রূপসার আ.লীগ নেতাকর্মীদের কান্নার সাথী সুজাপুত্র সুকর্ন

হুমায়ুন কবির ববি
 | প্রকাশিত : ১৮ মে ২০১৯, ২১:০৬

গতকাল (১৭/৫/১৯) মরহুম জননেতা, রূপসা দিঘলিয়া তেরখাদার মানুষের প্রিয়জন এস এম মোস্তফা রশিদী সুজার সুযোগ্য পুত্র তেরখাদা থেকে নির্বাচিত খুলনা  জেলা পরিষদের সদস্য এস এম খালেদিন রশিদী সুকর্ন রূপসার আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের কান্নার সাথী হলেন।

সুকর্ন গত ২৭ জুলাই ২০১৮ তে পিতা হারাবার পর পিতার রাজনৈতিক কর্মের সাথে পূর্বের তুলনায় আরো সক্রিয় ভূমিকা রাখতে শুরু করেন। রূপসা তেরখাদা দিঘলিয়ার মানুষের আশা ছিল আগামী দিনে তাদের এলাকায় সুখে দুখে, ভাল মন্দের সাথী হতে সুজার বা ভাইজানের সুপুত্র সুকর্নই হবে নৌকার মাঝি। কিন্তু তা হয়নি। এলাকার দীর্ঘদিনের আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা আজ নিরাপদ নন। ত্যাগী, দুঃসময়ের আওয়ামী লীগের অনিরাপদ নেতা কর্মীদের পরিবারের মানুষেরা আজ এলাকা ছাড়ছেন নিরাপত্তার প্রয়োজনে।

অরাজনৈতিক চরিত্রের হাতে ক্ষমতাদণ্ড চলে যাওয়াতে এ পরিস্থিতি।

উপজেলা নির্বাচন পরবর্তী রূপসা মহিলা আওয়ামী লীগ কর্মীদের উপর যে নির্যাতন হয়েছে তার পাশে দাঁড়াবার সাহস যেন কারো নেই।

পিতার মৃত্যুর পর থেকে সুকর্নের প্রতিটি মুহূর্ত কাটছে মাকে নিয়ে চিকিৎসার উদেশ্যে ছুটে বেড়িয়ে। আজ ঢাকার কোন হাসপাতাল, কাল কেমো দিতে সিঙ্গাপুর পরশু ভারত। তার পিতার রেখে যাওয়া বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সঙ্গী সাথী রাজনীতির হালচালে খোঁজ রাখা মায়ের চিকিৎসার জন্য সম্ভব হচ্ছে না। তবুও এমন কিছু ঘটনা যে তাকে আসতে হেয়েছে মাকে ছোট বোনকে দিয়ে সিঙ্গাপুরের বিমানে উঠিয়ে দিয়ে খুলনা আসতে। পিতার রাজধানীর সহযোদ্ধা সিরাজ দাদো মারা গেছেন, তখন তিনি ছিলেন সিঙ্গাপুর। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সেই সৈনিকের স্ত্রীর সন্তানদের সাথে সাক্ষাৎ ও সিরাজ দাদোর কবর জিয়ারত করে ছুটে গেলেন রূপসা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী যাকে সায়েস্তা করতে তার বড়তে হামলা করে তাকে তার দুই এতিম সন্তানকে মারা হয়েছে নির্মমভাবে।

এ ঘটনায় থানা মামলা নেয়নি বরং হামলাকারীদের মামলার আসামি হয়েছে সভানেত্রী লিপির ছেলেরা। এরপর মহিলা আওয়ামী লীগের সহ সভানেত্রী রেখার বাড়ি। রেখাকে বেদমভাবে মেরে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিশুপুত্রদের সামনে রেখাকে মেরে বাড়ির টাকা স্বর্ণ লুট করে চলে গেছে নব্য আওয়ামী ক্ষমতাবানরা। দুদিন আইসিইউতে অচেতন ছিলেন রেখা।

কি বলার আছে সুজাপুত্র সুকর্নের, পিতার হাতে গড়া নির্যাতিত কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে? অসহায়দের কান্নার সাথী হয়েছেন। বলেছেন " ধৈর্য ধরেন, দুঃসময় কেটে যাবে। আমাদের প্রিয় নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারী নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার। তিনি অবশ্যই ব্যবস্থা নিবেন"।

এরমাঝে সুকর্ন ছাত্রলীগ, খুলনা জেলা সভাপতি পারভেজ এর অসুস্থ মাকে দেখতে যান।

খুলনাতে আসার পর পরই সিঙ্গাপুর থেকে মায়ের ফোন এসছিল " সুকর্ন বাবা তুমি চলে এসো আমার কাছে।" মায়ের ডাকে আজই সুকর্ন খুলনা ছাড়লেন সিঙ্গাপুর যাওয়ার উদেশ্যে।

 জয় বাংলা

লেখক: নাট্যকার, নির্দেশক, অভিনেতা ও প্রতিনিধি; সংস্কৃতি সংস্থা খুলনা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

ফেসবুক কর্নার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :