘ তদন্তের পর তথ্য প্রযুক্তির সহযোগিতা নিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আসামিদের শনাক্ত করা হয়।

তিনি আরো জানান, আসামিদের গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকারোক্তি দেয়। তাদের দেওয়া স্বীকারোক্তি এবং তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হত্যার দেড় মাস আগে মাহাবুরসহ তিনজন শামীম আক্তারের স্ত্রী রোমালী বেগমকে ধর্ষণ করেন।

পরে বিষয়টি তার স্বামীকে জানালে তারা দুজনই প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ খুঁজতে থাকেন৷ এক পর্যায়ে হত্যার আগের দিন সন্ধ্যায় রোমালী বেগম কৌশলে মাহাবুরকে আশুলিয়া থানার নিশ্চন্তপুর এলাকার নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিল রোমালীর স্বামী শামীম আক্তার।

এক পর‌্যায়ে তারা মাহাবুরকে শ্বাসরুদ্ধ করে এবং সুতা কাটার যন্ত্র দিয়ে গলা, পুরুষাঙ্গ এবং পেটে আঘাত করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

(ঢাকাটাইমস/১৮এপ্রিল/বিইউ/ইএস)

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজধানী বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :