জায়ানের মরদেহ ঢাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
 | প্রকাশিত : ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১৩:২২

আওয়ামী লীগ নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নাতি জায়ান চৌধুরীর মরদেহ শ্রীলঙ্কা থেকে দেশে আনা হয়েছে। গত রবিবার শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসী হামলায় নিহত আট বছরের জায়ানের মরদেহ বহনকারী শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্সের বিমান ইউএল-১৮৯ ফ্লাইটটি বুধবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরের টারমার্কে নাতি জায়ানের মরদেহ গ্রহণ করেন নানা শেখ সেলিম। মরদেহটি এখন নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জায়ানের নানা শেখ সেলিমের বনানীর বাসায়।

আজ বিকালে আসরের নামাজ বাদে বনানী মাঠে জায়ানের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে। গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান শেখ সেলিমের ছোট ভাই শেখ ফজলুর রহমান মারুফ।

নিহত জায়ান চৌধুরীর বয়স হয়েছিল আট বছর। সে রাজধানীর উত্তরার সানবিম স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল। বাবা-মায়ের সঙ্গে শ্রীলঙ্কায় বেড়াতে গিয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে অকালে প্রাণ দিতে হয়েছে ছোট্ট জায়ানকে।

একই ঘটনায় আহত হয়ে সেখানকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন শেখ সেলিমের জামাতা মশিউল হক চৌধুরী। অস্ত্রোপচারের পর তার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে কিছুটা উন্নতির দিকে হলেও তিনি এখনো শঙ্কামুক্ত নন।

ইস্টার সানডের প্রার্থনার মধ্যে গত রবিবার গির্জা ও হোটেল মিলিয়ে আটটি স্থানে বোমা হামলায় রক্তাক্ত হয় শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো। হামলায় তিন শতাধিক মানুষ মারা যায়। তাদেরই একজন শেখ সেলিমের মেয়ে শেখ আমেনা সুলতানা সোনিয়ার ছেলে জায়ান চৌধুরী।

দুই ছেলে ও স্বামীকে নিয়ে শ্রীলঙ্কায় ঘুরতে যাওয়া আমেনা সুলতানা দেশটির একটি পাঁচতারকা হোটেলে ছিলেন। হামলার সময় শেখ আমেনা ছোট ছেলে জোহানকে নিয়ে হোটেলটিতে তাদের কক্ষে ছিলেন।

আর নিচতলার একটি রেস্তোরাঁয় সকালের নাস্তা করতে গিয়েছিলেন আমেনার স্বামী মশিউল হক চৌধুরী ও তাদের বড় ছেলে জায়ান চৌধুরী। বোমা হামলায় মশিউল আহত হন এবং ছেলে জায়ান নিখোঁজ হয়। পরে জায়ানের মৃত্যুর খবর আসে।

ঢাকাটাইমস/২৪এপ্রিল/এএইচ

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :